
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে প্রশাসন। এবার প্রথমবারের মতো দেশটির মুদ্রা ডলারে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষর যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা ভেঙে দিতে যাচ্ছে প্রায় ১৬৫ বছরের পুরনো ঐতিহ্য।
১৮৬১ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংক নোটে ট্রেজারারের স্বাক্ষর রাখার যে প্রথা চালু হয়েছিল, ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তে তারও পরিবর্তন ঘটতে যাচ্ছে।
এতদিন মার্কিন ডলারে সাবেক প্রেসিডেন্টদের প্রতিকৃতি থাকলেও কোনো জীবিত বা মৃত প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর ছিল না, থাকত শুধু অর্থমন্ত্রী ও ট্রেজারারের স্বাক্ষর। তবে এবার সেই রীতির পরিবর্তন আনছে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়।
চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্র তাদের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উদ্যাপন করতে যাচ্ছে। ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই ১৩টি উপনিবেশ ব্রিটেন থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়, যেগুলো পরবর্তীতে অঙ্গরাজ্যে পরিণত হয়।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের দেওয়া এক বিবৃতির বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা ঘোষণার আড়াইশ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ট্রাম্প ও তার অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের স্বাক্ষর সম্বলিত ডলারের নোট বাজারে ছাড়ার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সর্বশেষ ছাপা ডলারের নোটগুলোতে সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের অর্থমন্ত্রী জ্যানেট ইয়েলেন ও ট্রেজারার লিন মালেরবার স্বাক্ষর রয়েছে।
আগামী জুন মাসে প্রথম ধাপে ১০০ ডলারের নোটে ট্রাম্পের স্বাক্ষর সংযোজন করা হবে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য মূল্যমানের নোটেও এটি যুক্ত করা হবে।
মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে অর্থমন্ত্রী বেসেন্ট বলেছেন, ‘আমাদের মহান দেশ ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে ট্রাম্পের ঐতিহাসিক অর্জনকে স্বীকৃতি দিতে ডলারের নোটে তার স্বাক্ষরের চেয়ে শক্তিশালী প্রতীক আর কিছু হতে পারে না।’
তবে নতুন এ সিদ্ধান্ত ঘিরে বিতর্কও তৈরি হয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম ব্যাংক নোটে প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর রাখার সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি কটাক্ষ করে বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, জ্বালানি, বাড়িভাড়া ও স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় বৃদ্ধির জন্য কাকে দায় দিতে হবে— এখন মার্কিনিরা তা সহজেই বুঝতে পারবে।’
সমালোচকদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান আইনে জীবিত প্রেসিডেন্টদের ছবি বা প্রতিকৃতি মুদ্রায় ব্যবহার নিষিদ্ধ হলেও স্বাক্ষর বিষয়ে কোনো স্পষ্ট বিধান নেই। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়েই ট্রাম্প প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা অনেকের মতে রাজতান্ত্রিক বা স্বৈরশাসনের ধাঁচের পদক্ষেপ।
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথম মেয়াদে ক্ষমতায় এসে কোভিড-১৯ মহামারির সময় দেওয়া প্রণোদনা চেকেও তার নাম সংযোজন করেছিলেন। এরপর দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম সোয়া এক বছরের মধ্যেই জন এফ কেনেডি সেন্টার ফর দ্য পারফর্মিং আর্টস, ইউএস ইনস্টিটিউট অব পিস এমনকী যুদ্ধজাহাজের আসন্ন এক শ্রেণির নামেও স্থান করে নিয়েছেন ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে প্রশাসন। এবার প্রথমবারের মতো দেশটির মুদ্রা ডলারে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষর যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা ভেঙে দিতে যাচ্ছে প্রায় ১৬৫ বছরের পুরনো ঐতিহ্য।
১৮৬১ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংক নোটে ট্রেজারারের স্বাক্ষর রাখার যে প্রথা চালু হয়েছিল, ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তে তারও পরিবর্তন ঘটতে যাচ্ছে।
এতদিন মার্কিন ডলারে সাবেক প্রেসিডেন্টদের প্রতিকৃতি থাকলেও কোনো জীবিত বা মৃত প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর ছিল না, থাকত শুধু অর্থমন্ত্রী ও ট্রেজারারের স্বাক্ষর। তবে এবার সেই রীতির পরিবর্তন আনছে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়।
চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্র তাদের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উদ্যাপন করতে যাচ্ছে। ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই ১৩টি উপনিবেশ ব্রিটেন থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়, যেগুলো পরবর্তীতে অঙ্গরাজ্যে পরিণত হয়।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের দেওয়া এক বিবৃতির বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা ঘোষণার আড়াইশ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ট্রাম্প ও তার অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের স্বাক্ষর সম্বলিত ডলারের নোট বাজারে ছাড়ার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সর্বশেষ ছাপা ডলারের নোটগুলোতে সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের অর্থমন্ত্রী জ্যানেট ইয়েলেন ও ট্রেজারার লিন মালেরবার স্বাক্ষর রয়েছে।
আগামী জুন মাসে প্রথম ধাপে ১০০ ডলারের নোটে ট্রাম্পের স্বাক্ষর সংযোজন করা হবে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য মূল্যমানের নোটেও এটি যুক্ত করা হবে।
মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে অর্থমন্ত্রী বেসেন্ট বলেছেন, ‘আমাদের মহান দেশ ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে ট্রাম্পের ঐতিহাসিক অর্জনকে স্বীকৃতি দিতে ডলারের নোটে তার স্বাক্ষরের চেয়ে শক্তিশালী প্রতীক আর কিছু হতে পারে না।’
তবে নতুন এ সিদ্ধান্ত ঘিরে বিতর্কও তৈরি হয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম ব্যাংক নোটে প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর রাখার সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি কটাক্ষ করে বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, জ্বালানি, বাড়িভাড়া ও স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় বৃদ্ধির জন্য কাকে দায় দিতে হবে— এখন মার্কিনিরা তা সহজেই বুঝতে পারবে।’
সমালোচকদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান আইনে জীবিত প্রেসিডেন্টদের ছবি বা প্রতিকৃতি মুদ্রায় ব্যবহার নিষিদ্ধ হলেও স্বাক্ষর বিষয়ে কোনো স্পষ্ট বিধান নেই। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়েই ট্রাম্প প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা অনেকের মতে রাজতান্ত্রিক বা স্বৈরশাসনের ধাঁচের পদক্ষেপ।
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথম মেয়াদে ক্ষমতায় এসে কোভিড-১৯ মহামারির সময় দেওয়া প্রণোদনা চেকেও তার নাম সংযোজন করেছিলেন। এরপর দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম সোয়া এক বছরের মধ্যেই জন এফ কেনেডি সেন্টার ফর দ্য পারফর্মিং আর্টস, ইউএস ইনস্টিটিউট অব পিস এমনকী যুদ্ধজাহাজের আসন্ন এক শ্রেণির নামেও স্থান করে নিয়েছেন ট্রাম্প।

৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
৪ ঘণ্টা আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
৭ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের হাই-প্রোফাইল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। কিন্তু ট্রাম্প দৃশ্যত রুবিওর পরিবর্তে ভ্যান্সকেই সামনে নিয়ে এসেছেন। ফলে প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
লেবাননে নতুন করে ইসরায়েলি হামলা শুরু হওয়ায় ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাক্ষরিত অন্তর্বর্তীকালীন সমঝোতা চুক্তিটিকে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে রূপান্তরের সম্ভাবনা চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছিল। এরপরই এই যুদ্ধবিরতির খবর এলো।
২১ ঘণ্টা আগে