
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরান একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলা চালিয়ে সেটিকে হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ থেকে বাধা দিয়ে পিছু হটতে বাধ্য করেছে বলে দাবি করছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এ দাবি নাকচ করেছে। সোমবার এ ঘটনার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ৩ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, সোমবার জিএমটি সময় ১১টা ২৪ পর্যন্ত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩ দশমিক ৬৪ ডলার বা ৩ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ১১১ দশমিক ৮১ ডলারে। এর আগে শুক্রবার এই সূচক ২ দশমিক ২৩ ডলার কমে শেষ হয়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৩ দশমিক ৪০ ডলার বা ৩ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৫ দশমিক ৩৪ ডলারে দাঁড়ায়, যা শুক্রবার ৩ দশমিক ১৩ ডলার কমেছিল।
সোমবার ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ এজেন্সি স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা করা একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলা চালানো হয়েছে এবং সেটিকে পিছু হটতে বাধ্য করা হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড এ দাবি অস্বীকার করে জানিয়েছে, সোমবার কোনো মার্কিন নৌযানে হামলার ঘটনা ঘটেনি।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ দিয়ে তেল সরবরাহে বিঘ্ন অব্যাহত থাকায় আগেই বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছিল। ইউবিএসের বিশ্লেষক জিওভান্নি স্টাউনোভো বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন সীমিত থাকলে দামের ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকার সম্ভাবনাই বেশি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া জাহাজগুলোকে সহায়তা করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে এখনো কোনো শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা না থাকায় এবং কৌশলগত এ নৌপথে চলাচল সীমিত থাকায় তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে রয়েছে।
এদিকে ইরানের সামরিক বাহিনী সোমবার যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে জানিয়েছে, তারা যেন হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ না করে; অন্যথায় যেকোনো হুমকির জবাবে ‘কঠোর প্রতিক্রিয়া’ জানানো হবে।
ট্রাম্প প্রশাসন তেহরানের সঙ্গে একটি পারমাণবিক চুক্তি নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দিলেও ইরান জানিয়েছে, তারা যুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত পারমাণবিক আলোচনা স্থগিত রাখতে চায়। প্রথমে উপসাগরীয় অঞ্চলে জাহাজ চলাচলের ওপর আরোপিত অবরোধ তুলে নেওয়ার দাবি জানিয়েছে দেশটি।
তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর জোট ওপেক প্লাস জানিয়েছে, জুন মাসে সাতটি সদস্য দেশের জন্য প্রতিদিন ১ লাখ ৮৮ হাজার ব্যারেল উৎপাদন বাড়ানো হবে, যা টানা তৃতীয় মাসের মতো উৎপাদন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত। তবে ইরান সংঘাত অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল সরবরাহ বিঘ্নিত থাকায় অতিরিক্ত উৎপাদনের প্রভাব বাস্তবে সীমিতই থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইরান একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলা চালিয়ে সেটিকে হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ থেকে বাধা দিয়ে পিছু হটতে বাধ্য করেছে বলে দাবি করছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এ দাবি নাকচ করেছে। সোমবার এ ঘটনার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ৩ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, সোমবার জিএমটি সময় ১১টা ২৪ পর্যন্ত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩ দশমিক ৬৪ ডলার বা ৩ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ১১১ দশমিক ৮১ ডলারে। এর আগে শুক্রবার এই সূচক ২ দশমিক ২৩ ডলার কমে শেষ হয়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৩ দশমিক ৪০ ডলার বা ৩ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৫ দশমিক ৩৪ ডলারে দাঁড়ায়, যা শুক্রবার ৩ দশমিক ১৩ ডলার কমেছিল।
সোমবার ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ এজেন্সি স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা করা একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলা চালানো হয়েছে এবং সেটিকে পিছু হটতে বাধ্য করা হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড এ দাবি অস্বীকার করে জানিয়েছে, সোমবার কোনো মার্কিন নৌযানে হামলার ঘটনা ঘটেনি।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ দিয়ে তেল সরবরাহে বিঘ্ন অব্যাহত থাকায় আগেই বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছিল। ইউবিএসের বিশ্লেষক জিওভান্নি স্টাউনোভো বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন সীমিত থাকলে দামের ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকার সম্ভাবনাই বেশি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া জাহাজগুলোকে সহায়তা করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে এখনো কোনো শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা না থাকায় এবং কৌশলগত এ নৌপথে চলাচল সীমিত থাকায় তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে রয়েছে।
এদিকে ইরানের সামরিক বাহিনী সোমবার যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে জানিয়েছে, তারা যেন হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ না করে; অন্যথায় যেকোনো হুমকির জবাবে ‘কঠোর প্রতিক্রিয়া’ জানানো হবে।
ট্রাম্প প্রশাসন তেহরানের সঙ্গে একটি পারমাণবিক চুক্তি নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দিলেও ইরান জানিয়েছে, তারা যুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত পারমাণবিক আলোচনা স্থগিত রাখতে চায়। প্রথমে উপসাগরীয় অঞ্চলে জাহাজ চলাচলের ওপর আরোপিত অবরোধ তুলে নেওয়ার দাবি জানিয়েছে দেশটি।
তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর জোট ওপেক প্লাস জানিয়েছে, জুন মাসে সাতটি সদস্য দেশের জন্য প্রতিদিন ১ লাখ ৮৮ হাজার ব্যারেল উৎপাদন বাড়ানো হবে, যা টানা তৃতীয় মাসের মতো উৎপাদন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত। তবে ইরান সংঘাত অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল সরবরাহ বিঘ্নিত থাকায় অতিরিক্ত উৎপাদনের প্রভাব বাস্তবে সীমিতই থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে ‘তিন দেশের সবার ওপর হামলা’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তিন দেশের প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ‘যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা’ এবং ‘তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সব দিক আরও
১৫ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে সমঝোতাকে যুদ্ধ বন্ধে বৃহত্তর একটি চুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়। এর পর বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানি পথ হরমুজ প্রণালিতে ইরান কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
১৭ ঘণ্টা আগে
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বাহাদুরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই অবরোধ চলে।
২১ ঘণ্টা আগে
থাই প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি এমন আইন প্রণয়নের পরিকল্পনা করছেন, যাতে জনসমক্ষে আগ্নেয়াস্ত্র বহনের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। নতুন আইনে শুধু দায়িত্ব পালনরত সরকারি কর্মকর্তাদের আগ্নেয়াস্ত্র বহনের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
১ দিন আগে