
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

১১ দলীয় জোট থেকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বেরিয়ে যাওয়ায় তাদের জন্য রাখা ৪৭টি আসনে জোটের তরফ থেকে দুয়েকদিনের মধ্যেই প্রার্থী ঘোষণা দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
রবিবার দুপুরে রাজধানীর মগবাজার দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
তিনি জানান, ইসলামী আন্দোলন জোটে না আসায় ফাঁকা থাকা ৪৭ আসনে আজ-কালকের মধ্যেই ১০ দলের প্রার্থিতা চূড়ান্ত করা হবে। এছাড়া ১০ দলের সমন্বিত নির্বাচনী ইশতেহারের বিষয়েও ভাবা হচ্ছে।
জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, আগামী ২২ জানুয়ারি ঢাকা থেকে ১০ দলের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শুরু হবে। ফেব্রুয়ারির ১০ তারিখের মধ্যেই প্রচার-প্রচারণা শেষ হবে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন ছাড়া জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটে থাকা ১০ দলের চূড়ান্ত আসন ভাগাভাগির বিষয়ে জানানো হয়। ওইদিন সংবাদ সম্মেলনে আসন ভাগাভাগির বিষয়ে জানান জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, মোট ২৫৩ আসনে ১০ দলের সমঝোতা চূড়ান্ত হয়েছে। এরমধ্যে নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১৭৯ আসন থেকে লড়বে। পাশাপাশি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০ আসনে প্রার্থী দেবে। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি ও খেলাফত মজলিস ১০টি আসনে লড়বে।
অন্যদিকে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৭টি, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ৩টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) ২টি ও নেজাম ইসলাম পার্টি ২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
তবে ১০ দলের চূড়ান্ত আসন সমঝোতার পরদিন শুক্রবার বিকালে এক সংবাদ সম্মেলনে জোট থেকে বেরিয়ে এককভাবে নির্বাচনের ঘোষণা দেয় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সংবাদ সম্মেলনে দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান জানান, ১১ দলের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নেবে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলের কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবে না, এককভাবে ২৬৮ আসনে নির্বাচন করবে।
এছাড়াও সেদিনের সংবাদ সম্মেলনে বাকি ৩২টি আসনে দলের নীতি-আদর্শের সঙ্গে মিল থাকা সৎ ও যোগ্য প্রার্থীদের সমর্থন দেওয়া হবে বলেও জানায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

১১ দলীয় জোট থেকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বেরিয়ে যাওয়ায় তাদের জন্য রাখা ৪৭টি আসনে জোটের তরফ থেকে দুয়েকদিনের মধ্যেই প্রার্থী ঘোষণা দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
রবিবার দুপুরে রাজধানীর মগবাজার দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
তিনি জানান, ইসলামী আন্দোলন জোটে না আসায় ফাঁকা থাকা ৪৭ আসনে আজ-কালকের মধ্যেই ১০ দলের প্রার্থিতা চূড়ান্ত করা হবে। এছাড়া ১০ দলের সমন্বিত নির্বাচনী ইশতেহারের বিষয়েও ভাবা হচ্ছে।
জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, আগামী ২২ জানুয়ারি ঢাকা থেকে ১০ দলের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শুরু হবে। ফেব্রুয়ারির ১০ তারিখের মধ্যেই প্রচার-প্রচারণা শেষ হবে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন ছাড়া জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটে থাকা ১০ দলের চূড়ান্ত আসন ভাগাভাগির বিষয়ে জানানো হয়। ওইদিন সংবাদ সম্মেলনে আসন ভাগাভাগির বিষয়ে জানান জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, মোট ২৫৩ আসনে ১০ দলের সমঝোতা চূড়ান্ত হয়েছে। এরমধ্যে নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১৭৯ আসন থেকে লড়বে। পাশাপাশি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০ আসনে প্রার্থী দেবে। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি ও খেলাফত মজলিস ১০টি আসনে লড়বে।
অন্যদিকে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৭টি, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ৩টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) ২টি ও নেজাম ইসলাম পার্টি ২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
তবে ১০ দলের চূড়ান্ত আসন সমঝোতার পরদিন শুক্রবার বিকালে এক সংবাদ সম্মেলনে জোট থেকে বেরিয়ে এককভাবে নির্বাচনের ঘোষণা দেয় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সংবাদ সম্মেলনে দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান জানান, ১১ দলের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নেবে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলের কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবে না, এককভাবে ২৬৮ আসনে নির্বাচন করবে।
এছাড়াও সেদিনের সংবাদ সম্মেলনে বাকি ৩২টি আসনে দলের নীতি-আদর্শের সঙ্গে মিল থাকা সৎ ও যোগ্য প্রার্থীদের সমর্থন দেওয়া হবে বলেও জানায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

জামায়াতের এই নেতা অভিযোগ করে বলেন, ‘বিএনপি একই আদেশে অনুষ্ঠিত নির্বাচন মেনে সরকার গঠন করলেও গণভোটের ফলাফল মানছে না। প্রায় ৫ কোটি ভোটার গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিয়ে বিএনপির নোট অব ডিসেন্ট প্রত্যাখ্যান করেছে। বিএনপি এখন সেই গণভোট বাতিলের উদ্যোগ নিয়ে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করছে। রাষ্ট্র সংস্কারের প্রস্তাবগুলো ব
২ দিন আগে
বিএনপি সরকারের গণভোটের গণরায় উপেক্ষা ও রাষ্ট্র সংস্কারের জরুরি অধ্যাদেশগুলো বাতিল এবং সমসাময়িক বিষয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
২ দিন আগে
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘একটি দল বিভাজন আনার চেষ্টা করছে। এ বিভাজনগুলো আমাদের সমাজকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। হিংসা বিদ্বেষ তৈরি করে। একটি শব্দ যেটিকে আমরা ঘৃণা করি। এ শব্দটাকে আমাদের সকলের ঘৃণা করা উচিত। মানুষের প্রতি আমাদের ভালোবাসা, ভ্রাতৃত্ব আরও বেশি করে সৃষ্টি করা উচিত।’
২ দিন আগে
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘খুব দ্রুত কীভাবে আমরা দলকে কাউন্সিলের দিকে নিয়ে যেতে পারি, সে বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। এটাই ছিল মূল আলোচনা। খুব দ্রুত আমরা দলকে কাউন্সিলের দিকে যেতে চেষ্টা করব।’
২ দিন আগে