
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টার মধ্যে ফলাফল ঘোষণা না হলে সেটিকে অসৎ উদ্দেশ্যের ইঙ্গিত হিসেবে ধরে নেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী মির্জা আব্বাস।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর নয়াপল্টনে আনন্দ কমিউনিটি সেন্টারে হাব, বায়রা ও অ্যাটাব—এই তিন সংগঠনের সঙ্গে এক নির্বাচনি মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, শুনছি নির্বাচনের ফল ঘোষণা করতে অনেক সময় লাগবে। কেন? নির্বাচন শেষ হওয়ার দুই ঘণ্টার মধ্যেই ফল দেওয়া সম্ভব, সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টা লাগতে পারে। এর বেশি সময় হলেই বুঝতে হবে অসৎ কোনো উদ্দেশ্য আছে। শেখ হাসিনা এক স্টাইলে কাজ করেছেন, আপনারা আরেক স্টাইলে করবেন—তা হতে পারে না। ফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কোনো পোলিং এজেন্ট ঘরে ফিরে যাবে না।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিএনপির বিরুদ্ধে এখনও ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে। মনে হচ্ছে, শুধু ঢাকা-৮ আসনেই নির্বাচন হচ্ছে। এমন পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা চলছে, যাতে এখানকার ঘটনা দেখিয়ে সারাদেশের নির্বাচন বানচাল করা যায়। নানা ধরনের উসকানি দেওয়া হচ্ছে। আমরা ধৈর্য ধারণ করছি। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া, তিনি আমাকে ধৈর্য ধরার শক্তি দিয়েছেন।
ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শুধু তাকে সমর্থন দিলেই চলবে না, দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে হবে। প্রতিটি ওয়ার্ড ও বাজারে যদি ১০ জন ভোটারের সঙ্গে কথা বলেন, তাহলে সেটিই হবে আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। শুধু আমার জয় নয়, সারাদেশে বিএনপির জয় নিশ্চিত করাই লক্ষ্য।
বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, হাসিনা চলে যাওয়ার পর আমরা যতটা ভালো থাকার কথা ছিল, ততটা ভালো নেই। শুধু পুলিশি নির্যাতন থেকে মুক্তি পেয়েছি—এর বাইরে কোথাও স্বস্তি নেই। এটা আমাদের দুর্ভাগ্য।
নির্বাচনকে ত্যাগের ফসল উল্লেখ করে মির্জা আব্বাস বলেন, এই নির্বাচন কোনো দান নয়। মুক্তিযুদ্ধও কোনো দান ছিল না। ১৭ বছর ধরে আমরা আন্দোলন করেছি, অসংখ্য মানুষ শহিদ হয়েছেন, গুম হয়েছেন। সেই ত্যাগের ওপর দাঁড়িয়েই আজকের এই নির্বাচন।
নিজের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আজ অনেকে বলে বয়স হয়ে গেছে। কিন্তু যে অভিজ্ঞতা আমার আছে, তা নতুনদের নেই। রাজনীতি শুধু স্লোগান বা সভা-সমাবেশ নয়, সারাজীবনের কর্মফলই শেষ পর্যন্ত ভোটে প্রতিফলিত হয়।
তিনি আরও বলেন, আজ কিছু অর্বাচীন ছেলে গজিয়েছে, যারা শুধু বকাবাজি করে। এলাকার মানুষ আমাকে চেনে। ঢাকা-৮ একটি ব্যবসায়িক এলাকা—কোনো ব্যবসায়ী বলতে পারবে না যে স্বার্থের জন্য আমাকে এক কাপ চা খাওয়াতে পেরেছে। দেশকে এই অর্বাচীনদের হাত থেকে বাঁচাতে আন্দোলন নয়, ভোটই যথেষ্ট।
