
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে সবার দৃষ্টি ছিল ভবানীপুরে। সেখানে মুখোমুখি হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর বিরোধী দলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী। ১৫ রাউন্ড পর্যন্ত ভোট গণনায় এগিয়ে ছিলেন মমতাই। ষষ্ঠদশ রাউন্ডে ঘুরে দাঁড়ান শুভেন্দু। বাকি রাউন্ডগুলোতে ব্যবধান বাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত ১৫ হাজারের বেশি ভোটে জয় নিশ্চিত করেছেন তিনি।
ভবানীপুরের এ আসনের ফলাফল গোটা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনেরই প্রতীকী চিত্র হয়ে রইল। মমতা যেমন হেরে গেলেন শুভেন্দুর কাছে, তেমনি গোটা রাজ্যেই গেরুয়া ঝড়ে পদ্মফুলের উত্থানে উড়ে গেছে জোড়া ফুলের প্রতিরোধ।
এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের টানা তিন মেয়াদের ১৫ বছরের শাসনেরও অবসান ঘটল। ২০১১ সালে বামপন্থি সরকার পতনের পর এবার মমতার দুর্গের পতন ঘটিয়ে পুরোপুরি ডান দিকে হেলে পড়ল পশ্চিমবঙ্গের নীলবাড়ি।
গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় পশ্চিমবঙ্গের এ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হয়। ২৯৪ আসনে ভোট হলেও একটি আসনে ভোট স্থগিত হয়ে যাওয়ায় সোমবার (৪ মে) সকালে শুরু হয় ২৯৩ আসনের ভোট গণনা। সে হিসাবে রাজ্য সরকার গঠনে কোনো দলের জন্য প্রয়োজনীয় ম্যাজিক ফিগার ছিল ১৪৭।
বাংলাদেশ সময় সোমবার রাত ১০টার পরপরই নিশ্চিত হয়ে যায়, সেই ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেছে বিজেপি। সবশেষ রাত ১১টার খবর বলছে, ভারতের নির্বাচন কমিশন এ নির্বাচনে ১৯৯টি আসনে বিজেপি প্রার্থীদের জয়ী ঘোষণা করেছে। বিপরীতে মমতার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন ৬৯ আসনে।
এ ছাড়া কংগ্রেস ও আম জনতা উন্নয়ন পার্টি (এজেইউপি) জয় পেয়েছে দুটি করে আসনে। একটি আসনে জয় পেয়েছে সিপিআই (এম)। অল ইন্ডিয়া সেক্যুলার ফ্রন্টও বিজয়ী হয়েছে একটি আসনে। এর বাইরে যেসব আসনে ফল গণনা এখনো চলছে তার মধ্যেও সাতটি আসনে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থীরা, ১২টি আসনে তৃণমূল কংগ্রেস।
এ জয়ে স্বাভাবিকভাবেই ব্যাপক উচ্ছ্বসিত বিজেপি শিবির। ১৪৭ আসনের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করার আগে দুপুরের পর থেকেই দুই শতাধিক আসনে দলটির এগিয়ে থাকার তথ্য মিলছিল। সন্ধ্যা নাগাদই ভারতের প্রধানমন্ত্রী বিজেপি নেতা নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোাগযোগমাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে দলের বিজয় ঘোষণা করেন।

‘পশ্চিমবঙ্গে পদ্ম ফুটছে’ লিখে এ বিজয়কে ‘অবিস্মরণীয় জয়’ হিসেবে আখ্যা দেন নরেন্দ্র মোদি। পরে ধুতি-পাঞ্জাবিতে নয়াদিল্লিতে বিজেপি সদর দপ্তরে হাজির হন তিনি। সেখান থেকে ঘোষণা দেন, ২৫ বৈশাখ রবীন্দ্রজয়ন্তীতে হবে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকারের শপথ।
মোদি তার বক্তব্যে পশ্চিমবঙ্গবাসীকে আকুণ্ঠ সমর্থনের জন্য প্রণামও জানিয়েছেন। আশ্বাস দিয়েছেন, কোনো ধরনের প্রতিশোধ নয়, বরং সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দিনবদলের জন্য বিজেপি সরকার পশ্চিমবঙ্গে কাজ করবে।
এদিকে বিজেপির বিরুদ্ধে ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ তুলেছেন তিন মেয়াদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘বিজেপি ১০০টিরও বেশি আসন চুরি করেছে। বিজেপি জালিয়াতি করেছে। নির্বাচন কমিশন এখন বিজেপি কমিশনে পরিণত হয়েছে। আমরা বারবার এ নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছি। কিন্তু কেউ শোনেনি।’
তৃণমূল কংগ্রেসকে ১৫ বছর পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় ধরে রাখা মমতা আরও বলেন, ‘বিজেপির এই জয় অনৈতিক। প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর যোগসাজশে নির্বাচন কমিশন যা করেছে, তা পুরোপুরি অনৈতিক। তারা জোর করে এসআইআর পরিচালনা করেছে। তারা অত্যাচার চালিয়েছে। তারা কাউন্টিং এজেন্টদের গ্রেপ্তার করেছে। আমরা লড়াই চালিয়ে যাব।’
তবে মমতা যাই বলুন না কেন, বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামতেই গোটা পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি শিবিরে ছড়িয়ে পড়েছে উল্লাস। এর মধ্যে অবশ্য ভোট গণনা ঘিরে বিভিন্ন স্থানে সংঘাতের খবরও মিলেছে।
ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর তথ্য বলছে, তৃণমূল কংগ্রেসের ‘দুর্গ’ বলে পরিচিত একাধিক অঞ্চল বিজেপি দখল করে নিচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন তৃণমূল নেতাকর্মীরা। ব্যারাকপুরে তৃণমূল প্রার্থীর ওপর আক্রমণের অভিযোগ ওঠে বিজেপি এজেন্টদের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগও জমা পড়েছে।
অন্যদিকে কোচবিহার জেলার দিনহাটায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে অবস্থা নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে বলে জানান ডিআইজি অঞ্জলি সিং।
এ ছাড়া বাঁকুড়াতেও ভোট গণনা কেন্দ্রে তৃণমূল ও বিজেপির সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। দুই দলই অবশ্য এ হামলা নিয়ে পালটাপালটি অভিযোগ করেছে। এ নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সূত্র: আনন্দবাজার, এই সময়, দ্য হিন্দু, টাইমস অব ইন্ডিয়া, বিবিসি

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে সবার দৃষ্টি ছিল ভবানীপুরে। সেখানে মুখোমুখি হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর বিরোধী দলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী। ১৫ রাউন্ড পর্যন্ত ভোট গণনায় এগিয়ে ছিলেন মমতাই। ষষ্ঠদশ রাউন্ডে ঘুরে দাঁড়ান শুভেন্দু। বাকি রাউন্ডগুলোতে ব্যবধান বাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত ১৫ হাজারের বেশি ভোটে জয় নিশ্চিত করেছেন তিনি।
ভবানীপুরের এ আসনের ফলাফল গোটা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনেরই প্রতীকী চিত্র হয়ে রইল। মমতা যেমন হেরে গেলেন শুভেন্দুর কাছে, তেমনি গোটা রাজ্যেই গেরুয়া ঝড়ে পদ্মফুলের উত্থানে উড়ে গেছে জোড়া ফুলের প্রতিরোধ।
এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের টানা তিন মেয়াদের ১৫ বছরের শাসনেরও অবসান ঘটল। ২০১১ সালে বামপন্থি সরকার পতনের পর এবার মমতার দুর্গের পতন ঘটিয়ে পুরোপুরি ডান দিকে হেলে পড়ল পশ্চিমবঙ্গের নীলবাড়ি।
গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় পশ্চিমবঙ্গের এ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হয়। ২৯৪ আসনে ভোট হলেও একটি আসনে ভোট স্থগিত হয়ে যাওয়ায় সোমবার (৪ মে) সকালে শুরু হয় ২৯৩ আসনের ভোট গণনা। সে হিসাবে রাজ্য সরকার গঠনে কোনো দলের জন্য প্রয়োজনীয় ম্যাজিক ফিগার ছিল ১৪৭।
বাংলাদেশ সময় সোমবার রাত ১০টার পরপরই নিশ্চিত হয়ে যায়, সেই ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেছে বিজেপি। সবশেষ রাত ১১টার খবর বলছে, ভারতের নির্বাচন কমিশন এ নির্বাচনে ১৯৯টি আসনে বিজেপি প্রার্থীদের জয়ী ঘোষণা করেছে। বিপরীতে মমতার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন ৬৯ আসনে।
এ ছাড়া কংগ্রেস ও আম জনতা উন্নয়ন পার্টি (এজেইউপি) জয় পেয়েছে দুটি করে আসনে। একটি আসনে জয় পেয়েছে সিপিআই (এম)। অল ইন্ডিয়া সেক্যুলার ফ্রন্টও বিজয়ী হয়েছে একটি আসনে। এর বাইরে যেসব আসনে ফল গণনা এখনো চলছে তার মধ্যেও সাতটি আসনে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থীরা, ১২টি আসনে তৃণমূল কংগ্রেস।
এ জয়ে স্বাভাবিকভাবেই ব্যাপক উচ্ছ্বসিত বিজেপি শিবির। ১৪৭ আসনের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করার আগে দুপুরের পর থেকেই দুই শতাধিক আসনে দলটির এগিয়ে থাকার তথ্য মিলছিল। সন্ধ্যা নাগাদই ভারতের প্রধানমন্ত্রী বিজেপি নেতা নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোাগযোগমাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে দলের বিজয় ঘোষণা করেন।

