
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

একাত্তরের স্বাধীনতা বিরোধীদের হাতে দেশ কখনো নিরাপদ হতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের পশ্চিম আকচা এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, যারা মুক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা ও নির্যাতনে লিপ্ত ছিল এবং এখনো ক্ষমা চায়নি, তাদের থেকে ভোটারদের সচেতন থাকতে হবে। একইসঙ্গে বর্তমান নির্বাচনে এটিই তার শেষ লড়াই উল্লেখ করে তিনি ধানের শীষ মার্কায় ভোট প্রার্থনা করেন।
গণসংযোগে মির্জা ফখরুল বলেন, আরেকটি দল ভোটের জন্য এসেছে যাদের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা। তারা ৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধকে সমর্থন করেনি। তারা অনেক মানুষকে হত্যা করেছে, মা-বোনদের ইজ্জত নষ্ট করেছে। তারা এখনো ক্ষমা চায়নি।
নির্বাচনী প্রচারণায় ভোটারদের সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিকাশ নম্বর কাউকে দেবেন না, এগুলো সব ভাঁওতাবাজি। ভোট দিলে জান্নাতে যাওয়া যাবে-এমন কথা সঠিক নয়। আগামী নির্বাচনে ভোট দিয়ে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে হবে।
নিজের রাজনৈতিক সততার কথা উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, দীর্ঘ সময় আপনাদের পাশে আছি। আমার বাবা এই এলাকায় কাজ করেছেন, আমি মন্ত্রী থাকাকালীনও কেউ বলতে পারবে না দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছি। এবারের নির্বাচনে দলের পক্ষ থেকে আমি প্রার্থী এবং এটিই আমার শেষ নির্বাচন। ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিয়ে আমাকে আপনাদের সেবা করার সুযোগ দিন।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেওয়া প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মাফ করা হবে। এনজিও ঋণের ভার থেকে মায়েদের মুক্তি দেওয়া হবে। এছাড়া মায়েদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড এবং শিক্ষিত বেকারদের জন্য ১৮ মাসে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

একাত্তরের স্বাধীনতা বিরোধীদের হাতে দেশ কখনো নিরাপদ হতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের পশ্চিম আকচা এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, যারা মুক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা ও নির্যাতনে লিপ্ত ছিল এবং এখনো ক্ষমা চায়নি, তাদের থেকে ভোটারদের সচেতন থাকতে হবে। একইসঙ্গে বর্তমান নির্বাচনে এটিই তার শেষ লড়াই উল্লেখ করে তিনি ধানের শীষ মার্কায় ভোট প্রার্থনা করেন।
গণসংযোগে মির্জা ফখরুল বলেন, আরেকটি দল ভোটের জন্য এসেছে যাদের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা। তারা ৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধকে সমর্থন করেনি। তারা অনেক মানুষকে হত্যা করেছে, মা-বোনদের ইজ্জত নষ্ট করেছে। তারা এখনো ক্ষমা চায়নি।
নির্বাচনী প্রচারণায় ভোটারদের সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিকাশ নম্বর কাউকে দেবেন না, এগুলো সব ভাঁওতাবাজি। ভোট দিলে জান্নাতে যাওয়া যাবে-এমন কথা সঠিক নয়। আগামী নির্বাচনে ভোট দিয়ে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে হবে।
নিজের রাজনৈতিক সততার কথা উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, দীর্ঘ সময় আপনাদের পাশে আছি। আমার বাবা এই এলাকায় কাজ করেছেন, আমি মন্ত্রী থাকাকালীনও কেউ বলতে পারবে না দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছি। এবারের নির্বাচনে দলের পক্ষ থেকে আমি প্রার্থী এবং এটিই আমার শেষ নির্বাচন। ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিয়ে আমাকে আপনাদের সেবা করার সুযোগ দিন।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেওয়া প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মাফ করা হবে। এনজিও ঋণের ভার থেকে মায়েদের মুক্তি দেওয়া হবে। এছাড়া মায়েদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড এবং শিক্ষিত বেকারদের জন্য ১৮ মাসে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির বলেন, রাষ্ট্রপতি দেশের সার্বজনীন ঐক্যের ও সর্বজনের আস্থার প্রতিক। নবনির্বাচিত মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও জাতির স্বার্থে দায়িত্ব পালন করার অনুরোধ করছি।
৫ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার বিকেলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। এতে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ২৫৫ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী অলি আহমদ পান ৮৮ ভোট।
৫ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী অলি আহমদের চেয়ে ১৬৭ ভোট বেশি পেয়েছেন তিনি। এই নির্বাচনের দিনেও ফের আলোচনায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ।
৬ ঘণ্টা আগে