আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি যখন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা পায় তখন তারা দুর্নীতি ও লুণ্ঠন করে নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত থাকে। তারা দুর্নীতির মাধ্যমে দেশের সম্ভাবনাকে ধ্বংস করে দিয়েছিল। তারা দুর্নীতির মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিয়েছিল। তা
বিএনপির উদ্দেশ্যে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদেশি প্রভুদের তোষণ, অগ্নিসন্ত্রাস করে মানুষ পুড়িয়ে মারা এবং নির্বাচন বানচালের সংবিধানবিরোধী অপরাজনীতি ছেড়ে শুদ্ধ রাজনীতি চর্চায় ফিরে আসুন। গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোন, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় রাজনীতি করুন।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগ সম্পাদক বলেন, তারা (বিএনপি) বন্ধুরাষ্ট্র বলতে ইন্ডিয়াকে বলেছে। বলেছে তোমরা স্বাধীনতা অর্জনে সাহায্য করেছো, এখন গণতন্ত্র উদ্ধারে তোমাদের সাহায্য চাই। গণতন্ত্র তো আমাদের ঠিকই আছে। তাদের সাহায্য চাওয়ার অর্থ ক্ষমতায় বসিয়ে দেওয়া। নির্বাচন ছাড়া অন্য কোনোভাবে বিদেশি রাষ্ট্র
ড. হাছান বলেন, 'বিএনপি নির্বাচন প্রতিহত করতে গিয়ে জীবন্ত মানুষ পুড়িয়েছে, ট্রেনে আগুন দিয়েছে, তবু নির্বাচন প্রতিহত করতে পারেনি। চমৎকার সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে। বিশ্বের ৮০টি দেশ, ৩২টি আন্তুর্জাতিক সংস্থা প্রধানমন্ত্রীকে পুণরায় নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়েছে। এসব দেখে বিএনপি এখন হায় হায় ক
ওবায়দুল কাদের বলেন, এদেশে বঙ্গবন্ধু পরিবারই সবচেয়ে বড় আদর্শের জায়গা। সততা ও সাহস রাজনীতির প্রধান দুটি গুণ। বঙ্গবন্ধু পরিবারের চরিত্র হননের অপচেষ্টা জিয়াউর রহমান থেকে শুরু করে অনেকেই করে গেছেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের বহুদিনের আকাঙ্ক্ষা স্বাধীনতা এনে দিতে টুঙ্গিপাড়ার এক বীর প্রসূতি মা যাকে জন্ম দিয়ে ধন্য করেছেন তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি প্রথম বাঙালি জাতিকে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্তি দিয়ে স্বাধীন সত্তা বাংলাদেশ সৃষ্টি করেছেন।’
তিনি বলেন, এই বিএনপি জামাত মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে আমাদের দেশের মানুষদের হত্যা করেছিল। তারা জাতির পিতার মহানুভবতাকে দুর্বলতা ভেবে তার সরকারকে উৎখাত করার জন্য জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করেছিল।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিনের যে সন্দেহ ও অবিশ্বাসের দেয়াল ছিল, তা ভেঙে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো বলে সিট মহল বিনিময় ৬৮ বছরের যে সমস্যা তার শান্তিপূর্ণ সমাধান করেছেন। তিস্তাসহ অভিন্ন নদীর পানির বিষয়ে আলোচনা
এদিন টুঙ্গিপাড়ায় সকাল সাড়ে ১০টায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দলটির নেতারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এবং শিশু সমাবেশে অংশগ্রহণ করবেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, সরকারের পরিবর্তন চাইলে আরেকটা নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। নির্বাচন ছাড়া সরকার পরিবর্তনের বিকল্প কোনো ব্যবস্থা নেই। যে পরিবর্তন হয়েছে সেটা গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে হয়েছে।
সিন্ডিকেট কারা করে প্রশ্ন রেখে ওবায়দুল কাদের বলেন, এই সরকার জনগণের প্রতিনিধি। শেখ হাসিনার সরকারের সব কর্মকাণ্ড জনস্বার্থকে সমন্বিত করে। এখন রমজান মাসে সরকারকে বিব্রত করার জন্য সিন্ডিকেট থাকতে পারে। এখন আমাদের খতিয়ে দেখতে হবে এসব অপকর্মের সঙ্গে বিএনপির সম্পৃক্ততা আছে কি না।
তিনি বলেন, রমজান মাসে তারা সংযমের পথ না ধরে অসংযমের মত কর্মকাণ্ড করে। সিয়াম সাধনার মাসে ইসলামের যে মূল স্পিড তা থেকে তারা বের হয়ে গেছে। এরা রমজান মাসে আন্দোলনের নামে যে বেআইনি কার্যক্রম করে মানুষের ধর্ম পালনে বাধা সৃষ্টি করছে তার কারণে ইতোমধ্যে এদের বিপক্ষে জনমত তৈরি হয়েছে। জনগণের আস্থা ও সমর্থন
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি নেতারা অবিবেচনাপ্রসূত ও অযৌক্তিকভাবে মিডিয়ার সামনে সংলাপের মাধ্যমে আলাপ-আলোচনার বিষয়টি উত্থাপন করেছে। রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের ভারে বিধ্বস্ত জনবিচ্ছিন্ন বিএনপির এই আলোচনার আবদার অর্থহীন। কারণ তারা দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক রীতি-নীতির তোয়াক্কা না কর
তিনি বলেন, বিএনপি দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় ধরে তাদের তথাকথিত সরকারবিরোধী আন্দোলনের নামে দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের পাঁয়তারা করে আসছে। কিন্তু তাদের ডাকে জনগণ কখনোই সাড়া দেয়নি। বরং তারা জনগণ দ্বারা বারবার প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। ফলে বিএনপি তথাকথিত আন্দোলনের মাধ্যমে গণসম্পৃক্ততার কোনো স
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এর মধ্যে কাগজে (পত্রিকায়) দেখলাম, বিএনপির মির্জা আব্বাস বলেছে- কৌশল করে তাদের নির্বাচন থেকে বাইরে রাখা হয়েছে। আপনারা বেশি কৌশল করতে গিয়ে নিজেরা বাইরে চলে গেছেন। আমরা চেয়েছিলাম, আপনারা নির্বাচনে আসেন। ওনারা বেশি কৌশল করতে গিয়ে নির্বাচন থেকে বাইরে চলে গেছেন।
তিনি বলেন, বিএনপি ও জামায়াত চায় মানুষের দুঃখ-কষ্ট যাতে বৃদ্ধি পায়। এজন্য যা যা সম্ভব তারা তাই করছে। তারা মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। এরা কখনো দেশের ভালো চায় না। এরা দেশকে ধ্বংস করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে চায়। এদের নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশের বাস্তবতা বুঝতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে বিএনপি ক্রমাগত রাজনীতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। রোববার (১০ মার্চ) ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।