শেষে তিনি ভোটার ও কর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কষ্টার্জিত ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে। শুনছি, একটি দল ৪০ লাখ বোরখা বানিয়েছে—নারী সেজে ভুয়া ভোট দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে। সবাইকে এ বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টার মধ্যে ফলাফল ঘোষণা না হলে সেটিকে অসৎ উদ্দেশ্যের ইঙ্গিত হিসেবে ধরে নেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী মির্জা আব্বাস।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর নয়াপল্টনে আনন্দ কমিউনিটি সেন্টারে হাব, বায়রা ও অ্যাটাব—এই তিন সংগঠনের সঙ্গে এক নির্বাচনি মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, শুনছি নির্বাচনের ফল ঘোষণা করতে অনেক সময় লাগবে। কেন? নির্বাচন শেষ হওয়ার দুই ঘণ্টার মধ্যেই ফল দেওয়া সম্ভব, সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টা লাগতে পারে। এর বেশি সময় হলেই বুঝতে হবে অসৎ কোনো উদ্দেশ্য আছে। শেখ হাসিনা এক স্টাইলে কাজ করেছেন, আপনারা আরেক স্টাইলে করবেন—তা হতে পারে না। ফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কোনো পোলিং এজেন্ট ঘরে ফিরে যাবে না।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিএনপির বিরুদ্ধে এখনও ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে। মনে হচ্ছে, শুধু ঢাকা-৮ আসনেই নির্বাচন হচ্ছে। এমন পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা চলছে, যাতে এখানকার ঘটনা দেখিয়ে সারাদেশের নির্বাচন বানচাল করা যায়। নানা ধরনের উসকানি দেওয়া হচ্ছে। আমরা ধৈর্য ধারণ করছি। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া, তিনি আমাকে ধৈর্য ধরার শক্তি দিয়েছেন।
ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শুধু তাকে সমর্থন দিলেই চলবে না, দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে হবে। প্রতিটি ওয়ার্ড ও বাজারে যদি ১০ জন ভোটারের সঙ্গে কথা বলেন, তাহলে সেটিই হবে আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। শুধু আমার জয় নয়, সারাদেশে বিএনপির জয় নিশ্চিত করাই লক্ষ্য।
বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, হাসিনা চলে যাওয়ার পর আমরা যতটা ভালো থাকার কথা ছিল, ততটা ভালো নেই। শুধু পুলিশি নির্যাতন থেকে মুক্তি পেয়েছি—এর বাইরে কোথাও স্বস্তি নেই। এটা আমাদের দুর্ভাগ্য।
নির্বাচনকে ত্যাগের ফসল উল্লেখ করে মির্জা আব্বাস বলেন, এই নির্বাচন কোনো দান নয়। মুক্তিযুদ্ধও কোনো দান ছিল না। ১৭ বছর ধরে আমরা আন্দোলন করেছি, অসংখ্য মানুষ শহিদ হয়েছেন, গুম হয়েছেন। সেই ত্যাগের ওপর দাঁড়িয়েই আজকের এই নির্বাচন।
নিজের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আজ অনেকে বলে বয়স হয়ে গেছে। কিন্তু যে অভিজ্ঞতা আমার আছে, তা নতুনদের নেই। রাজনীতি শুধু স্লোগান বা সভা-সমাবেশ নয়, সারাজীবনের কর্মফলই শেষ পর্যন্ত ভোটে প্রতিফলিত হয়।
তিনি আরও বলেন, আজ কিছু অর্বাচীন ছেলে গজিয়েছে, যারা শুধু বকাবাজি করে। এলাকার মানুষ আমাকে চেনে। ঢাকা-৮ একটি ব্যবসায়িক এলাকা—কোনো ব্যবসায়ী বলতে পারবে না যে স্বার্থের জন্য আমাকে এক কাপ চা খাওয়াতে পেরেছে। দেশকে এই অর্বাচীনদের হাত থেকে বাঁচাতে আন্দোলন নয়, ভোটই যথেষ্ট।
শেষে তিনি ভোটার ও কর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কষ্টার্জিত ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে। শুনছি, একটি দল ৪০ লাখ বোরখা বানিয়েছে—নারী সেজে ভুয়া ভোট দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে। সবাইকে এ বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৫ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে