
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

২০২০ সালের নির্বাচন নিয়ে প্রশ্নের মুখে মেজাজ হারিয়ে একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারের মাঝপথেই বেরিয়ে গেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এনবিসি নিউজের বিখ্যাত অনুষ্ঠান ‘মিট দ্য প্রেসে’র সাক্ষাৎকার চলাকালে সঞ্চালকের সঙ্গে তীব্র বাদানুবাদের একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি স্টুডিও ত্যাগ করেন।
রোববার (৭ জুন) মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্টের খবরে বলা হয়, ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ‘কারচুপি’ হয়েছিল বলে ট্রাম্প যে দাবি করে আসছেন, তা নিয়ে অনুষ্ঠানটির সঞ্চালক ক্রিস্টেন ওয়েলকার তাকে একের পর এক তীক্ষ্ণ প্রশ্ন করতে থাকেন।
একপর্যায়ে ওয়েলকার বলেন, নির্বাচন ‘কারচুপি’ হওয়ার পক্ষে ট্রাম্প এখন পর্যন্ত ন্যূনতম কোনো তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি। সঞ্চালকের এই মন্তব্যের পরই ট্রাম্প চরম ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।
রোববার সম্প্রচারিত ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলতে শোনা যায়, ‘আপনারা একটি একপেশে নেটওয়ার্ক। এখানেই অনুষ্ঠানের ইতি টানা যাক, কারণ অনেক হয়েছে। ধন্যবাদ ডার্লিং, ভালো থাকুন।’
ট্রাম্প যখন কথা শেষ করে উঠে যাচ্ছিলেন, তখন সঞ্চালক ওয়েলকার সাক্ষাৎকারটি চালিয়ে যাওয়ার জন্য বারবার অনুরোধ করেন। তিনি ট্রাম্পকে মনে করিয়ে দেন যে, এই বিশেষ সাক্ষাৎকারটি নেওয়ার জন্য তিনি কষ্ট করে উইসকনসিন পর্যন্ত ছুটে এসেছেন। কিন্তু ততক্ষণে ট্রাম্প তার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন এবং তিনি আর কথা বাড়াতে রাজি হননি।
স্টুডিও ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার আগে কিছুটা বিড়বিড় করে ট্রাম্প অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি আপনার সঙ্গে এক ঘণ্টা ধরে বৃষ্টির মধ্যে বসেছিলাম।’
তিনি আরও বলেন, ‘কখনও বৃষ্টি হচ্ছিল, আবার কখনও থামছিল— এর মধ্যেই আমি আপনাকে যথেষ্ট সময় দিয়েছি। আপনাদের গণমাধ্যমের চরিত্র আগে ঠিক করা উচিত। একটি অসৎ গণমাধ্যমকে সঙ্গে নিয়ে কোনো দেশ কখনো মহান হতে পারে না।’
তবে এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির ভিডিওটি সম্প্রচার করার পর সঞ্চালক ক্রিস্টেন ওয়েলকার একটি নতুন তথ্য প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, ঘটনার পরপরই তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং ট্রাম্প পরবর্তীতে আবারও তার সঙ্গে একটি ফলো-আপ (পরবর্তী) সাক্ষাৎকার দিতে রাজি হয়েছেন।

২০২০ সালের নির্বাচন নিয়ে প্রশ্নের মুখে মেজাজ হারিয়ে একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারের মাঝপথেই বেরিয়ে গেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এনবিসি নিউজের বিখ্যাত অনুষ্ঠান ‘মিট দ্য প্রেসে’র সাক্ষাৎকার চলাকালে সঞ্চালকের সঙ্গে তীব্র বাদানুবাদের একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি স্টুডিও ত্যাগ করেন।
রোববার (৭ জুন) মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্টের খবরে বলা হয়, ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ‘কারচুপি’ হয়েছিল বলে ট্রাম্প যে দাবি করে আসছেন, তা নিয়ে অনুষ্ঠানটির সঞ্চালক ক্রিস্টেন ওয়েলকার তাকে একের পর এক তীক্ষ্ণ প্রশ্ন করতে থাকেন।
একপর্যায়ে ওয়েলকার বলেন, নির্বাচন ‘কারচুপি’ হওয়ার পক্ষে ট্রাম্প এখন পর্যন্ত ন্যূনতম কোনো তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি। সঞ্চালকের এই মন্তব্যের পরই ট্রাম্প চরম ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।
রোববার সম্প্রচারিত ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলতে শোনা যায়, ‘আপনারা একটি একপেশে নেটওয়ার্ক। এখানেই অনুষ্ঠানের ইতি টানা যাক, কারণ অনেক হয়েছে। ধন্যবাদ ডার্লিং, ভালো থাকুন।’
ট্রাম্প যখন কথা শেষ করে উঠে যাচ্ছিলেন, তখন সঞ্চালক ওয়েলকার সাক্ষাৎকারটি চালিয়ে যাওয়ার জন্য বারবার অনুরোধ করেন। তিনি ট্রাম্পকে মনে করিয়ে দেন যে, এই বিশেষ সাক্ষাৎকারটি নেওয়ার জন্য তিনি কষ্ট করে উইসকনসিন পর্যন্ত ছুটে এসেছেন। কিন্তু ততক্ষণে ট্রাম্প তার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন এবং তিনি আর কথা বাড়াতে রাজি হননি।
স্টুডিও ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার আগে কিছুটা বিড়বিড় করে ট্রাম্প অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি আপনার সঙ্গে এক ঘণ্টা ধরে বৃষ্টির মধ্যে বসেছিলাম।’
তিনি আরও বলেন, ‘কখনও বৃষ্টি হচ্ছিল, আবার কখনও থামছিল— এর মধ্যেই আমি আপনাকে যথেষ্ট সময় দিয়েছি। আপনাদের গণমাধ্যমের চরিত্র আগে ঠিক করা উচিত। একটি অসৎ গণমাধ্যমকে সঙ্গে নিয়ে কোনো দেশ কখনো মহান হতে পারে না।’
তবে এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির ভিডিওটি সম্প্রচার করার পর সঞ্চালক ক্রিস্টেন ওয়েলকার একটি নতুন তথ্য প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, ঘটনার পরপরই তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং ট্রাম্প পরবর্তীতে আবারও তার সঙ্গে একটি ফলো-আপ (পরবর্তী) সাক্ষাৎকার দিতে রাজি হয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।
৬ ঘণ্টা আগে
৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
৬ ঘণ্টা আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
৮ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের হাই-প্রোফাইল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। কিন্তু ট্রাম্প দৃশ্যত রুবিওর পরিবর্তে ভ্যান্সকেই সামনে নিয়ে এসেছেন। ফলে প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে