
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ইরান যুদ্ধের জের ধরে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট নিয়ে সরকার প্রকৃত তথ্য আড়াল করতে চাইছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের আমির ডা. শফিকুর রহমান।
সরকারের জ্বালানি নীতির তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘পাম্পে তেলের জন্য যানবাহন ও মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন থাকলেও সরকার রিজার্ভ বেশি আছে দাবি করে প্রকৃত সত্য আড়াল করতে চাইছে। সরকারি দলের মন্ত্রী-এমপিদের কথা শুনলে মনে হয় বাংলাদেশ যেন তেলের ওপর ভাসছে।’
সোমবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান। বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করে বলেন, সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে কথা বলতে চাইলে সেই নোটিশ আলোচনাতেই আসতে দেওয়া হয় না।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে যারা সংসদ সদস্য হিসেবে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছেন তারা সবাই কোনো না কোনোভাবে মজলুম বলে মন্তব্য করেন শফিকুর রহমান। বলেন, তাদের কেউ জেল খেটেছেন, কেউ আয়নাঘরে বন্দি ছিলেন, কেউ ফাঁসির মঞ্চ বা নির্বাসন থেকে ফিরে এসেছেন। এমন ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত সংসদ যদি জনগণের দুঃখ না বোঝে, তবে আর কে বুঝবে?
জুলাই অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে জামায়াত আমির বলেন, বর্তমান প্রজন্ম কেবল ব্যক্তি পরিবর্তনের জন্য লড়াই করেনি, তারা ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের জন্য যুদ্ধ করেছে। বিগত নির্বাচনে ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে রায় দিয়েছিল। কিন্তু সেই রায়কে ‘হাইজ্যাক’ ও ‘ডাকাতি’ করা হয়েছে।
ক্ষমতাসীন বিএনপি গণভোট অনুযায়ী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে রাজপথে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, যেদিন গণভোটের রায়কে অস্বীকার করা হয়েছে, সেদিন থেকেই বাংলাদেশে নতুন করে ফ্যাসিবাদের যাত্রা শুরু হয়েছে। এই সংসদ মানুক আর না মানুক, জামায়াতে ইসলামী জনগণের রায় বাস্তবায়নে রাজপথে ফিরে যাবে এবং যেকোনো মূল্যে ইনসাফ কায়েম করবে।
জামায়াত আমির বলেন, সংসদে উপস্থিত আমাদের জোটের ৭৭ জন সদস্য জনগণের অধিকার রক্ষায় অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করবে। জাতির ভাগ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেবে না। যেকোনো মূল্যে বাংলাদেশে পুনরায় ফ্যাসিবাদের ফিরে আসা রোধ করা হবে এবং ইনশাআল্লাহ এই অশুভ যাত্রাকে থামিয়ে দেওয়া হবে।
জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধানসহ অন্যান্য নেতারা আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

ইরান যুদ্ধের জের ধরে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট নিয়ে সরকার প্রকৃত তথ্য আড়াল করতে চাইছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের আমির ডা. শফিকুর রহমান।
সরকারের জ্বালানি নীতির তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘পাম্পে তেলের জন্য যানবাহন ও মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন থাকলেও সরকার রিজার্ভ বেশি আছে দাবি করে প্রকৃত সত্য আড়াল করতে চাইছে। সরকারি দলের মন্ত্রী-এমপিদের কথা শুনলে মনে হয় বাংলাদেশ যেন তেলের ওপর ভাসছে।’
সোমবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান। বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করে বলেন, সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে কথা বলতে চাইলে সেই নোটিশ আলোচনাতেই আসতে দেওয়া হয় না।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে যারা সংসদ সদস্য হিসেবে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছেন তারা সবাই কোনো না কোনোভাবে মজলুম বলে মন্তব্য করেন শফিকুর রহমান। বলেন, তাদের কেউ জেল খেটেছেন, কেউ আয়নাঘরে বন্দি ছিলেন, কেউ ফাঁসির মঞ্চ বা নির্বাসন থেকে ফিরে এসেছেন। এমন ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত সংসদ যদি জনগণের দুঃখ না বোঝে, তবে আর কে বুঝবে?
জুলাই অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে জামায়াত আমির বলেন, বর্তমান প্রজন্ম কেবল ব্যক্তি পরিবর্তনের জন্য লড়াই করেনি, তারা ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের জন্য যুদ্ধ করেছে। বিগত নির্বাচনে ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে রায় দিয়েছিল। কিন্তু সেই রায়কে ‘হাইজ্যাক’ ও ‘ডাকাতি’ করা হয়েছে।
ক্ষমতাসীন বিএনপি গণভোট অনুযায়ী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে রাজপথে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, যেদিন গণভোটের রায়কে অস্বীকার করা হয়েছে, সেদিন থেকেই বাংলাদেশে নতুন করে ফ্যাসিবাদের যাত্রা শুরু হয়েছে। এই সংসদ মানুক আর না মানুক, জামায়াতে ইসলামী জনগণের রায় বাস্তবায়নে রাজপথে ফিরে যাবে এবং যেকোনো মূল্যে ইনসাফ কায়েম করবে।
জামায়াত আমির বলেন, সংসদে উপস্থিত আমাদের জোটের ৭৭ জন সদস্য জনগণের অধিকার রক্ষায় অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করবে। জাতির ভাগ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেবে না। যেকোনো মূল্যে বাংলাদেশে পুনরায় ফ্যাসিবাদের ফিরে আসা রোধ করা হবে এবং ইনশাআল্লাহ এই অশুভ যাত্রাকে থামিয়ে দেওয়া হবে।
জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধানসহ অন্যান্য নেতারা আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর জনগণের অধিকার হরণ করছে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অতীতে যারা গণতন্ত্র ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের স্থান ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে হয়েছে।
১ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, ১১ দলীয় লংমার্চ দেখে অনেকের মাথা গরম হয়ে গেছে, জাতির প্রয়োজনে ৮ দফা এক দফায় পরিণত হতে পারে। তিনি আরও বলেন, এক দফা আসলে পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ হবে।
১ দিন আগে
নতুন করে আলোচনা শুরুর ফলে রোহিঙ্গা সংকটকে শুধু একটি মানবিক বোঝা হিসেবে না দেখে আঞ্চলিক সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই সংকটে চীনের কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থও ক্রমেই এক জায়গায় এসে মিলছে। আরও স্থিতিশীল রাখাইন রাজ্য চীনের জন্য বিভিন্ন দিক থেকে লাভজনক হতে পারে।
২ দিন আগে
বর্তমান জাতীয় সংসদে সংশোধিত জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) আইন পাসের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আইনে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, যারা ১৯৭১ সালের পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, তৎকালীন আল বদর, তৎকালীন রাজাকার, তৎকালীন মুসলিম লীগ, তৎকালীন জামায়াতে ইসলামী— এই তৎকালীন শব্দটা আগে
২ দিন আগে