একটা উঁচু পোতা, যেটিকে দালান ঘরে বারান্দা বলে, তার ওপরের চার দেয়ালের ওপর পাঁচ চালের ঘর।
সাধারণ মানুষকে করে একত্রিত তিনি গড়ে তোলেন লাঠিয়াল বাহিনী। নীলকুঠি, অত্যাচারী জমিদার এবং সামন্তদের বাড়িঘর লুট করে তারা।
ভারত ও বাংলাদেশের শতাধিক কবি-সাহিত্যিকের অংশগ্রহণে রাজশাহী কলেজ মিলনায়তনে ‘হাসান আজিজুল হক সাহিত্য উৎসব- ২০২৪’ শুরু হয়েছে। শুক্রবার সকালে দুই দিনব্যাপী এ উৎসবের উদ্বোধন করেন একুশে পদক জয়ী বিশিষ্ট লেখক ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আইবিএস শাখার বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক সনৎ কুমার সাহা। এরপর 'লেখক' প
সেকালের দার্শিনেকরা পরস্পরের বন্ধু যেমন ছিলেন, একে-অন্যে কাদা ছোড়াছুড়িও তাঁরা কম করেননি।
বিভূতিভূষণের সাহিত্যপ্রতিভা তখনো প্রকাশিত হয়নি। কিন্তু ভেতরে তো জাত সাহিত্যিকের বাস, এমন একজন সমঝদার মানুষ পেয়ে মফস্বলের একজন মানুষ বর্তে যাবেন, সেটা খুবই স্বাভাবিক।
এই তো আছে রঙিন ফিতা মাথার কাঁটা কানের দুল... এই তো আছে স্নো-পাউডার কসমেটিক আর লিপস্টিক, আলতা সিঁদুর মা-বোনেদের নাজরানা।
শের চটা বা ছেঁচা তল্লাবাঁশ কিংবা কঞ্চি অথবা পাটখড়ি দিয়ে তৈরি হতো ঘরের বেড়া। তালপাতা বা গোলপাতা ব্যবহার হত কদাচিৎ।
কেউ উপন্যাস সম্পর্কে ইতিবাচক কথা বলেন তো, কেউ আবার সমালোচনা করে ধুয়ে দেন হুগোকে। সাধারণত এ ধরনের তর্ক, আলোচনা-সমালোচনায় বইয়ের কাটতি বাড়ে।
ফেরিওয়লারা যেভাবে ফেরি জিনিস বেঁচাকেনা করে, বায়োস্কোপওয়ালারা সেভাবে মাথায় বায়োস্কোপের বাক্স নিয়ে ঘুরে বেড়াতেন। আর হেঁকে জানান দিতেন নিজেদের আগমনবার্তা।
অন দ্য এজেস অব টাইম র্ইয়ে কবিপুত্র রথীন্দ্রনাথ আরো বলেছেন, আসলে এই ঋণদানের বিষয়টাকে রবীন্দ্রনাথ কখনোই ব্যাবসায়িক দৃষ্টিতে দেখেননি; বরং তাঁর কবিসত্তাই ব্যাকুল হয়ে উঠত এতে।
আশুতোষ মুখোপাধ্যায় নিজের বার্থে ঘুমিয়ে পড়লেন এক সময়। বেশ কিছুক্ষণ পর ঘুম ভাঙল তাঁর। কিন্তু অবাক কাণ্ড! তাঁর জুতোজোড়া উধাও। আশুতোষের বুঝতে বাকি রইল না, এটা ওই ব্যাটা ইংরেজের কাণ্ড!
আসলে ব্যাখ্যা বিজ্ঞান দিতেই পারে, কিন্তু বিভূতিভূষণের মৃত্যু নিয়ে কোনো বৈজ্ঞানিক বা যৌক্তিক গবেষণা হয়নি। হলে হয়তো আসল কারণ বেরিয়ে আসত।
তেমনি এক বিখ্যাত গানের জন্ম হয়েছিল চরম-অর্থকষ্টের মধ্যে। সে গান লেখার ইতিহাস গল্পকেও যেন হার মানায়।