মন্ত্রী বলেন, এই বাংলাদেশটি দীর্ঘ ২১ বছর যাবৎ উল্টো পথে চলেছে।এই বাংলাদেশ থেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। এই দেশ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। এই বাংলাদেশে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ ভাষণের রেকর্ড তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেই ভাষণ আমরা যারা বাজানোর চেষ্টা কর
বিদেশে আওয়ামী লীগের বন্ধু আছে প্রভু নেই জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিদেশে আমাদের বন্ধু আছে প্রভু নেই। বিএনপির প্রভু আছে যারা তাদের স্বার্থের পক্ষে ওকালতি করে। আমাদের বন্ধুরা একাত্তরের পরীক্ষিত বন্ধু। বাংলাদেশের নির্বাচনে কোন বিদেশি বন্ধু হস্তক্ষেপ করেনি। বিএনপির বন্ধুরা যখন নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্
শেখ পরশ বলেন, বিএনপি যখনই ক্ষমতায় এসেছে, তারা এদেশের দুঃখী-দরিদ্র, বঞ্চিত মানুষদের আরও বঞ্চিত করেছে। বাংলাদেশের নাগরিকদের বিরুদ্ধে এটা তাদের বদলা। বিএনপি-জামায়াতের উদ্দেশ্যই হচ্ছে এদেশের জনগণের ওপর অত্যাচার করা ও বাংলাদেশকে একটা ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করা।
নাছিম বলেন, নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ২৫ মার্চের কালো রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীরা নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল।তারা ছাত্র-ছাত্রী যুবক-যুবতী কাউকে ছাড়েনি। নির্মমভাবে সবাইকে হত্যা করে। তারা রাজারবাগ পুলিশ লাইন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল গুলোকে টার্গেট করে হত্যাযোগ্য চালায়। তাদের লক্ষ্য ছিল একটাই দেশকে
নাছিম বলেন, যারা দ্রব্যমূল্য নিয়ে কারসাজি ও মজুদদারি করে মানুষের কষ্ট বৃদ্ধি করে সে সকল অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আমরা সব সময় সোচ্চার। তাদের এই অপকর্মকে আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। তাদের বিপক্ষে সব সময় সরকারের অবস্থান রয়েছে। সরকার তার জায়গা থেকে যেমন প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তেমনি আমাদের নেতাক
বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভির শাল চাদর পুড়িয়ে ভারতীয় পণ্য বর্জন প্রসঙ্গে মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, শীতকালের শালচাদর গরম কালে পুড়িয়ে মানুষের আস্থা অর্জন করা যায় না। আওয়ামী লীগ দেশের জনগণের উপর আস্থাঅর্জনশীল দল।
মধ্যবর্তী নির্বাচনের কোনো চিন্তা আছে কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সরকার এ ধরনের চিন্তাভাবনা কেন করবে? এর কোনো যুক্তি নেই, বাস্তবতা নেই। নির্বাচন যখন হওয়ার তখন হবে সংবিধান অনুসারে। আমাদের সংবিধানে মধ্যবর্তী নির্বাচন বলতে কিছু নেই।
বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আপনারা ভারত থেকে আসা পেয়াঁজ খাবেন, আপনাদের নেত্রী ভারত থেকে আসা শাড়ি পরিধান করবেন, আপনাদের নেত্রী যেগুলো মাঠে গলা ফাটায় - তারাও আবার ভারতীয় শাড়ি পড়বেন। ভারত থেকে আসা গরুর মাংস দিয়ে আপনারা ইফতার করবেন, সেহেরি খাবেন। ক'দিন আগে তাদের নেতা ভারতে চিকিৎসা নিতে
এতে বলা হয়, সোমবার বিকাল ২টায় ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আওয়ামী লীগের যৌথ উদ্যোগে গণহত্যা দিবস উপলক্ষে এই সমাবেশের আয়োজন করেছে। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছেন। আমি আপনাদের সকলের কাছে কৃতজ্ঞ। নির্বাচনের পরে নিয়ম অনুযায়ী সবার কাছে যেতে হয়।আমি যেতে পারিনি। আপনারা কেউ মনে কষ্ট নিবেন না। আমি সেবক হিসেবে বারবার আপনাদের কাছে আসব।
নানক বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে খুনিদের অবাধ বিচরণ প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। যাদের আমরা মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত করেছিলাম, সেই ঘাতকদের অবাধ চারণভূমিতে পরিণত করেছিল জিয়াউর রহমান ও জেনারেল এরশাদরা। আজকের দিনে বঙ্গবন্ধুর কন্যার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, চিরাচরিত পাকিস্তানি কায়দায় ভারতের বিরোধিতা শুরু করেছে বিএনপি। তারা যখন কোনো রাজনৈতিক ইস্যু না পায়, তখনই এই একটা ইস্যু সামনে নিয়ে আসে। বঙ্গবন্ধুর আমলেও করেছে, এখন শেখ হাসিনার আমলে এবারও তাই করছে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি জামাত সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদীদের সমর্থন ও সহযোগিতা করে। শুধু বাংলাদেশ নয় বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে বিএনপি জামাত সুযোগ পেলে সন্ত্রাস ছড়িয়ে দিবে। এদের সৃষ্ট সন্ত্রাসীরা শুধু বাংলাদেশী মানুষ হত্যা করেনি, এরা আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতসহ বিশ্বের নানা দেশে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড
এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুসারে এতিম ও দুস্থদের মধ্যে ইফতার সামগ্রী বিতরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক উপ-কমিটি। সভায় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় বেগম শামসুন নাহারকে শুভেচ্ছা জানান কমিটির সদস্যরা।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এখন মিডিয়ার সামনে এসে নানা কথা বলা শুরু করেছে। বেশি কথা বললে অনেক কিছু রেকর্ড আছে, সেগুলো ফাঁস করে দেবো। সুতরাং আমরা চিনি জানি কতজন লাইন দিয়েছিল সে তালিকাও আমাদের কাছে আছে।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক জানান, পাকিস্তান আমল থেকেই ভারত বিরোধীতার নামে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি চলছে। আজকে ভারতীয় পণ্য বয়কটের ডাক এটা তারই অবিচ্ছেদ্য অংশ।
আওয়ামী লীগ বিএনপিকে ভাঙার চেষ্টা করছে বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে নানক বলেন, কোন দল ভাঙ্গে? যেটা দল আস্ত থাকে সেটা ভাঙা যায়! যে দলটি (বিএনপি) ভাঙা ট্রেনে উঠে গিয়েছে সে দল নিয়ে আওয়ামী লীগ কেন- বাংলার জনগণেরও কোনো মাথাব্যথা নেই। কত রাজনৈতিক দল ভুল রাজনীতির কারণে বিলীন হয়ে গিয়েছে। স্বাধীনত