
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্র-ইসারয়েল যৌথ হামলার জের ধরে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হলেও সে যুদ্ধ আর ইরানে সীমাবদ্ধ নেই। প্রথম দিন থেকেই সে যুদ্ধের আঁচ ছড়ায় গোটা অঞ্চলে। তৃতীয় দিন শেষে গোটা মধ্যপ্রাচ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্য যখন যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে, তখন সারা বিশ্বে উদ্বেগ ছড়িয়েছে জ্বালানি সংকট। এরই মধ্যে ইউরোপ ও এশিয়ার বাজারে তেল ও গ্যাসের দাম রাতারাতি ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে গেছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ পরিবহন স্থগিত থাকার পর কাতারের এলএনজি উৎপাদন বন্ধের ঘোষণা বৈশ্বিক জ্বালানি খাতকে অস্থির করে দেবে বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এসব হামলার জবাব দিতে দেরি করেনি ইরান। প্রথম দিন থেকেই ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে হামলা চালাচ্ছিল দেশটি।
সোমবার (২ মার্চ) নাগাদ ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্তত পাঁচটি দেশে ইরান হামলা অব্যাহত রেখেছে। কাতার, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, বাহরাইন— মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশে মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে, কোনোটিই বাদ পড়ছে ইরানের হামলা থেকে। কুয়েতে বেশ কয়েকটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তও হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব তার সঙ্গে বৈঠকে বসতে আগ্রহী। তিনি নিজেও রাজি। তবে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি আলি লারিজানি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো সমঝোতা করবে না বলে ইরান। দেশটির বিপ্লবী গার্ড ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর অফিসে হামলার দাবি করেছে। ইরান যুদ্ধ চালিয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন দেশটির নেতারা।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তারা ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয়ের ইসরায়েলবিষয়ক উপমন্ত্রী সাইয়েদ ইয়াহিয়া হামিদিকে হত্যা করেছে। ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন তার স্ত্রীও নিহত হয়েছেন।
ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোমবার জানিয়েছে, শনিবার হামলা শুরুর পর থেকে দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৫৫৫ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে এ যুদ্ধে এখন পর্যন্ত চারজন সেনা নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র সেন্ট্রাল কমান্ড। ইসরায়েলের পক্ষ থেকে হতাহতের কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
এ যুদ্ধে রোববারই জড়িয়ে পড়েছিল লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ। তাদের হামলার জবাবে ইসরায়েল সোমবার লেবাননের রাজধানী বৈরুতে হামলা চালায়। এতে ৩১ জন নিহত ও আরও ১৪৯জন আহত হয়েছেন। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, তাদের হামলায় হিজবুল্লাহর গোয়েন্দা প্রধান নিহত হয়েছেন।
এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র লেবাননে অবস্থানরত তাদের দেশের নাগরিকদের দ্রুত দেশটি ছেড়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। অন্যদিকে লেবানন সরকার দেশটিতে হিজবুল্লাহর সশস্ত্র কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
ইরান যুদ্ধে সরাসরি আক্রান্ত না হলেও অন্য আরও দেশ জড়িয়ে যাচ্ছে। জার্মানি সরাসরি জানিয়েছে, প্রয়োজন পড়লে তারা তাদের মিত্র দেশগুলোর জন্য হামলায় জড়িয়ে পড়তে পারে। এদিকে যুক্তরাজ্য তাদের ঘাঁটিগুলো ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রকে। পরে অবশ্য ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার সংসদকে স্পষ্ট করেছেন, কেবল প্রতিরক্ষার কাজে এসব ঘাঁটি ব্যবহার করা যাবে। যুক্তরাজ্য সরাসরি হামলায় অংশ নেবে না।
এর মধ্যে চীন আবারও ইরানের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই সোমবার ফোন করেছিলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিকে। এ সময় তিনি বলেছেন, ইরানের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় তেহরানের প্রতি তাদের জোরালো সমর্থন থাকবে।
ইরান যুদ্ধ ঘিরে মধ্যপ্রাচ্য সরাসরি হামলা-পালটা হামলায় উত্তপ্ত হলেও এ যুদ্ধের উত্তাপ গোটা বিশ্বেই ছড়াচ্ছে জ্বালানি খাত। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আগে থেকেই জ্বালানির বাজারে অস্থিরতার আভাস মিলছিল। সোমবার সকালেই এশিয়া ও ইউরোপে তেলের বাজারে দেখা দেয় উর্ধ্বগতি। সেই সঙ্গে পুঁজিবাজার সূচকে দেখা দেয় পতন।
এর মধ্যে কাতারের শিল্পনগরী রাস লাফানের জ্বালানি স্থাপনাগুলোয় ইরানের দুটি ড্রোন আঘাত হানলে কাতারের রাষ্ট্রায়ত্ত পেট্রোলিয়াম কোম্পানি কাতার এনার্জি এলএনজিসহ সংশ্লিষ্ট পণ্যগুলোর উৎপাদন বন্ধের ঘোষণা দেয়। এতে ফের জ্বালানির বাজারে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ে। এতে ইউরোপের বাজারে গ্যাসের দাম ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের এ যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে তেল-গ্যাস নিয়ে চরমভাগে ভুগতে হবে গোটা বিশ্বকেই।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসারয়েল যৌথ হামলার জের ধরে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হলেও সে যুদ্ধ আর ইরানে সীমাবদ্ধ নেই। প্রথম দিন থেকেই সে যুদ্ধের আঁচ ছড়ায় গোটা অঞ্চলে। তৃতীয় দিন শেষে গোটা মধ্যপ্রাচ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্য যখন যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে, তখন সারা বিশ্বে উদ্বেগ ছড়িয়েছে জ্বালানি সংকট। এরই মধ্যে ইউরোপ ও এশিয়ার বাজারে তেল ও গ্যাসের দাম রাতারাতি ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে গেছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ পরিবহন স্থগিত থাকার পর কাতারের এলএনজি উৎপাদন বন্ধের ঘোষণা বৈশ্বিক জ্বালানি খাতকে অস্থির করে দেবে বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এসব হামলার জবাব দিতে দেরি করেনি ইরান। প্রথম দিন থেকেই ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে হামলা চালাচ্ছিল দেশটি।
সোমবার (২ মার্চ) নাগাদ ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্তত পাঁচটি দেশে ইরান হামলা অব্যাহত রেখেছে। কাতার, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, বাহরাইন— মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশে মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে, কোনোটিই বাদ পড়ছে ইরানের হামলা থেকে। কুয়েতে বেশ কয়েকটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তও হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব তার সঙ্গে বৈঠকে বসতে আগ্রহী। তিনি নিজেও রাজি। তবে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি আলি লারিজানি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো সমঝোতা করবে না বলে ইরান। দেশটির বিপ্লবী গার্ড ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর অফিসে হামলার দাবি করেছে। ইরান যুদ্ধ চালিয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন দেশটির নেতারা।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তারা ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয়ের ইসরায়েলবিষয়ক উপমন্ত্রী সাইয়েদ ইয়াহিয়া হামিদিকে হত্যা করেছে। ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন তার স্ত্রীও নিহত হয়েছেন।
ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোমবার জানিয়েছে, শনিবার হামলা শুরুর পর থেকে দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৫৫৫ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে এ যুদ্ধে এখন পর্যন্ত চারজন সেনা নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র সেন্ট্রাল কমান্ড। ইসরায়েলের পক্ষ থেকে হতাহতের কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
এ যুদ্ধে রোববারই জড়িয়ে পড়েছিল লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ। তাদের হামলার জবাবে ইসরায়েল সোমবার লেবাননের রাজধানী বৈরুতে হামলা চালায়। এতে ৩১ জন নিহত ও আরও ১৪৯জন আহত হয়েছেন। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, তাদের হামলায় হিজবুল্লাহর গোয়েন্দা প্রধান নিহত হয়েছেন।
এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র লেবাননে অবস্থানরত তাদের দেশের নাগরিকদের দ্রুত দেশটি ছেড়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। অন্যদিকে লেবানন সরকার দেশটিতে হিজবুল্লাহর সশস্ত্র কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
ইরান যুদ্ধে সরাসরি আক্রান্ত না হলেও অন্য আরও দেশ জড়িয়ে যাচ্ছে। জার্মানি সরাসরি জানিয়েছে, প্রয়োজন পড়লে তারা তাদের মিত্র দেশগুলোর জন্য হামলায় জড়িয়ে পড়তে পারে। এদিকে যুক্তরাজ্য তাদের ঘাঁটিগুলো ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রকে। পরে অবশ্য ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার সংসদকে স্পষ্ট করেছেন, কেবল প্রতিরক্ষার কাজে এসব ঘাঁটি ব্যবহার করা যাবে। যুক্তরাজ্য সরাসরি হামলায় অংশ নেবে না।
এর মধ্যে চীন আবারও ইরানের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই সোমবার ফোন করেছিলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিকে। এ সময় তিনি বলেছেন, ইরানের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় তেহরানের প্রতি তাদের জোরালো সমর্থন থাকবে।
ইরান যুদ্ধ ঘিরে মধ্যপ্রাচ্য সরাসরি হামলা-পালটা হামলায় উত্তপ্ত হলেও এ যুদ্ধের উত্তাপ গোটা বিশ্বেই ছড়াচ্ছে জ্বালানি খাত। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আগে থেকেই জ্বালানির বাজারে অস্থিরতার আভাস মিলছিল। সোমবার সকালেই এশিয়া ও ইউরোপে তেলের বাজারে দেখা দেয় উর্ধ্বগতি। সেই সঙ্গে পুঁজিবাজার সূচকে দেখা দেয় পতন।
এর মধ্যে কাতারের শিল্পনগরী রাস লাফানের জ্বালানি স্থাপনাগুলোয় ইরানের দুটি ড্রোন আঘাত হানলে কাতারের রাষ্ট্রায়ত্ত পেট্রোলিয়াম কোম্পানি কাতার এনার্জি এলএনজিসহ সংশ্লিষ্ট পণ্যগুলোর উৎপাদন বন্ধের ঘোষণা দেয়। এতে ফের জ্বালানির বাজারে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ে। এতে ইউরোপের বাজারে গ্যাসের দাম ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের এ যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে তেল-গ্যাস নিয়ে চরমভাগে ভুগতে হবে গোটা বিশ্বকেই।

জাতিসংঘের বিশেষ দূত ফ্রানচেসকা আলবানিজ ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে পৃথিবীর ‘সবচেয়ে নিকৃষ্ট’ সেনাবাহিনী হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেছেন, তাদের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করাসহ সব সীমারেখা অতিক্রম করেছে।
৯ ঘণ্টা আগে
ওমান উপসাগরে মার্কিন নৌবাহিনীর হাতে জব্দ হওয়া পণ্যবাহী জাহাজ ‘তুসকা’ এবং এর আরোহীদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে ইরান। একই সঙ্গে ঘটনাটিকে আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন ও ‘অপরাধমূলক কাজ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে তেহরান।
১০ ঘণ্টা আগে
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, হুমকির মুখে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনায় যেতে রাজি নয়। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন— পরিস্থিতি ফের যুদ্ধের দিকে গড়ালে ইরান যুদ্ধক্ষেত্রে নতুন কৌশল ও ‘কার্ড’ দেখাতে প্রস্তুত রয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
পেন্টাগনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৭১ জন সেনাবাহিনীর সদস্য। এ ছাড়া নৌবাহিনীর ৬৩ জন, বিমানবাহিনীর ৬২ জন এবং ১৯ জন মেরিন সেনা আহত হয়েছেন।
১২ ঘণ্টা আগে