
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরান ও পশ্চিমা দেশগুলোর ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে হরমুজ প্রণালি নিরাপদ রাখতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আন্তর্জাতিক সামরিক জোট গঠনের আহ্বানে সাড়া দেয়নি অস্ট্রেলিয়া।
দেশটির পরিবহন মন্ত্রী ক্যাথরিন কিং স্পষ্ট জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে আকাশপথে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা দিলেও হরমুজ প্রণালিতে কোনো যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে না ক্যানবেরা। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে সোমবার এ তথ্য জানা গেছে।
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণের জবাবে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে ইরান। এ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি নিরাপদ রাখতে সম্ভাব্য একটি আন্তর্জাতিক নৌ নিরাপত্তা জোট গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এ জন্য চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প। তবে হরমুজ প্রণালিতে কোনো যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে না বলে জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়ান গণমাধ্যম এবিসি রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির পরিবহন মন্ত্রী ক্যাথরিন কিং এই মন্তব্য করেছেন।
সোমবার কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
এবিসি রেডিওকে ক্যাথরিন কিং জানিয়েছেন, ‘আমাদের কাছে আসা অনুরোধগুলোর বিপরীতে আমাদের অবদান ঠিক কী হবে, সে বিষয়ে আমরা অত্যন্ত স্পষ্ট। এ পর্যন্ত আমাদের সহায়তা মূলত সংযুক্ত আরব আমিরাতের জন্য; সেখানে বিশেষ করে প্রচুর সংখ্যক অস্ট্রেলীয় নাগরিকের উপস্থিতির কথা বিবেচনা করে আমরা আকাশপথে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার জন্য বিমান সরবরাহ করছি।’
পরিবহন মন্ত্রী যোগ করেন, ‘তবে আমরা হরমুজ প্রণালিতে কোনো জাহাজ পাঠাচ্ছি না। আমরা জানি এটি (জলপথটি) কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এটি এমন কিছু নয় যা আমাদের কাছে চাওয়া হয়েছে বা যাতে আমরা অবদান রাখছি।’
এদিকে, ট্রাম্পের আহ্বানে এখন পর্যন্ত কোনো দেশ যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে প্রকাশ্যে সম্মতি দেয়নি। যুক্তরাজ্য বলেছে, তারা মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা করছে কীভাবে প্রণালিটি আবার খুলে দেওয়া যায়। চীন সংঘাত বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে এবং বলেছে, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সব পক্ষের দায়িত্ব।
জাপান জানিয়েছে, এমন অভিযানে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার মানদণ্ড খুবই কঠিন। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিষয়টি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। ফ্রান্সও জানিয়েছে, তারা কোনো যুদ্ধ অভিযানে যোগ দেবে

ইরান ও পশ্চিমা দেশগুলোর ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে হরমুজ প্রণালি নিরাপদ রাখতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আন্তর্জাতিক সামরিক জোট গঠনের আহ্বানে সাড়া দেয়নি অস্ট্রেলিয়া।
দেশটির পরিবহন মন্ত্রী ক্যাথরিন কিং স্পষ্ট জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে আকাশপথে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা দিলেও হরমুজ প্রণালিতে কোনো যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে না ক্যানবেরা। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে সোমবার এ তথ্য জানা গেছে।
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণের জবাবে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে ইরান। এ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি নিরাপদ রাখতে সম্ভাব্য একটি আন্তর্জাতিক নৌ নিরাপত্তা জোট গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এ জন্য চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প। তবে হরমুজ প্রণালিতে কোনো যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে না বলে জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়ান গণমাধ্যম এবিসি রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির পরিবহন মন্ত্রী ক্যাথরিন কিং এই মন্তব্য করেছেন।
সোমবার কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
এবিসি রেডিওকে ক্যাথরিন কিং জানিয়েছেন, ‘আমাদের কাছে আসা অনুরোধগুলোর বিপরীতে আমাদের অবদান ঠিক কী হবে, সে বিষয়ে আমরা অত্যন্ত স্পষ্ট। এ পর্যন্ত আমাদের সহায়তা মূলত সংযুক্ত আরব আমিরাতের জন্য; সেখানে বিশেষ করে প্রচুর সংখ্যক অস্ট্রেলীয় নাগরিকের উপস্থিতির কথা বিবেচনা করে আমরা আকাশপথে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার জন্য বিমান সরবরাহ করছি।’
পরিবহন মন্ত্রী যোগ করেন, ‘তবে আমরা হরমুজ প্রণালিতে কোনো জাহাজ পাঠাচ্ছি না। আমরা জানি এটি (জলপথটি) কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এটি এমন কিছু নয় যা আমাদের কাছে চাওয়া হয়েছে বা যাতে আমরা অবদান রাখছি।’
এদিকে, ট্রাম্পের আহ্বানে এখন পর্যন্ত কোনো দেশ যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে প্রকাশ্যে সম্মতি দেয়নি। যুক্তরাজ্য বলেছে, তারা মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা করছে কীভাবে প্রণালিটি আবার খুলে দেওয়া যায়। চীন সংঘাত বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে এবং বলেছে, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সব পক্ষের দায়িত্ব।
জাপান জানিয়েছে, এমন অভিযানে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার মানদণ্ড খুবই কঠিন। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিষয়টি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। ফ্রান্সও জানিয়েছে, তারা কোনো যুদ্ধ অভিযানে যোগ দেবে

গত আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকে সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাত নতুন করে তীব্র রূপ নেয়। এর ধারাবাহিকতায় গত ১১ সেপ্টেম্বর রাতে লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরকে সংযুক্তকারী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ 'বাব এল মান্দেব' প্রণালি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় হুথি যোদ্ধারা। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার কারণে হরমুজ প্
৩ ঘণ্টা আগে
সোমবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, হুতিরা তাইজ ও লাহিজ প্রদেশের কাহবুব পর্বতমালা দখলের চেষ্টা করছে। ওই এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিতে পারলে রেড সি উপকূলের হুতি-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল থেকে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন দক্ষিণাঞ্চলকে বিচ্ছিন্ন করা সম্ভব হতে পারে। বর্তমানে আল-ওয়াজিয়াহ ও রাস আল-আরা এল
১২ ঘণ্টা আগে
প্রস্তাবিত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলে মার্কিন নাগরিক ও কোম্পানিগুলো যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক সম্পদ নিয়ন্ত্রণ দপ্তর (ওএফএসি) থেকে বিশেষ অনুমতি না নিয়ে আইসিসিকে অর্থ, পণ্য বা সেবা দিতে পারবে না। এর আওতায় আদালটির সঙ্গে কাজ করা তৃতীয় পক্ষের প্রতিষ্ঠানও পড়তে পারে।
১৩ ঘণ্টা আগে
পেজেশকিয়ান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। যুদ্ধ চললেও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির জন্য ভিসা অনুমোদন করেছে। তবে তাদের চলাচল ও অন্যান্য কার্যক্রমে বিধিনিষেধ থাকবে।
১৪ ঘণ্টা আগে