
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সস্ত্রীক তুলে নিয়ে যাওয়ার পর এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন মাদুরোর ‘সেকেন্ড ম্যান’ তথা ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজকে। বলেছেন, ‘সঠিক কাজ’ না করলে তাকে মাদুরোর চেয়েও ‘বড় মূল্য’ দিতে হতে পারে।
এদিকে ভেনেজুয়েলার চলমান পরিস্থিতিতে যৌথ বিবৃতি দিয়েছে লাতিন আমেরিকার পাঁচ দেশ ব্রাজিল, চিলি, কলম্বিয়া, মেক্সিকো ও উরুগুয়ে। এসব দেশ মার্কিন বাহিনীর মাধ্যমে নিকোলাস মাদুরোকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট পদ থেকে অপসারণের ঘটনা প্রত্যাখ্যান করেছে। সরকার পরিচালনা বা প্রশাসনের ওপর যেকোনো ধরনের বহির্শক্তির নিয়ন্ত্রণের তীব্র বিরোধিতা করে এসব দেশ প্রাকৃতিক বা কৌশলগত সম্পদ দখলের প্রয়াসে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে।
কাতারভিত্তিক আলজাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ভেনেজুয়েলার চলমান পরিস্থিতি নিয়ে দ্য আটলান্টিক ম্যাগাজিনকে এক সাক্ষাৎকার দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘ডেলসি রদ্রিগেজ (ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট) যদি সঠিক কাজ না করেন, তাহলে তাকে খুব বড় মূল্য দিতে হবে— সম্ভবত মাদুরোর চেয়েও বড়।’
রদ্রিগেজকে নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন অবস্থানের নেপথ্যে রয়েছে ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসন প্রত্যাখ্যান করে রদ্রিগেজের দেওয়া বক্তব্য। শনিবার মার্কিন বাহিনী মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করার পর রদ্রিগেজ বলেন, তার দেশ ভেনেজুয়েলার প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় দৃঢ় অবস্থান নেবে। বাইরের কাউকে নিজেদের সম্পদের ওপর হস্তক্ষেপ করতে দেবেন না তিনি।
মাদুরোকে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের পক্ষে সাফাই গেয়ে ট্রাম্প দ্য আটলান্টিককে বলেন, ‘আপনি একে পুনর্গঠন বলুন, শাসন পরিবর্তন বলুন— যা খুশি বলুন। বর্তমান অবস্থার চেয়ে যেকোনো কিছুই ভালো। এর চেয়ে খারাপ আর হতে পারে না।’
ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন, অন্য দেশগুলোকেও যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের মুখে পড়তে হতে পারে। ডেনমার্কের অংশ ও ন্যাটোভুক্ত দেশ গ্রিনল্যান্ডের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাদের গ্রিনল্যান্ড দরকার, একেবারেই দরকার।’

ট্রাম্পের এমন বক্তব্য বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন এক বার্তার ইঙ্গিত দিচ্ছে, যেখানে তুলনামূলকভাবে আর্থিকভাবে নাজুক বা রাজনৈতিকভাবে অস্থিতিশীল দেশগুলোকে এখন সরাসরি মার্কিন হস্তক্ষেপের মুখে পড়ার শঙ্কায় থাকতে হবে।
ভেনেজুয়েলায় নজিরবিহীন এমন আগ্রাসন নিয়ে পশ্চিমা বিশ্বের অনেক দেশই বিবৃতি দিলেও সেখানে প্রতিবাদ বা নিন্দার স্বর বেশ নিচু। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্সসহ ইউরোপের অনেক দেশের বিবৃতি প্রকারান্তরে মার্কিন আগ্রাসনের সাফাইয়ে পরিণত হয়েছে বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
তবে ভিন্ন পথে হেঁটেছে ব্রাজিল, চিলি, কলম্বিয়া, মেক্সিকো ও উরুগুয়ে। লাতিন আমেরিকার এই পাঁচ দেশ ভেনেজুয়েলার ওপর কোনো ধরনের ‘বহির্শক্তির নিয়ন্ত্রণ’ প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিয়েছে। ‘ভেনেজুয়েলা চালাবে ওয়াশিংটন’ এবং ‘ভেনেজুয়েশলার তেল সম্পদে যুক্তরাষ্ট্র প্রবেশাধিকার পাবে’— ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের পর এই পাঁচ দেশের পক্ষ থেকে যৌথ বিবৃতিতে এমন অবস্থানের কথা উঠে এসেছে।
