বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, চট্টগ্রামে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন, আবার তিনি শহিদ হয়েছিলেন। চট্টগ্রামে খালেদা জিয়াকে ‘দেশনেত্রী’ উপাধি দেওয়া হয়েছিল। এই চট্টগ্রামের সঙ্গে আমি এবং আমার পরিবারের আত্মার ও আবেগের সম্পর্ক রয়েছে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে তিনি সমাবেশস্থলে ঢুকে মঞ্চে না উঠে নেতাকর্মীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। পরে তিনি মঞ্চে ওঠেন। দীর্ঘ ২০ বছর পর চট্টগ্রামের কোনো রাজনৈতিক সমাবেশে যোগ দিলেন তিনি।
একই সাথে তরুণ উদ্যোক্তা ও শিক্ষার্থীদের জন্য আশার বাণী শুনিয়ে তারেক রহমান বলেন, তরুণ উদ্যোক্তা ও শিক্ষার্থীদের জন্য তারেক বলেন, আমরা ছোট উদ্যোক্তাদের সহজে ব্যবসা করতে সাহায্য করতে চাই। আইন পুরোপুরি পাল্টানো সম্ভব না হলেও, যেখানে সম্ভব তাতে সংশোধন আনা হবে। যেমন, স্টুডেন্ট লোনের মাধ্যমে যারা বিদেশে পড়
রোববারের মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দুই দশকেরও বেশি সময় পর তার চট্টগ্রাম সফরকে কেন্দ্র করে নগর ও আশপাশের জেলাগুলোর নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। আয়োজকদের প্রত্যাশা, পলোগ্রাউন্ড মাঠে কয়েক লাখ মানুষের সমাগম হবে এবং শান্তিপূর্ণ ও সু
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিএনপি হচ্ছে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের প্রধান শক্তি। বিএনপি কারো সঙ্গে কখনও আপস করেনি, করবেও না। দেশের জনগণের কাছে বিএনপির অবস্থান অনেক পরিষ্কার।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে কোনো প্রতিশ্রুতি নেই জানিয়ে ঢাকা-৮ আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, আমার কোনো প্রতিশ্রুতি নেই, জনগণের যখন যা প্রয়োজন হবে, তখন তা-ই করব।
আজ শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি কেরানীগঞ্জের হযরতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
শিশুদের সঠিক শিক্ষাদানের জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনেক বেশি যোগ্য ও দক্ষ করতে চান বলে জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
মির্জা ফখরুল বলেন, আপনাদের ১৯৭১ সালের কথা মনে আছে, যুদ্ধের কথা মনে আছে। আমরা নিজেরাই পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে নিয়ে স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছি। কেউ বাইরে থেকে এসে আমাদের হয়ে যুদ্ধ করে দেয়নি। আমরা বাংলাদেশ ছেড়ে কোথাও যাইনি। আপনারাই বিচার করুন, তারা স্বাধীনতার পক্ষে ছিল নাকি বিপক্ষে।
ভারতের সঙ্গে বিএনপির চুক্তির অভিযোগকে 'ভিত্তিহীন' এবং 'উদ্দেশ্যপ্রণোদিত রাজনৈতিক অপপ্রচার' হিসেবে আখ্যায়িত করেছে বিএনপি।
তবে প্রচারণায় দুই দলের নেতাদের বক্তব্যে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিএনপি ও জামায়াত বাংলাদেশের পুরোনো রাজনৈতিক ধারা মেনেই নিজেদের জয় সুনিশ্চিত করতে চাইছে। এজন্য তারা চিরচেনা বাকযুদ্ধে লিপ্ত হচ্ছে এবং সামনের দিনগুলোতে এই প্রবণতা আরও বাড়তে পারে।
নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, কৃষকদের জন্য বিশেষ কার্ড চালু এবং সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করে কৃষির উন্নয়নে কাজ করবে বিএনপি। পাশাপাশি যুবকদের জন্য প্রশিক্ষণ ও শিক্ষার ব্যবস্থা করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হবে, যাতে তারা দেশে কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করতে পারে, বিদেশে দক্ষ শ্রমিক হিসেব
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা এলাকার চরবস্তি, বিজয়নগর, ফুলছরি পাড়া, নিজাম মার্কেট, দক্ষিণপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগকালে বিভিন্ন পথসভায় তিনি এ কথা বলেন। গণসংযোগে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী, সাধারণ জণগণ, নারী, তরুণের অংশগ্রহণ করেন।
তিনি বলেন, ১৯৯১ সালেও ধানের শীষ বিজয়ী হওয়ার মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়েছিল। এরপর তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ দেড়যুগ আন্দোলনের মাধ্যমে দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ বিদায় নিয়েছে। যখনই ধানের শীষ জয়ী হয়, তখন দেশের গণতন্ত্র জয়লাভ করে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) নির্বাচনি প্রচারের প্রথম দিন সিলেট থেকে সমাবেশ শুরু করেন তিনি। এ দিন বেলা ১২টায় সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে প্রথম নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য রাখেন তারেক রহমান। সর্বশেষ নরসিংদীর সমাবেশে বক্তব্য দিয়ে রাত ৪টার কিছু পর তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।