
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি নেতা লুৎফুজ্জামান বাবর বলেছেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিষয়ে বেগম খালেদা জিয়া কোনো আপস করেননি।
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের কবর জিয়ারত শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।
লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, “আমাদের নেত্রী জনগণের জানমাল নিরাপত্তায় আপসহীন ছিলেন। তার নির্দেশনায় আমরা র্যাব গঠন করেছিলাম। কিন্তু, র্যাবকে এক ঘণ্টা বা একদিনের জন্যও দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করা হয়নি। র্যাবকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করেছি—এ কথা কেউ প্রমাণ করতে পারবে না। অন্যায় করলে বিএনপি নেতাকর্মীদেরও ছাড় দেওয়া হতো না। এ ধরনের নেত্রী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া।”
তিনি আরও বলেন, “স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নেত্রীর মধ্যে যে গুণাবলী আমি দেখেছি, তা আর কারও মধ্যে পাইনি। অনেক পরে এসে তার ছেলে, আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মধ্যে সেই গুণাবলী দেখেছি। আশা করি, তাঁর নেতৃত্বে আমরা ভবিষ্যতে জনগণের রাষ্ট্র গঠন করতে পারব।”
লুৎফুজ্জামান বাবর জানান, তিনি রাজনৈতিক কোনো উদ্দেশ্যে কবর জিয়ারত করেননি। তিনি বলেন, “সকালে ঘুম থেকে উঠে এখানে এসেছি। এটি আমার ব্যক্তিগত আবেগ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুমতি নিয়ে এসেছি।”
তিনি শেষ করেন, “নেত্রীর সঙ্গে আমি অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছি। তার দেশপ্রেম দেখেছি। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে উনি কোনো আপস করেননি।”

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি নেতা লুৎফুজ্জামান বাবর বলেছেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিষয়ে বেগম খালেদা জিয়া কোনো আপস করেননি।
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের কবর জিয়ারত শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।
লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, “আমাদের নেত্রী জনগণের জানমাল নিরাপত্তায় আপসহীন ছিলেন। তার নির্দেশনায় আমরা র্যাব গঠন করেছিলাম। কিন্তু, র্যাবকে এক ঘণ্টা বা একদিনের জন্যও দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করা হয়নি। র্যাবকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করেছি—এ কথা কেউ প্রমাণ করতে পারবে না। অন্যায় করলে বিএনপি নেতাকর্মীদেরও ছাড় দেওয়া হতো না। এ ধরনের নেত্রী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া।”
তিনি আরও বলেন, “স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নেত্রীর মধ্যে যে গুণাবলী আমি দেখেছি, তা আর কারও মধ্যে পাইনি। অনেক পরে এসে তার ছেলে, আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মধ্যে সেই গুণাবলী দেখেছি। আশা করি, তাঁর নেতৃত্বে আমরা ভবিষ্যতে জনগণের রাষ্ট্র গঠন করতে পারব।”
লুৎফুজ্জামান বাবর জানান, তিনি রাজনৈতিক কোনো উদ্দেশ্যে কবর জিয়ারত করেননি। তিনি বলেন, “সকালে ঘুম থেকে উঠে এখানে এসেছি। এটি আমার ব্যক্তিগত আবেগ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুমতি নিয়ে এসেছি।”
তিনি শেষ করেন, “নেত্রীর সঙ্গে আমি অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছি। তার দেশপ্রেম দেখেছি। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে উনি কোনো আপস করেননি।”

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৪ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৮ দিন আগে