
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম (ডব্লিইএফ) সম্মেলনে সনদে সইয়ের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদ।
এ সময় ট্রাম্প জানিয়েছেন, কারা কারা থাকছে তার এই শান্তি উদ্যোগে। আরও জানিয়েছেন, ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা ঘিরে এই বোর্ডের কার্যক্রম শুরু হলেও ভবিষ্যতে তা আরও ব্যাপক আকারে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে।
বিবিসি ও বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদ সনদে সইয়ের মূল পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় ট্রাম্পের পাশে ছিলেন হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান ও আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই, যারা ট্রাম্পের কট্টর মিত্র হিসেবে পরিচিত। শান্তি পরিষদের সনদে সইয়ের পর কর্মরদন করেন তারা, ক্যামেরার সামনে হাসিমুখে পোজ দেন। সনদ সইয়ের পরপরই ডব্লিইএফ একে একটি পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে ঘোষণা করেছে।
গত কয়েক দিন ধরেই বিশ্বব্যাপী আলোচনায় থাকা ট্রাম্পের এই শান্তি পরিষদ জাতিসংঘকে পাশ কাটিয়ে নতুন কোনো সমান্তরাল বিশ্বব্যবস্থা তৈরি করবে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
আলোচিত এই শান্তি পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে থাকছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই। তিনি গাজা যুদ্ধ বিরতির বাইরেও বৈশ্বিক বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই বোর্ডকে ব্যবহার করার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন।
ট্রাম্প বলেন, একবার এই বোর্ড পূর্ণাঙ্গভাবে গঠিত হয়ে গেলে আমরা যা চাই তাই করতে পারব। তবে আমরা জাতিসংঘের সঙ্গেই কাজ করব। জাতিসংঘেরও অনেক সম্ভাবনা রয়েছে, যা এখনো পুরোপুরি কাজে লাগানো হয়নি।
সনদে সই করার পর ট্রাম্প হাস্যোজ্জ্বল মুখে সেটি ক্যামেরার সামনে তুলে ধরেন। এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হলো দাবি করে তিনি বলেন, ‘আমরা যা করছি, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি সত্যিই এখানে এসে এটি করতে চেয়েছিলাম এবং এর জন্য দাভোসের চেয়ে ভালো জায়গা আর হতে পারে না।’
এ সময় ট্রাম্প আবারও আটটি যুদ্ধ অবসান ঘটানোর কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন। বলেছেন, শিগগিরই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধেরও অবসান হতে যাচ্ছে।
ট্রাম্পের এই বোর্ডে যোগ দিতে বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, বোর্ডের স্থায়ী সদস্যদের প্রত্যেককে এক বিলিয়ন বা এক শ কোটি ডলার করে তহবিল দিতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের এ আহ্বানে অধিকাংশ প্রধান বিশ্ব শক্তি ও ঐতিহ্যগত মিত্ররা এখন পর্যন্ত কোনো সাড়া দেয়নি বা খুব সতর্ক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে কয়েকটি দেশের প্রতিনিধি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তবে বিশ্বের প্রধান প্রধান ক্ষমতাধর রাষ্ট্র কিংবা ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কোনো প্রতিনিধি সেখানে উপস্থিত ছিলেন না।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর, তুরস্ক, বেলারুশ ও হাঙ্গেরিসহ প্রায় ৩৫টি দেশ এই বোর্ডে যোগ দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে। এ ছাড়া ইসরায়েল ও হাঙ্গেরি এই উদ্যোগে যুক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছে।
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের মধ্যে ফ্রান্স ও ব্রিটেন সরাসরি অস্বীকৃতি জানিয়েছে এই বোর্ডে যোগ দিতে। রাশিয়া জানিয়েছে, তারা প্রস্তাবটি খতিয়ে দেখছে। চীনও এখন পর্যন্ত নীরব ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।
ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এক প্রস্তাবের মাধ্যমে এই বোর্ডের প্রতি সমর্থন জানানো হয়েছিল। জাতিসংঘের মুখপাত্র রোলান্দো গোমেজ বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, জাতিসংঘ কেবল গাজা শান্তি আলোচনার প্রেক্ষাপটেই এই বোর্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। এর বাইরে বোর্ডের অন্য কোনো কার্যক্রমে জাতিসংঘের সম্পৃক্ততার বিষয়ে তিনি কিছু জানাননি।
সমালোচকরা বলছেন, ট্রাম্পের এই উদ্যোগ বিশ্ব কূটনীতি ও দ্বন্দ্ব নিরসনের প্রধান প্ল্যাটফর্ম হিসেবে জাতিসংঘের গুরুত্ব কমিয়ে দিতে পারে। তবে ট্রাম্পের দাবি, তার এই বোর্ডের সদস্যদের সঙ্গে জাতিসংঘের সমন্বয় বিশ্বের জন্য অনন্য কিছু বয়ে আনবে।

সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম (ডব্লিইএফ) সম্মেলনে সনদে সইয়ের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদ।
এ সময় ট্রাম্প জানিয়েছেন, কারা কারা থাকছে তার এই শান্তি উদ্যোগে। আরও জানিয়েছেন, ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা ঘিরে এই বোর্ডের কার্যক্রম শুরু হলেও ভবিষ্যতে তা আরও ব্যাপক আকারে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে।
বিবিসি ও বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদ সনদে সইয়ের মূল পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় ট্রাম্পের পাশে ছিলেন হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান ও আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই, যারা ট্রাম্পের কট্টর মিত্র হিসেবে পরিচিত। শান্তি পরিষদের সনদে সইয়ের পর কর্মরদন করেন তারা, ক্যামেরার সামনে হাসিমুখে পোজ দেন। সনদ সইয়ের পরপরই ডব্লিইএফ একে একটি পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে ঘোষণা করেছে।
গত কয়েক দিন ধরেই বিশ্বব্যাপী আলোচনায় থাকা ট্রাম্পের এই শান্তি পরিষদ জাতিসংঘকে পাশ কাটিয়ে নতুন কোনো সমান্তরাল বিশ্বব্যবস্থা তৈরি করবে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
আলোচিত এই শান্তি পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে থাকছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই। তিনি গাজা যুদ্ধ বিরতির বাইরেও বৈশ্বিক বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই বোর্ডকে ব্যবহার করার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন।
ট্রাম্প বলেন, একবার এই বোর্ড পূর্ণাঙ্গভাবে গঠিত হয়ে গেলে আমরা যা চাই তাই করতে পারব। তবে আমরা জাতিসংঘের সঙ্গেই কাজ করব। জাতিসংঘেরও অনেক সম্ভাবনা রয়েছে, যা এখনো পুরোপুরি কাজে লাগানো হয়নি।
সনদে সই করার পর ট্রাম্প হাস্যোজ্জ্বল মুখে সেটি ক্যামেরার সামনে তুলে ধরেন। এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হলো দাবি করে তিনি বলেন, ‘আমরা যা করছি, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি সত্যিই এখানে এসে এটি করতে চেয়েছিলাম এবং এর জন্য দাভোসের চেয়ে ভালো জায়গা আর হতে পারে না।’
এ সময় ট্রাম্প আবারও আটটি যুদ্ধ অবসান ঘটানোর কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন। বলেছেন, শিগগিরই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধেরও অবসান হতে যাচ্ছে।
ট্রাম্পের এই বোর্ডে যোগ দিতে বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, বোর্ডের স্থায়ী সদস্যদের প্রত্যেককে এক বিলিয়ন বা এক শ কোটি ডলার করে তহবিল দিতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের এ আহ্বানে অধিকাংশ প্রধান বিশ্ব শক্তি ও ঐতিহ্যগত মিত্ররা এখন পর্যন্ত কোনো সাড়া দেয়নি বা খুব সতর্ক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে কয়েকটি দেশের প্রতিনিধি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তবে বিশ্বের প্রধান প্রধান ক্ষমতাধর রাষ্ট্র কিংবা ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কোনো প্রতিনিধি সেখানে উপস্থিত ছিলেন না।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর, তুরস্ক, বেলারুশ ও হাঙ্গেরিসহ প্রায় ৩৫টি দেশ এই বোর্ডে যোগ দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে। এ ছাড়া ইসরায়েল ও হাঙ্গেরি এই উদ্যোগে যুক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছে।
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের মধ্যে ফ্রান্স ও ব্রিটেন সরাসরি অস্বীকৃতি জানিয়েছে এই বোর্ডে যোগ দিতে। রাশিয়া জানিয়েছে, তারা প্রস্তাবটি খতিয়ে দেখছে। চীনও এখন পর্যন্ত নীরব ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।
ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এক প্রস্তাবের মাধ্যমে এই বোর্ডের প্রতি সমর্থন জানানো হয়েছিল। জাতিসংঘের মুখপাত্র রোলান্দো গোমেজ বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, জাতিসংঘ কেবল গাজা শান্তি আলোচনার প্রেক্ষাপটেই এই বোর্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। এর বাইরে বোর্ডের অন্য কোনো কার্যক্রমে জাতিসংঘের সম্পৃক্ততার বিষয়ে তিনি কিছু জানাননি।
সমালোচকরা বলছেন, ট্রাম্পের এই উদ্যোগ বিশ্ব কূটনীতি ও দ্বন্দ্ব নিরসনের প্রধান প্ল্যাটফর্ম হিসেবে জাতিসংঘের গুরুত্ব কমিয়ে দিতে পারে। তবে ট্রাম্পের দাবি, তার এই বোর্ডের সদস্যদের সঙ্গে জাতিসংঘের সমন্বয় বিশ্বের জন্য অনন্য কিছু বয়ে আনবে।

যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।
৭ ঘণ্টা আগে
৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
৮ ঘণ্টা আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
১০ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের হাই-প্রোফাইল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। কিন্তু ট্রাম্প দৃশ্যত রুবিওর পরিবর্তে ভ্যান্সকেই সামনে নিয়ে এসেছেন। ফলে প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে