
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক শান্তি চুক্তিকে সামনে রেখে ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। তবে গত এক সপ্তাহে ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর বক্তব্যে ইরান ও ইসরায়েলকে ঘিরে ভিন্ন সুর শোনা গেছে। হোয়াইট হাউজ এই মতপার্থক্যের কথা অস্বীকার করলেও বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, প্রশাসনের অভ্যন্তরে পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ধীরে ধীরে প্রকাশ্যে আসছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, এই পরিস্থিতি শুধু বর্তমান ইরান সংকট নয়, ২০২৮ সালের সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে ঘিরেও রিপাবলিকান পার্টির ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। কারণ, ভ্যান্স ও রুবিও— দুজনকেই ট্রাম্প-পরবর্তী সম্ভাব্য রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইসরায়েল নিয়ে ভিন্ন অবস্থান
গত সপ্তাহে হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জে ডি ভ্যান্স লেবাননের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপ নিয়েই প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, হিজবুল্লাহকে দুর্বল করার লক্ষ্য নিয়ে বৈরুতে বেসামরিক অবকাঠামোয় ইসরায়েলি হামলা যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে চলা শান্তি প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
অন্যদিকে উপসাগরীয় সফরে থাকা মার্কো রুবিও সম্পূর্ণ ভিন্ন অবস্থান নেন। তিনি লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে আত্মরক্ষামূলক ও ন্যায্য বলে বর্ণনা করেন। ভ্যান্সের সমালোচনা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে সরাসরি জবাব না দিয়ে তিনি হিজবুল্লাহর সাম্প্রতিক একটি হামলার প্রসঙ্গ তুলে ধরে ইসরায়েলের পদক্ষেপের পক্ষে যুক্তি দেন।
ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও ভিন্ন বার্তা
গত ১৭ জুন ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে হওয়া প্রাথমিক শান্তি চুক্তির পক্ষে সমর্থন আদায়ে গত সপ্তাহে দুজনকেই পৃথক কূটনৈতিক সফরে পাঠানো হয়।
ভ্যান্স সুইজারল্যান্ডে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। রোববার তিনি আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তিনি একাধিকবার বলেছেন, উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের পুনর্গঠনে অর্থায়ন করতে পারে।
এ ছাড়া তিনি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের নতুন ও আরও সহযোগিতামূলক অধ্যায়ের সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেছেন। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স জানান, কাতারে পেন্টাগনের সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্র একটি ইরানি গোয়েন্দা কর্মকর্তাকে ‘ডিকনফ্লিকশন লিয়াজোঁ’ হিসেবে দায়িত্ব পালনের আমন্ত্রণ জানিয়েছে।
অন্যদিকে রুবিও সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও বাহরাইন সফর করে উপসাগরীয় মিত্রদের আশ্বস্ত করেন। দেশগুলোর বেশিরভাগ নেতৃত্বই অনেকেই মনে করছে, অন্তর্বর্তী ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে তেহরানকে অতিরিক্ত ছাড় দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার রুবিও বলেন, ইরানের পুনর্গঠনে অর্থায়নের জন্য তিনি উপসাগরীয় দেশগুলোর কাছে কোনো অনুরোধ করবেন না। এমন সম্ভাবনা এখনও অনেক দূরের বিষয়। বৃহস্পতিবার আঞ্চলিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের স্বার্থ রক্ষার ক্ষেত্রে যে কোনো চুক্তিকে অবশ্যই ‘অটুট ও নির্ভুল’ হতে হবে।
রুবিওর ভাষায়, ‘আমরা চুক্তি চাই, কিন্তু যে কোনো মূল্যে চুক্তি চাই না।’
মতপার্থক্য অস্বীকার হোয়াইট হাউজের