মাদুরোর মিত্ররা এখনো ‘সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে’ এবং তারা তাদের নেতাকে অপহরণের ঘটনাকে সাম্রাজ্যবাদী তেল দখলের অংশ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী এর আগে বলেছেন, যেকোনো ‘আগ্রাসন’ মোকাবিলায় সেনাবাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।
ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজও স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসার কোনো ইচ্ছা তার নেই। এক সংবাদ সম্মেলনে অত্যন্ত ‘শান্ত ও স্থির’ ভঙ্গিতে রদ্রিগেজ বলেন, ভেনেজুয়েলা কোনো দেশের উপনিবেশ নয়।
রদ্রিগেজের এমন বক্তব্যে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মনে করছেন ভেনেজুয়েলার বলিভারিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ক্রিস গিলবার্ট। ভেনেজুয়েলার জনগণ ঐতিহাসিকভাবেই বিদেশি হস্তক্ষেপ প্রত্যাখ্যান করে এসেছে এবং ওয়াশিংটন থেকে হুমকি এলেও তারা সেই অবস্থানেই অটল থাকবে বলে মনে করেন এই বিশ্লেষক।
গিলবার্ট আল জাজিরাকে বলেন, সরকারের কর্তৃত্বকে রদ্রিগেজ জনগণের সঙ্গে সংযোগ ও গণতান্ত্রিক বৈধতার ওপর ভিত্তি করেই উপস্থাপন করেছেন। তাছাড়া ভেনেজুয়েলাতে ৪০ লাখের বেশি মিলিশিয়া বা আধাসামরিক বাহিনী রয়েছে। এই বাহিনীর সমর্থন সরকারের প্রতি থাকবে বলে রদ্রিগেজ ইঙ্গিত করেছেন বলেই মনে হয়।

প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সস্ত্রীক তুলে নিয়ে যাওয়ার পর এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন মাদুরোর ‘সেকেন্ড ম্যান’ তথা ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজকে। বলেছেন, ‘সঠিক কাজ’ না করলে তাকে মাদুরোর চেয়েও ‘বড় মূল্য’ দিতে হতে পারে।
এদিকে ভেনেজুয়েলার চলমান পরিস্থিতিতে যৌথ বিবৃতি দিয়েছে লাতিন আমেরিকার পাঁচ দেশ ব্রাজিল, চিলি, কলম্বিয়া, মেক্সিকো ও উরুগুয়ে। এসব দেশ মার্কিন বাহিনীর মাধ্যমে নিকোলাস মাদুরোকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট পদ থেকে অপসারণের ঘটনা প্রত্যাখ্যান করেছে। সরকার পরিচালনা বা প্রশাসনের ওপর যেকোনো ধরনের বহির্শক্তির নিয়ন্ত্রণের তীব্র বিরোধিতা করে এসব দেশ প্রাকৃতিক বা কৌশলগত সম্পদ দখলের প্রয়াসে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে।
কাতারভিত্তিক আলজাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ভেনেজুয়েলার চলমান পরিস্থিতি নিয়ে দ্য আটলান্টিক ম্যাগাজিনকে এক সাক্ষাৎকার দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘ডেলসি রদ্রিগেজ (ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট) যদি সঠিক কাজ না করেন, তাহলে তাকে খুব বড় মূল্য দিতে হবে— সম্ভবত মাদুরোর চেয়েও বড়।’
রদ্রিগেজকে নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন অবস্থানের নেপথ্যে রয়েছে ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসন প্রত্যাখ্যান করে রদ্রিগেজের দেওয়া বক্তব্য। শনিবার মার্কিন বাহিনী মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করার পর রদ্রিগেজ বলেন, তার দেশ ভেনেজুয়েলার প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় দৃঢ় অবস্থান নেবে। বাইরের কাউকে নিজেদের সম্পদের ওপর হস্তক্ষেপ করতে দেবেন না তিনি।
মাদুরোকে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের পক্ষে সাফাই গেয়ে ট্রাম্প দ্য আটলান্টিককে বলেন, ‘আপনি একে পুনর্গঠন বলুন, শাসন পরিবর্তন বলুন— যা খুশি বলুন। বর্তমান অবস্থার চেয়ে যেকোনো কিছুই ভালো। এর চেয়ে খারাপ আর হতে পারে না।’
ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন, অন্য দেশগুলোকেও যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের মুখে পড়তে হতে পারে। ডেনমার্কের অংশ ও ন্যাটোভুক্ত দেশ গ্রিনল্যান্ডের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাদের গ্রিনল্যান্ড দরকার, একেবারেই দরকার।’

ট্রাম্পের এমন বক্তব্য বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন এক বার্তার ইঙ্গিত দিচ্ছে, যেখানে তুলনামূলকভাবে আর্থিকভাবে নাজুক বা রাজনৈতিকভাবে অস্থিতিশীল দেশগুলোকে এখন সরাসরি মার্কিন হস্তক্ষেপের মুখে পড়ার শঙ্কায় থাকতে হবে।
ভেনেজুয়েলায় নজিরবিহীন এমন আগ্রাসন নিয়ে পশ্চিমা বিশ্বের অনেক দেশই বিবৃতি দিলেও সেখানে প্রতিবাদ বা নিন্দার স্বর বেশ নিচু। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্সসহ ইউরোপের অনেক দেশের বিবৃতি প্রকারান্তরে মার্কিন আগ্রাসনের সাফাইয়ে পরিণত হয়েছে বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
তবে ভিন্ন পথে হেঁটেছে ব্রাজিল, চিলি, কলম্বিয়া, মেক্সিকো ও উরুগুয়ে। লাতিন আমেরিকার এই পাঁচ দেশ ভেনেজুয়েলার ওপর কোনো ধরনের ‘বহির্শক্তির নিয়ন্ত্রণ’ প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিয়েছে। ‘ভেনেজুয়েলা চালাবে ওয়াশিংটন’ এবং ‘ভেনেজুয়েশলার তেল সম্পদে যুক্তরাষ্ট্র প্রবেশাধিকার পাবে’— ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের পর এই পাঁচ দেশের পক্ষ থেকে যৌথ বিবৃতিতে এমন অবস্থানের কথা উঠে এসেছে।
মাদুরোর মিত্ররা এখনো ‘সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে’ এবং তারা তাদের নেতাকে অপহরণের ঘটনাকে সাম্রাজ্যবাদী তেল দখলের অংশ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী এর আগে বলেছেন, যেকোনো ‘আগ্রাসন’ মোকাবিলায় সেনাবাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।
ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজও স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসার কোনো ইচ্ছা তার নেই। এক সংবাদ সম্মেলনে অত্যন্ত ‘শান্ত ও স্থির’ ভঙ্গিতে রদ্রিগেজ বলেন, ভেনেজুয়েলা কোনো দেশের উপনিবেশ নয়।
রদ্রিগেজের এমন বক্তব্যে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মনে করছেন ভেনেজুয়েলার বলিভারিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ক্রিস গিলবার্ট। ভেনেজুয়েলার জনগণ ঐতিহাসিকভাবেই বিদেশি হস্তক্ষেপ প্রত্যাখ্যান করে এসেছে এবং ওয়াশিংটন থেকে হুমকি এলেও তারা সেই অবস্থানেই অটল থাকবে বলে মনে করেন এই বিশ্লেষক।
গিলবার্ট আল জাজিরাকে বলেন, সরকারের কর্তৃত্বকে রদ্রিগেজ জনগণের সঙ্গে সংযোগ ও গণতান্ত্রিক বৈধতার ওপর ভিত্তি করেই উপস্থাপন করেছেন। তাছাড়া ভেনেজুয়েলাতে ৪০ লাখের বেশি মিলিশিয়া বা আধাসামরিক বাহিনী রয়েছে। এই বাহিনীর সমর্থন সরকারের প্রতি থাকবে বলে রদ্রিগেজ ইঙ্গিত করেছেন বলেই মনে হয়।

ডোব্রিন্ট জানান, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে— এমন গুরুতর সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে’ তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জার্মানির বর্তমান ‘উচ্চ ঝুঁকি’র নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে। এতে বিদেশি কোনো শক্তির সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
১০ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেছেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
১ দিন আগে
রাশিয়ার এই ভয়াবহ হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার জোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, "ইউক্রেন যতদিন পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা না পাবে, ততদিন রাশিয়া শান্তির বিষয়টি বিন্দুমাত্র গু
২ দিন আগে