‘পশ্চিমবঙ্গে পদ্ম ফুটছে’ লিখে এ বিজয়কে ‘অবিস্মরণীয় জয়’ হিসেবে আখ্যা দেন নরেন্দ্র মোদি। পরে ধুতি-পাঞ্জাবিতে নয়াদিল্লিতে বিজেপি সদর দপ্তরে হাজির হন তিনি। সেখান থেকে ঘোষণা দেন, ২৫ বৈশাখ রবীন্দ্রজয়ন্তীতে হবে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকারের শপথ।
মোদি তার বক্তব্যে পশ্চিমবঙ্গবাসীকে আকুণ্ঠ সমর্থনের জন্য প্রণামও জানিয়েছেন। আশ্বাস দিয়েছেন, কোনো ধরনের প্রতিশোধ নয়, বরং সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দিনবদলের জন্য বিজেপি সরকার পশ্চিমবঙ্গে কাজ করবে।
এদিকে বিজেপির বিরুদ্ধে ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ তুলেছেন তিন মেয়াদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘বিজেপি ১০০টিরও বেশি আসন চুরি করেছে। বিজেপি জালিয়াতি করেছে। নির্বাচন কমিশন এখন বিজেপি কমিশনে পরিণত হয়েছে। আমরা বারবার এ নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছি। কিন্তু কেউ শোনেনি।’
তৃণমূল কংগ্রেসকে ১৫ বছর পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় ধরে রাখা মমতা আরও বলেন, ‘বিজেপির এই জয় অনৈতিক। প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর যোগসাজশে নির্বাচন কমিশন যা করেছে, তা পুরোপুরি অনৈতিক। তারা জোর করে এসআইআর পরিচালনা করেছে। তারা অত্যাচার চালিয়েছে। তারা কাউন্টিং এজেন্টদের গ্রেপ্তার করেছে। আমরা লড়াই চালিয়ে যাব।’
তবে মমতা যাই বলুন না কেন, বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামতেই গোটা পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি শিবিরে ছড়িয়ে পড়েছে উল্লাস। এর মধ্যে অবশ্য ভোট গণনা ঘিরে বিভিন্ন স্থানে সংঘাতের খবরও মিলেছে।
ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর তথ্য বলছে, তৃণমূল কংগ্রেসের ‘দুর্গ’ বলে পরিচিত একাধিক অঞ্চল বিজেপি দখল করে নিচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন তৃণমূল নেতাকর্মীরা। ব্যারাকপুরে তৃণমূল প্রার্থীর ওপর আক্রমণের অভিযোগ ওঠে বিজেপি এজেন্টদের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগও জমা পড়েছে।
অন্যদিকে কোচবিহার জেলার দিনহাটায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে অবস্থা নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে বলে জানান ডিআইজি অঞ্জলি সিং।
এ ছাড়া বাঁকুড়াতেও ভোট গণনা কেন্দ্রে তৃণমূল ও বিজেপির সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। দুই দলই অবশ্য এ হামলা নিয়ে পালটাপালটি অভিযোগ করেছে। এ নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সূত্র: আনন্দবাজার, এই সময়, দ্য হিন্দু, টাইমস অব ইন্ডিয়া, বিবিসি

শেষ পর্যন্ত চতুর্থবারের চেষ্টায় তৃণমূল দুর্গে ফাটল ধরিয়ে পদ্মফুলের পতাকা উড়ল পশ্চিমবঙ্গে। মোদি বলেন, আমি বাংলা, অসম, পুদুচেরি, তামিলনাড়ু ও কেরালার জনতাকে প্রণাম জানাই। বিজেপির কোটি-কোটি কার্যকর্তাকে হৃদয় থেকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আপনারা নতুন ইতিহাস রচনা করলেন।
৬ ঘণ্টা আগে
এ বাউন্ডের ফল ঘোষণার পর দেখা গেছে, পদ্মফুলের প্রার্থী শুভেন্দু পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৩৮৬ ভোট। অন্যদিকে জোড়া ফুলের মমতা পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৮৩২ ভোট। সে হিসাবে মমতার চেয়ে ৫৬৩ ভোটে এগিয়ে গেছেন শুভেন্দু।
৭ ঘণ্টা আগে
রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, সোমবার জিএমটি সময় ১১টা ২৪ পর্যন্ত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩ দশমিক ৬৪ ডলার বা ৩ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ১১১ দশমিক ৮১ ডলারে। এর আগে শুক্রবার এই সূচক ২ দশমিক ২৩ ডলার কমে শেষ হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে আরও অনেক বাকি থাকলেও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলের জয়ের ঘোষণাই দিয়ে বসেছেন। একে অভিহিত করেছেন ‘অবিস্মরণীয় জয়’ হিসেবে। এ জয়ের জন্য পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি মানুষকে প্রণামও জানিয়েছেন তিনি।
৮ ঘণ্টা আগে