ভ্যান্স ও রুবিওর মধ্যে মতভেদের বিষয়টি জোরালোভাবে অস্বীকার করেছে হোয়াইট হাউজ। মুখপাত্র আনা কেলি বলেন, ‘এখানে একটাই শিবির— প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শিবির। পুরো প্রশাসন প্রেসিডেন্টের সেই প্রচেষ্টার পক্ষে রয়েছে, যাতে ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে।’
পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগটও দুই কর্মকর্তার মধ্যে পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে বিভেদের খবরকে ‘পুরনো ও ভুয়া বর্ণনা’ বলে উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, ‘পুরো প্রশাসন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পেছনে শতভাগ ঐক্যবদ্ধ।’
লেবানন ইস্যুতেও কোনো মতপার্থক্য নেই বলে দাবি করেছে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়)। কর্মকর্তাদের ভাষ্য, প্রশাসনের মূল লক্ষ্য হলো পুরো লেবাননে দেশটির সরকারের সার্বভৌম কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।
বিশ্লেষকদের ভিন্ন মূল্যায়ন
তবে বিশ্লেষকদের সবাই হোয়াইট হাউজের এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নন। আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ ফেলো মাইকেল রুবিনের মতে, ভ্যান্স ও রুবিও ভিন্ন ধরনের রিপাবলিকান পররাষ্ট্রনীতির প্রতিনিধিত্ব করেন। তিনি বলেন, ‘মূলত তারা দুটি আলাদা ধারার প্রতিনিধিত্ব করছেন।’
ক্ষমতায় আসার আগে ভ্যান্স নিয়মিত বিদেশি যুদ্ধের সমালোচনা করতেন। তার মতে, এসব যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ ও প্রাণ— দুইয়েরই অপচয়। অন্যদিকে সিনেটর থাকাকালে রুবিও ‘কঠোর অবস্থানে’র রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি ইরান, রাশিয়া ও কিউবার বিরুদ্ধে আরও কড়া নীতি গ্রহণের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।
বিশ্লেষকদের মতে, রিপাবলিকান পার্টির ভেতরে এখন দুটি শক্তিশালী ধারা রয়েছে। একদিকে রয়েছে তথাকথিত ‘নিওকনজারভেটিভ’ গোষ্ঠী, যারা বিদেশে সামরিক হস্তক্ষেপের পক্ষে। অন্যদিকে রয়েছে এমন রিপাবলিকান ভোটার ও নীতিনির্ধারকরা, যারা মনে করেন সাম্প্রতিক বহু বিদেশি যুদ্ধ ব্যয়বহুল ও ভুল সিদ্ধান্ত ছিল।
রয়টার্স/ইপসোসের সর্বশেষ জরিপেও সেই বিভাজনের ইঙ্গিত মিলেছে। সোমবার শেষ হওয়া ওই জরিপে মাত্র ৫২ শতাংশ রিপাবলিকান মনে করেন, বর্তমান সংঘাত যুক্তরাষ্ট্রকে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি বদলে দিচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের চালচিত্র— লাভবান ইরান, শঙ্কিত প্রতিদ্বন্দ্বীরাট্রাম্পের নীতিতে প্রকাশ্য সমর্থন
সব মতপার্থক্যের আলোচনা সত্ত্বেও ট্রাম্পের গুরুত্বপূর্ণ সব পররাষ্ট্রনীতিতে প্রকাশ্যে সমর্থন দিয়েছেন ভ্যান্স ও রুবিও। ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক, ফেব্রুয়ারিতে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং পরে শান্তি আলোচনায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত— সব ক্ষেত্রেই তারা ট্রাম্পের অবস্থানকে সমর্থন করেছেন।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে দুজনই একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন যে, ইরানের কথার চেয়ে তাদের কর্মকাণ্ড দিয়েই তেহরানকে মূল্যায়ন করা হবে। বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক জানতে চান, ইরান ইস্যুতে তার অবস্থান ভ্যান্সের থেকে কতটা আলাদা। জবাবে রুবিও বলেন, ‘এখানে সবাই প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে একমত।’

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক শান্তি চুক্তিকে সামনে রেখে ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। তবে গত এক সপ্তাহে ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর বক্তব্যে ইরান ও ইসরায়েলকে ঘিরে ভিন্ন সুর শোনা গেছে। হোয়াইট হাউজ এই মতপার্থক্যের কথা অস্বীকার করলেও বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, প্রশাসনের অভ্যন্তরে পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ধীরে ধীরে প্রকাশ্যে আসছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, এই পরিস্থিতি শুধু বর্তমান ইরান সংকট নয়, ২০২৮ সালের সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে ঘিরেও রিপাবলিকান পার্টির ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। কারণ, ভ্যান্স ও রুবিও— দুজনকেই ট্রাম্প-পরবর্তী সম্ভাব্য রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইসরায়েল নিয়ে ভিন্ন অবস্থান
গত সপ্তাহে হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জে ডি ভ্যান্স লেবাননের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপ নিয়েই প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, হিজবুল্লাহকে দুর্বল করার লক্ষ্য নিয়ে বৈরুতে বেসামরিক অবকাঠামোয় ইসরায়েলি হামলা যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে চলা শান্তি প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
অন্যদিকে উপসাগরীয় সফরে থাকা মার্কো রুবিও সম্পূর্ণ ভিন্ন অবস্থান নেন। তিনি লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে আত্মরক্ষামূলক ও ন্যায্য বলে বর্ণনা করেন। ভ্যান্সের সমালোচনা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে সরাসরি জবাব না দিয়ে তিনি হিজবুল্লাহর সাম্প্রতিক একটি হামলার প্রসঙ্গ তুলে ধরে ইসরায়েলের পদক্ষেপের পক্ষে যুক্তি দেন।
ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও ভিন্ন বার্তা
গত ১৭ জুন ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে হওয়া প্রাথমিক শান্তি চুক্তির পক্ষে সমর্থন আদায়ে গত সপ্তাহে দুজনকেই পৃথক কূটনৈতিক সফরে পাঠানো হয়।
ভ্যান্স সুইজারল্যান্ডে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। রোববার তিনি আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তিনি একাধিকবার বলেছেন, উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের পুনর্গঠনে অর্থায়ন করতে পারে।
এ ছাড়া তিনি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের নতুন ও আরও সহযোগিতামূলক অধ্যায়ের সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেছেন। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স জানান, কাতারে পেন্টাগনের সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্র একটি ইরানি গোয়েন্দা কর্মকর্তাকে ‘ডিকনফ্লিকশন লিয়াজোঁ’ হিসেবে দায়িত্ব পালনের আমন্ত্রণ জানিয়েছে।
অন্যদিকে রুবিও সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও বাহরাইন সফর করে উপসাগরীয় মিত্রদের আশ্বস্ত করেন। দেশগুলোর বেশিরভাগ নেতৃত্বই অনেকেই মনে করছে, অন্তর্বর্তী ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে তেহরানকে অতিরিক্ত ছাড় দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার রুবিও বলেন, ইরানের পুনর্গঠনে অর্থায়নের জন্য তিনি উপসাগরীয় দেশগুলোর কাছে কোনো অনুরোধ করবেন না। এমন সম্ভাবনা এখনও অনেক দূরের বিষয়। বৃহস্পতিবার আঞ্চলিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের স্বার্থ রক্ষার ক্ষেত্রে যে কোনো চুক্তিকে অবশ্যই ‘অটুট ও নির্ভুল’ হতে হবে।
রুবিওর ভাষায়, ‘আমরা চুক্তি চাই, কিন্তু যে কোনো মূল্যে চুক্তি চাই না।’
মতপার্থক্য অস্বীকার হোয়াইট হাউজের
ভ্যান্স ও রুবিওর মধ্যে মতভেদের বিষয়টি জোরালোভাবে অস্বীকার করেছে হোয়াইট হাউজ। মুখপাত্র আনা কেলি বলেন, ‘এখানে একটাই শিবির— প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শিবির। পুরো প্রশাসন প্রেসিডেন্টের সেই প্রচেষ্টার পক্ষে রয়েছে, যাতে ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে।’
পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগটও দুই কর্মকর্তার মধ্যে পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে বিভেদের খবরকে ‘পুরনো ও ভুয়া বর্ণনা’ বলে উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, ‘পুরো প্রশাসন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পেছনে শতভাগ ঐক্যবদ্ধ।’
লেবানন ইস্যুতেও কোনো মতপার্থক্য নেই বলে দাবি করেছে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়)। কর্মকর্তাদের ভাষ্য, প্রশাসনের মূল লক্ষ্য হলো পুরো লেবাননে দেশটির সরকারের সার্বভৌম কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।
বিশ্লেষকদের ভিন্ন মূল্যায়ন
তবে বিশ্লেষকদের সবাই হোয়াইট হাউজের এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নন। আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ ফেলো মাইকেল রুবিনের মতে, ভ্যান্স ও রুবিও ভিন্ন ধরনের রিপাবলিকান পররাষ্ট্রনীতির প্রতিনিধিত্ব করেন। তিনি বলেন, ‘মূলত তারা দুটি আলাদা ধারার প্রতিনিধিত্ব করছেন।’
ক্ষমতায় আসার আগে ভ্যান্স নিয়মিত বিদেশি যুদ্ধের সমালোচনা করতেন। তার মতে, এসব যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ ও প্রাণ— দুইয়েরই অপচয়। অন্যদিকে সিনেটর থাকাকালে রুবিও ‘কঠোর অবস্থানে’র রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি ইরান, রাশিয়া ও কিউবার বিরুদ্ধে আরও কড়া নীতি গ্রহণের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।
বিশ্লেষকদের মতে, রিপাবলিকান পার্টির ভেতরে এখন দুটি শক্তিশালী ধারা রয়েছে। একদিকে রয়েছে তথাকথিত ‘নিওকনজারভেটিভ’ গোষ্ঠী, যারা বিদেশে সামরিক হস্তক্ষেপের পক্ষে। অন্যদিকে রয়েছে এমন রিপাবলিকান ভোটার ও নীতিনির্ধারকরা, যারা মনে করেন সাম্প্রতিক বহু বিদেশি যুদ্ধ ব্যয়বহুল ও ভুল সিদ্ধান্ত ছিল।
রয়টার্স/ইপসোসের সর্বশেষ জরিপেও সেই বিভাজনের ইঙ্গিত মিলেছে। সোমবার শেষ হওয়া ওই জরিপে মাত্র ৫২ শতাংশ রিপাবলিকান মনে করেন, বর্তমান সংঘাত যুক্তরাষ্ট্রকে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি বদলে দিচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের চালচিত্র— লাভবান ইরান, শঙ্কিত প্রতিদ্বন্দ্বীরাট্রাম্পের নীতিতে প্রকাশ্য সমর্থন
সব মতপার্থক্যের আলোচনা সত্ত্বেও ট্রাম্পের গুরুত্বপূর্ণ সব পররাষ্ট্রনীতিতে প্রকাশ্যে সমর্থন দিয়েছেন ভ্যান্স ও রুবিও। ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক, ফেব্রুয়ারিতে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং পরে শান্তি আলোচনায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত— সব ক্ষেত্রেই তারা ট্রাম্পের অবস্থানকে সমর্থন করেছেন।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে দুজনই একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন যে, ইরানের কথার চেয়ে তাদের কর্মকাণ্ড দিয়েই তেহরানকে মূল্যায়ন করা হবে। বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক জানতে চান, ইরান ইস্যুতে তার অবস্থান ভ্যান্সের থেকে কতটা আলাদা। জবাবে রুবিও বলেন, ‘এখানে সবাই প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে একমত।’

ডোব্রিন্ট জানান, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে— এমন গুরুতর সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে’ তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জার্মানির বর্তমান ‘উচ্চ ঝুঁকি’র নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে। এতে বিদেশি কোনো শক্তির সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
৮ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেছেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
২০ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার এই ভয়াবহ হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার জোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, "ইউক্রেন যতদিন পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা না পাবে, ততদিন রাশিয়া শান্তির বিষয়টি বিন্দুমাত্র গু
২ দিন আগে