
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইউক্রেন জুড়ে রাতভর একাধিক দফায় ৭০০-এর বেশি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। সাম্প্রতিক মাসগুলোর মধ্যে এটি ছিল সবচেয়ে প্রাণঘাতী বিমান হামলা। এতে অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ইউক্রেনের স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, দক্ষিণের বন্দরনগরী ওডেসায় ৯ জন, মধ্যাঞ্চলের শহর দিনিপ্রোতে ৫ জন এবং রাজধানী কিয়েভে এক শিশুসহ ৪ জন নিহত হয়েছেন। কিয়েভে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৪৫ জন।
অন্যদিকে রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় ক্রাসনোদার অঞ্চলে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় এক শিশুসহ দুজন নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে মস্কো।
অর্থোডক্স খ্রিস্টানদের ধর্মীয় উৎসব ইস্টার উপলক্ষ্যে গত সপ্তাহের শেষদিকে স্বল্প সময়ের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও, উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে বহুবার তা লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলে। এর মধ্যেই নতুন করে এই বড় হামলার ঘটনা ঘটল।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটার দিকে কিয়েভ জুড়ে সতর্কতা সাইরেন বেজে ওঠে। এর কিছুক্ষণ পরই শুরু হয় বিস্ফোরণ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও-ছবিতে শহরের কেন্দ্রীয় এলাকায় আগুনের লেলিহান শিখা ও কালো ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী দেখা যায়।
কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিচকো জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে ১২ বছর বয়সী একটি শিশু রয়েছে। উদ্ধারকারীরা শহরের পোডিল জেলায় বিধ্বস্ত একটি ১৬ তলা আবাসিক ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে এক মা ও শিশুকে জীবিত উদ্ধার করেছেন।
দিনিপ্রো অঞ্চলের প্রধান ওলেক্সান্দর গানঝা প্রথমে ৪ জন নিহতের কথা জানালেও পরে মেয়র বরিস ফিলাতভ আরও একটি মরদেহ উদ্ধারের তথ্য দেন।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের খারকিভে ড্রোন হামলায় ৭৭ বছর বয়সী এক নারী ও ৬৬ বছর বয়সী এক পুরুষ আহত হয়েছেন। দক্ষিণের মিকোলাইভ ও খেরসন শহর দুটি বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ইউক্রেনের বিমান বাহিনী জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়া ৬৫৯টি ড্রোন এবং ৪৪টি ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। এর মধ্যে ৬৩৬টি ড্রোন ও ৩১টি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হলেও ২৬টি স্থানে সরাসরি আঘাত হেনেছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এ হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, এটি প্রমাণ করে রাশিয়ার ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা উচিত নয়। তার ভাষায়, ‘রাশিয়া যুদ্ধের ওপরই বাজি ধরছে, তাই জবাবও হতে হবে সেভাবেই।’
এদিকে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা রাশিয়ার এ হামলাকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ আখ্যা দিয়ে মস্কোর ওপর আরও চাপ বাড়াতে মিত্রদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর পর যুদ্ধ এখন পঞ্চম বছরে গড়িয়েছে। কয়েক দফা শান্তি আলোচনা হলেও মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের মনোযোগ সরে যাওয়ায় সেই প্রক্রিয়া বর্তমানে স্থবির হয়ে আছে।
কিয়েভ বরাবরই স্থায়ী শান্তি আলোচনার প্রথম ধাপ হিসেবে পূর্ণ ও স্থিতিশীল যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়ে আসছে। তবে মস্কো আগে শান্তিচুক্তি চূড়ান্ত করার ওপর জোর দিচ্ছে, যা নিয়ে যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়া ‘আন্তরিক নয়’ বলে অভিযোগ করছে ইউক্রেন।

ইউক্রেন জুড়ে রাতভর একাধিক দফায় ৭০০-এর বেশি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। সাম্প্রতিক মাসগুলোর মধ্যে এটি ছিল সবচেয়ে প্রাণঘাতী বিমান হামলা। এতে অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ইউক্রেনের স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, দক্ষিণের বন্দরনগরী ওডেসায় ৯ জন, মধ্যাঞ্চলের শহর দিনিপ্রোতে ৫ জন এবং রাজধানী কিয়েভে এক শিশুসহ ৪ জন নিহত হয়েছেন। কিয়েভে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৪৫ জন।
অন্যদিকে রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় ক্রাসনোদার অঞ্চলে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় এক শিশুসহ দুজন নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে মস্কো।
অর্থোডক্স খ্রিস্টানদের ধর্মীয় উৎসব ইস্টার উপলক্ষ্যে গত সপ্তাহের শেষদিকে স্বল্প সময়ের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও, উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে বহুবার তা লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলে। এর মধ্যেই নতুন করে এই বড় হামলার ঘটনা ঘটল।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটার দিকে কিয়েভ জুড়ে সতর্কতা সাইরেন বেজে ওঠে। এর কিছুক্ষণ পরই শুরু হয় বিস্ফোরণ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও-ছবিতে শহরের কেন্দ্রীয় এলাকায় আগুনের লেলিহান শিখা ও কালো ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী দেখা যায়।
কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিচকো জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে ১২ বছর বয়সী একটি শিশু রয়েছে। উদ্ধারকারীরা শহরের পোডিল জেলায় বিধ্বস্ত একটি ১৬ তলা আবাসিক ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে এক মা ও শিশুকে জীবিত উদ্ধার করেছেন।
দিনিপ্রো অঞ্চলের প্রধান ওলেক্সান্দর গানঝা প্রথমে ৪ জন নিহতের কথা জানালেও পরে মেয়র বরিস ফিলাতভ আরও একটি মরদেহ উদ্ধারের তথ্য দেন।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের খারকিভে ড্রোন হামলায় ৭৭ বছর বয়সী এক নারী ও ৬৬ বছর বয়সী এক পুরুষ আহত হয়েছেন। দক্ষিণের মিকোলাইভ ও খেরসন শহর দুটি বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ইউক্রেনের বিমান বাহিনী জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়া ৬৫৯টি ড্রোন এবং ৪৪টি ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। এর মধ্যে ৬৩৬টি ড্রোন ও ৩১টি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হলেও ২৬টি স্থানে সরাসরি আঘাত হেনেছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এ হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, এটি প্রমাণ করে রাশিয়ার ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা উচিত নয়। তার ভাষায়, ‘রাশিয়া যুদ্ধের ওপরই বাজি ধরছে, তাই জবাবও হতে হবে সেভাবেই।’
এদিকে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা রাশিয়ার এ হামলাকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ আখ্যা দিয়ে মস্কোর ওপর আরও চাপ বাড়াতে মিত্রদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর পর যুদ্ধ এখন পঞ্চম বছরে গড়িয়েছে। কয়েক দফা শান্তি আলোচনা হলেও মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের মনোযোগ সরে যাওয়ায় সেই প্রক্রিয়া বর্তমানে স্থবির হয়ে আছে।
কিয়েভ বরাবরই স্থায়ী শান্তি আলোচনার প্রথম ধাপ হিসেবে পূর্ণ ও স্থিতিশীল যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়ে আসছে। তবে মস্কো আগে শান্তিচুক্তি চূড়ান্ত করার ওপর জোর দিচ্ছে, যা নিয়ে যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়া ‘আন্তরিক নয়’ বলে অভিযোগ করছে ইউক্রেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে