
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন— ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘাতের সময় তিনি হস্তক্ষেপ না করলে ৩ কোটি ৫০ লাখ (৩৫ মিলিয়ন) মানুষের প্রাণহানি ঘটতে পারত। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ তাকে এমনটাই জানিয়েছেন।
মার্কিন গণমাধ্যম সিএনবিসির খবরে বলা হয়েছে, বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন কংগ্রেসে দেওয়া ‘স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণে এমন মন্তব্য করেন ট্রাম্প।
এ ছাড়া দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে বিশ্বব্যাপী আটটি যুদ্ধের অবসানে ভূমিকা রেখেছেন বলে দাবি করেন ট্রাম্প। আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমার প্রথম ১০ মাসে আমি আটটি যুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছি... পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে একটি পারমাণবিক যুদ্ধ বেঁধে যেত।’
গর্বের সঙ্গে ট্রাম্প আরও দাবি করেন যে, তার নেতৃত্বেই বিদেশে অবস্থানরত আমেরিকানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে শান্তি ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। তবে ট্রাম্পের এ বক্তব্যের সময় এক নারী আইনপ্রণেতাকে ‘এটি মিথ্যা’ বলে চিৎকার করতে শোনা যায়।
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘাতের সূত্রপাত হয়েছিল গত বছরের ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পেহেলগামে এক সন্ত্রাসী হামলার মধ্য দিয়ে। এ হামলায় ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারান। ভারত এ হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করলেও পাকিস্তান এ অভিযোগ অস্বীকার করে।
এরপর ৭ মে ভোরে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে হামলা চালায় ভারত। জবাবে পাকিস্তানও ভারতের অভ্যন্তরে পালটা হামলা চালায়। দুই দেশের মধ্যে শুরু হওয়া এ সামরিক সংঘাত চার দিন ধরে চলার পরে উভয় দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়।
তবে রক্তক্ষয়ী এ সংঘর্ষের পর ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করে যে, তাদের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিরলস আলোচনার ফলেই কার্যকর যুদ্ধবিরতি সম্ভব হয়েছে। পাকিস্তান যুদ্ধবিরতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করলেও ভারত বরাবরই কোনো তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতার দাবি অস্বীকার করেছে।
ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার এ সংঘাতের পর থেকেই ডোনাল্ড ট্রাম্প নিয়মিতভাবেই নিজেকে ‘শান্তিরক্ষক’ হিসেবে উপস্থাপন করে আসছেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে, তার কঠোর বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক অবস্থানই দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশকে চূড়ান্ত ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন— ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘাতের সময় তিনি হস্তক্ষেপ না করলে ৩ কোটি ৫০ লাখ (৩৫ মিলিয়ন) মানুষের প্রাণহানি ঘটতে পারত। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ তাকে এমনটাই জানিয়েছেন।
মার্কিন গণমাধ্যম সিএনবিসির খবরে বলা হয়েছে, বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন কংগ্রেসে দেওয়া ‘স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণে এমন মন্তব্য করেন ট্রাম্প।
এ ছাড়া দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে বিশ্বব্যাপী আটটি যুদ্ধের অবসানে ভূমিকা রেখেছেন বলে দাবি করেন ট্রাম্প। আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমার প্রথম ১০ মাসে আমি আটটি যুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছি... পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে একটি পারমাণবিক যুদ্ধ বেঁধে যেত।’
গর্বের সঙ্গে ট্রাম্প আরও দাবি করেন যে, তার নেতৃত্বেই বিদেশে অবস্থানরত আমেরিকানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে শান্তি ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। তবে ট্রাম্পের এ বক্তব্যের সময় এক নারী আইনপ্রণেতাকে ‘এটি মিথ্যা’ বলে চিৎকার করতে শোনা যায়।
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘাতের সূত্রপাত হয়েছিল গত বছরের ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পেহেলগামে এক সন্ত্রাসী হামলার মধ্য দিয়ে। এ হামলায় ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারান। ভারত এ হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করলেও পাকিস্তান এ অভিযোগ অস্বীকার করে।
এরপর ৭ মে ভোরে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে হামলা চালায় ভারত। জবাবে পাকিস্তানও ভারতের অভ্যন্তরে পালটা হামলা চালায়। দুই দেশের মধ্যে শুরু হওয়া এ সামরিক সংঘাত চার দিন ধরে চলার পরে উভয় দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়।
তবে রক্তক্ষয়ী এ সংঘর্ষের পর ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করে যে, তাদের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিরলস আলোচনার ফলেই কার্যকর যুদ্ধবিরতি সম্ভব হয়েছে। পাকিস্তান যুদ্ধবিরতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করলেও ভারত বরাবরই কোনো তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতার দাবি অস্বীকার করেছে।
ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার এ সংঘাতের পর থেকেই ডোনাল্ড ট্রাম্প নিয়মিতভাবেই নিজেকে ‘শান্তিরক্ষক’ হিসেবে উপস্থাপন করে আসছেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে, তার কঠোর বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক অবস্থানই দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশকে চূড়ান্ত ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে