
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। এর মধ্য দিয়ে তার প্রায় ৩৭ বছরের শাসনের অবসান ঘটেছে। ইরানে এমন হামলা ও তার প্রাণহানিতে বিভিন্ন দেশের পক্ষ থেকে এসেছে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া।
আলি খামেনির মৃত্যু ঘিরে বিভিন্ন দেশের দেওয়া বিবৃতি থেকে এটি স্পষ্ট, মার্কিন বলয়ের দেশগুলো এ হত্যাকাণ্ডকে খুব অস্বাভাবিক হিসেবে দেখছে না। অন্যদিকে সরাসরি মার্কিন বলয়ে না থাকা দেশগুলোই কেবল এ হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাস জানিয়েছে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি হত্যাকাণ্ডে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। খামেনির মৃত্যুকে ‘মানবিক নৈতিকতা ও আন্তর্জাতিক আইনের সব নিয়ম লঙ্ঘনকারী নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে অভিহিত করেন পুতিন।
আলি খামেনিকে হত্যার ‘তীব্র নিন্দা’ জানিয়ে চীন সব পক্ষকে সংযত হয়ে অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে। রোববার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে ‘ইরানের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার গুরুতর লঙ্ঘন এবং জাতিসংঘ সনদের নীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মৌলিক নিয়মের পরিপন্থি’ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
বিপরীতে আলি খামেনি হত্যার ঘটনায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে ফ্রান্স। দেশটির সরকারের একজন মুখপাত্র মুদ বোজো ফ্রান্সের আরটিএল টেলিভিশন নেটওয়ার্ককে বলেন, ‘খামেনি ছিলেন একজন নিপীড়ক ও দমনমূলক একনায়ক, যিনি তার নিজ দেশের জনগণকে দমন করেছিলেন। নারী, যুব ও সংখ্যালঘুদের অধিকার লঙ্ঘন করেছিলেন এবং সম্প্রতি দেশটিতে হাজার হাজার বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যুর জন্য দায়ী। তাই তার মৃত্যুতে আমরা শুধু উৎফুল্ল হতে পারি।’
কিছুটা ভিন্ন প্রতিক্রিয়া এসেছে মার্কিন সমর্থন হিসেবে পরিচিত পাকিস্তানের পক্ষ থেকে। দেশটি আলি খামেনিকে হত্যার ঘটনাকে ‘আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন’ বলে অভিহিত করেছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এক বার্তায় বলেন, ‘খামেনির শাহাদাতে শোক ও দুঃখের এ মুহূর্তে পাকিস্তানের জনগণ ইরানের জনগণের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছে এবং গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে। আন্তর্জাতিক আইনের নীতি লঙ্ঘনের ঘটনায় পাকিস্তান উদ্বেগ প্রকাশ করছে।’
সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোও পূর্বধারণা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিয়েছে। পৃথক পৃথক বিবৃতিতে এসব দেশ ইরানের পালটা হামলাকে আগ্রাসনের সঙ্গে তুলনা করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি হিসেবেও দেখছে। ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা নিয়ে তারা কিছু বলেনি।
এদিকে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাব দেওয়ার কথা জানিয়েছে ইরান সমর্থিত লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হেজবুল্লাহ। আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলাকে ‘অপরাধের সর্বোচ্চ পর্যায়’ হিসেবে অভিহিত করেছেন সংগঠনটির মহাসচিব নাইম কাসেম। বলেছেন, বিধাতার নির্দেশনা ও সমর্থনের ওপর আস্থা রেখে আমরা এই আগ্রাসন মোকাবিলায় আমাদের কর্তব্য পালন করব।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। এর মধ্য দিয়ে তার প্রায় ৩৭ বছরের শাসনের অবসান ঘটেছে। ইরানে এমন হামলা ও তার প্রাণহানিতে বিভিন্ন দেশের পক্ষ থেকে এসেছে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া।
আলি খামেনির মৃত্যু ঘিরে বিভিন্ন দেশের দেওয়া বিবৃতি থেকে এটি স্পষ্ট, মার্কিন বলয়ের দেশগুলো এ হত্যাকাণ্ডকে খুব অস্বাভাবিক হিসেবে দেখছে না। অন্যদিকে সরাসরি মার্কিন বলয়ে না থাকা দেশগুলোই কেবল এ হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাস জানিয়েছে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি হত্যাকাণ্ডে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। খামেনির মৃত্যুকে ‘মানবিক নৈতিকতা ও আন্তর্জাতিক আইনের সব নিয়ম লঙ্ঘনকারী নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে অভিহিত করেন পুতিন।
আলি খামেনিকে হত্যার ‘তীব্র নিন্দা’ জানিয়ে চীন সব পক্ষকে সংযত হয়ে অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে। রোববার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে ‘ইরানের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার গুরুতর লঙ্ঘন এবং জাতিসংঘ সনদের নীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মৌলিক নিয়মের পরিপন্থি’ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
বিপরীতে আলি খামেনি হত্যার ঘটনায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে ফ্রান্স। দেশটির সরকারের একজন মুখপাত্র মুদ বোজো ফ্রান্সের আরটিএল টেলিভিশন নেটওয়ার্ককে বলেন, ‘খামেনি ছিলেন একজন নিপীড়ক ও দমনমূলক একনায়ক, যিনি তার নিজ দেশের জনগণকে দমন করেছিলেন। নারী, যুব ও সংখ্যালঘুদের অধিকার লঙ্ঘন করেছিলেন এবং সম্প্রতি দেশটিতে হাজার হাজার বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যুর জন্য দায়ী। তাই তার মৃত্যুতে আমরা শুধু উৎফুল্ল হতে পারি।’
কিছুটা ভিন্ন প্রতিক্রিয়া এসেছে মার্কিন সমর্থন হিসেবে পরিচিত পাকিস্তানের পক্ষ থেকে। দেশটি আলি খামেনিকে হত্যার ঘটনাকে ‘আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন’ বলে অভিহিত করেছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এক বার্তায় বলেন, ‘খামেনির শাহাদাতে শোক ও দুঃখের এ মুহূর্তে পাকিস্তানের জনগণ ইরানের জনগণের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছে এবং গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে। আন্তর্জাতিক আইনের নীতি লঙ্ঘনের ঘটনায় পাকিস্তান উদ্বেগ প্রকাশ করছে।’
সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোও পূর্বধারণা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিয়েছে। পৃথক পৃথক বিবৃতিতে এসব দেশ ইরানের পালটা হামলাকে আগ্রাসনের সঙ্গে তুলনা করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি হিসেবেও দেখছে। ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা নিয়ে তারা কিছু বলেনি।
এদিকে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাব দেওয়ার কথা জানিয়েছে ইরান সমর্থিত লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হেজবুল্লাহ। আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলাকে ‘অপরাধের সর্বোচ্চ পর্যায়’ হিসেবে অভিহিত করেছেন সংগঠনটির মহাসচিব নাইম কাসেম। বলেছেন, বিধাতার নির্দেশনা ও সমর্থনের ওপর আস্থা রেখে আমরা এই আগ্রাসন মোকাবিলায় আমাদের কর্তব্য পালন করব।

ডোব্রিন্ট জানান, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে— এমন গুরুতর সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে’ তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জার্মানির বর্তমান ‘উচ্চ ঝুঁকি’র নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে। এতে বিদেশি কোনো শক্তির সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
৭ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেছেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
১৯ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার এই ভয়াবহ হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার জোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, "ইউক্রেন যতদিন পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা না পাবে, ততদিন রাশিয়া শান্তির বিষয়টি বিন্দুমাত্র গু
২ দিন আগে