
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের কোয়েটায় একটি শাটল ট্রেনে ভয়াবহ আত্মঘাতী বিস্ফোরণে অন্তত ২৪ জন নিহত হয়েছেন। আজ রোববার (২৪ মে) সকাল ৮টার দিকে কোয়েটা ক্যন্টনমেন্ট থেকে রেলওয়ে স্টেশনের দিকে যাওয়ার পথে চামান ফটকের কাছে এই হামলা ঘটে। এতে আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ, যাদের অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। ইতোমধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত সশস্ত্র গোষ্ঠী বেলুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) এই হামলার দায় স্বীকার করেছে।
রেলওয়ে কর্মকর্তাদের বরাতে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস পাকিস্তান (এপিপি) জানিয়েছে, শাটল ট্রেনটি কোয়েটা ক্যান্টনমেন্ট থেকে রেলওয়ে স্টেশনের দিকে যাচ্ছিল। সকাল ৮টার কিছুক্ষণ পর চামান ফটকের কাছে বিস্ফোরণটি ঘটে। এতে ট্রেনের কয়েকটি বগি, আশপাশের বাড়িঘর ও যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ঘটনাস্থলে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
তবে বিস্ফোরণের ধরন তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পাকিস্তান রেলওয়ে বিস্ফোরণের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, উদ্ধার তৎপরতায় সহায়তার জন্য ঘটনাস্থলে রেসকিউ ট্রাক ও একটি ত্রাণবাহী ট্রেন পাঠানো হয়েছে।
এআরওয়াই নিউজ স্থানীয় পুলিশের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, নিষিদ্ধ ঘোষিত বেলুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) এ হামলার দায় স্বীকার করেছে। সংগঠনটি এটিকে পাকিস্তানি সামরিক সদস্যদের লক্ষ্য করে চালানো ‘ফিদায়ী বা আত্মঘাতী’ হামলা বলে দাবি করেছে।
অন্যদিকে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) জানিয়েছে, বিস্ফোরণে দুই ডজনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।
স্থানীয় চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে তারা জানায়, আশপাশের হাসপাতালগুলোতে ৩০ জনের বেশি আহতকে ভর্তি করা হয়েছে। যাদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিস্ফোরণের তীব্রতায় আশপাশের ভবনের জানালার কাঁচ ভেঙে যায়। ঘটনার পরপরই উদ্ধারকারী দল ও দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
তবে এখনো পর্যন্ত পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ হতাহতদের চূড়ান্ত সংখ্যা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি। ফলে নিহত ও আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
রাজনীতি/এসআর

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের কোয়েটায় একটি শাটল ট্রেনে ভয়াবহ আত্মঘাতী বিস্ফোরণে অন্তত ২৪ জন নিহত হয়েছেন। আজ রোববার (২৪ মে) সকাল ৮টার দিকে কোয়েটা ক্যন্টনমেন্ট থেকে রেলওয়ে স্টেশনের দিকে যাওয়ার পথে চামান ফটকের কাছে এই হামলা ঘটে। এতে আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ, যাদের অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। ইতোমধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত সশস্ত্র গোষ্ঠী বেলুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) এই হামলার দায় স্বীকার করেছে।
রেলওয়ে কর্মকর্তাদের বরাতে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস পাকিস্তান (এপিপি) জানিয়েছে, শাটল ট্রেনটি কোয়েটা ক্যান্টনমেন্ট থেকে রেলওয়ে স্টেশনের দিকে যাচ্ছিল। সকাল ৮টার কিছুক্ষণ পর চামান ফটকের কাছে বিস্ফোরণটি ঘটে। এতে ট্রেনের কয়েকটি বগি, আশপাশের বাড়িঘর ও যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ঘটনাস্থলে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
তবে বিস্ফোরণের ধরন তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পাকিস্তান রেলওয়ে বিস্ফোরণের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, উদ্ধার তৎপরতায় সহায়তার জন্য ঘটনাস্থলে রেসকিউ ট্রাক ও একটি ত্রাণবাহী ট্রেন পাঠানো হয়েছে।
এআরওয়াই নিউজ স্থানীয় পুলিশের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, নিষিদ্ধ ঘোষিত বেলুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) এ হামলার দায় স্বীকার করেছে। সংগঠনটি এটিকে পাকিস্তানি সামরিক সদস্যদের লক্ষ্য করে চালানো ‘ফিদায়ী বা আত্মঘাতী’ হামলা বলে দাবি করেছে।
অন্যদিকে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) জানিয়েছে, বিস্ফোরণে দুই ডজনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।
স্থানীয় চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে তারা জানায়, আশপাশের হাসপাতালগুলোতে ৩০ জনের বেশি আহতকে ভর্তি করা হয়েছে। যাদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিস্ফোরণের তীব্রতায় আশপাশের ভবনের জানালার কাঁচ ভেঙে যায়। ঘটনার পরপরই উদ্ধারকারী দল ও দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
তবে এখনো পর্যন্ত পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ হতাহতদের চূড়ান্ত সংখ্যা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি। ফলে নিহত ও আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
রাজনীতি/এসআর

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
২১ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১ দিন আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে