
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জামায়াতকে উদ্দেশ্য করে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, ‘আপনারা বুঝে শুনে কথা বলেন। অতীতে আপনারা বুঝে শুনে কথা বলেন নাই।’
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) আয়োজিত এক মানববন্ধন ও প্রতিবাদ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের (বীর উত্তম) ছবিও অবমাননা ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য-কটূক্তির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদী গণসংগীত অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জাসাস।
জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ‘গতকাল (বুধবার) গোপালগঞ্জ যে আক্রমণ এবং ন্যক্কারজনক হত্যাকাণ্ড হয়েছে, সে আক্রমণ কি বোঝাতে চেয়েছে আমরা জানি না। এটা কিসের আলামত? যখনই লন্ডনে আমার নেতা তারেক রহমানের সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়েছে তখনই একটি পক্ষ দেশের মধ্যে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। আমরা কিন্তু ভেসে আসি নাই। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। শুধু স্বাধীনতার ঘোষণা করে বসে থাকেননি, সেক্টর কমান্ডার হিসেবে রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেছেন।’
জামায়াতকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘আপনারা বুঝে শুনে কথা বলেন। অতীতে আপনারা বুঝে শুনে কথা বলেন নাই। ১৯৭১ সালে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী যখন বাঙালির ওপর হামলা করে, তখন কারা আনন্দ মিছিল করেছে? কারা পাকিস্তানের পক্ষে ছিল? তা সবাই জানে। আপনাদের ইতিহাস জাতি জানে, আপনাদের ইতিহাস জাতির কাছে প্রকাশ করতে চাই না। আপনারা জাতির কাছে ক্ষমা চান।’
জাসাস আহ্বায়ক চিত্রনায়ক হেলাল খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাসাস সদস্যসচিব জাকির হোসেন, সংগীতশিল্পী ন্যান্সি, যুগ্ম আহ্বায়ক আহসানুল্লাহ জনিসহ প্রমুখ।

জামায়াতকে উদ্দেশ্য করে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, ‘আপনারা বুঝে শুনে কথা বলেন। অতীতে আপনারা বুঝে শুনে কথা বলেন নাই।’
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) আয়োজিত এক মানববন্ধন ও প্রতিবাদ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের (বীর উত্তম) ছবিও অবমাননা ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য-কটূক্তির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদী গণসংগীত অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জাসাস।
জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ‘গতকাল (বুধবার) গোপালগঞ্জ যে আক্রমণ এবং ন্যক্কারজনক হত্যাকাণ্ড হয়েছে, সে আক্রমণ কি বোঝাতে চেয়েছে আমরা জানি না। এটা কিসের আলামত? যখনই লন্ডনে আমার নেতা তারেক রহমানের সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়েছে তখনই একটি পক্ষ দেশের মধ্যে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। আমরা কিন্তু ভেসে আসি নাই। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। শুধু স্বাধীনতার ঘোষণা করে বসে থাকেননি, সেক্টর কমান্ডার হিসেবে রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেছেন।’
জামায়াতকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘আপনারা বুঝে শুনে কথা বলেন। অতীতে আপনারা বুঝে শুনে কথা বলেন নাই। ১৯৭১ সালে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী যখন বাঙালির ওপর হামলা করে, তখন কারা আনন্দ মিছিল করেছে? কারা পাকিস্তানের পক্ষে ছিল? তা সবাই জানে। আপনাদের ইতিহাস জাতি জানে, আপনাদের ইতিহাস জাতির কাছে প্রকাশ করতে চাই না। আপনারা জাতির কাছে ক্ষমা চান।’
জাসাস আহ্বায়ক চিত্রনায়ক হেলাল খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাসাস সদস্যসচিব জাকির হোসেন, সংগীতশিল্পী ন্যান্সি, যুগ্ম আহ্বায়ক আহসানুল্লাহ জনিসহ প্রমুখ।

জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে
লংমার্চের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আপনাদের দাবিতে আমরা রাস্তায় নেমেছি। কোনো দলীয় নয়, ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে নেমেছি।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থে ঘোষিত আট দফা দাবি যেকোনো সময় এক দফায় রূপ নিতে পারে।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর জনগণের অধিকার হরণ করছে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অতীতে যারা গণতন্ত্র ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের স্থান ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে হয়েছে।
২ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, ১১ দলীয় লংমার্চ দেখে অনেকের মাথা গরম হয়ে গেছে, জাতির প্রয়োজনে ৮ দফা এক দফায় পরিণত হতে পারে। তিনি আরও বলেন, এক দফা আসলে পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ হবে।
২ দিন আগে