
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আগামীতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সারা বছর ধরে চলবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। জেলায় জেলায় উপজেলায় উপজেলায় তরুণ-তরুণ, বয়স্ক-বয়স্কা উদ্যোক্তাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হবে। সেখান থেকে তিন চারজন করে সেরা উদ্যোক্তা বাছাই করা হবে। তারা চূড়ান্তভাবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণ করবে। এদের সব ব্যয় সরকার বহন করবে।
বুধবার (১ জানুয়ারি) রাজধানীর পূর্বাচলে বাংলাদেশ চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে ২৯তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০২৫ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. ইউনূস বলেন, আগামীতে বাণিজ্য মেলা হবে দেশজুড়ে, বিদেশিদের নিয়ে ঢাকায় কেন্দ্রীয় মেলা হবে। উপজেলা থেকে সেরা উদ্ভাবন আনতে পারলেই হবে প্রকৃত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা।
তিনি বলেন, মানুষ মাত্রই উদ্যোক্তা। মানুষের কাজই হলো নিজের মন মতো কাজ করা। বাণিজ্য মেলা মানুষকে নিজের উদ্যোগকে ও সৃজনশীলতাকে তুলে ধরার সুযোগ দেয়। এ সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।
তিনি বলেন, তরুণরা আমাদের পথপ্রদর্শক। তারা জাতিকে পথপ্রদর্শন করবে। দুনিয়াকে পথ প্রদর্শন করবে। একটা সময় আসবে আন্তর্জাতিক তরুণরা বাংলাদেশে তরুণরা কী করছে তা দেখতে আসবে। বাংলাদেশের তরুণদের কাছ থেকে বুদ্ধি নিতে আসবে, শিখতে আসবে। জয়েন্টবেঞ্চার করতে আসবে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলায় তরুণদের জন্য একটা পৃথক অংশ থাকবে। এখানে ২৫ বছরের কম বয়সী উদ্যোক্তা যারা আসবে। তারা কে কি করে তা দেখাতে পারবে।
তিনি বলেন, অসংখ্য কাজ করে এই তরুণরা। অত্যন্ত চমৎকার বুদ্ধি দিয়ে ব্যবসা নিজে সৃষ্টি করেছে। এদের দেখানো এজন্য প্রয়োজন যে এদের দেখার পর প্রত্যেকের মাথায় সুড়সুড়ি আসবে।
মেলার উদ্দেশ্য হলো সুড়সুড়ি দেওয়া। বিশেষ করে তরুণদের মাথার মধ্যে সুড়সুড়ি দেওয়া। একটা অংশ হবে তরুণদের জন্য তাদের মধ্যে মেয়েদের একটা অংশ হবে। সেখানে তারা কত ধরনের প্রোডাক্ট করছে তা তারা একে অন্যে দেখবে। ছেলেরা মেয়েদেরটা দেখবে মেয়েরাও ছেলেদেরটা দেখবে। দেখে দেখে আরও বুদ্ধি বের হবে। বুদ্ধিতে বুদ্ধিতে ঘষা দিলে আরও বুদ্ধি বের হয়।

আগামীতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সারা বছর ধরে চলবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। জেলায় জেলায় উপজেলায় উপজেলায় তরুণ-তরুণ, বয়স্ক-বয়স্কা উদ্যোক্তাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হবে। সেখান থেকে তিন চারজন করে সেরা উদ্যোক্তা বাছাই করা হবে। তারা চূড়ান্তভাবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণ করবে। এদের সব ব্যয় সরকার বহন করবে।
বুধবার (১ জানুয়ারি) রাজধানীর পূর্বাচলে বাংলাদেশ চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে ২৯তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০২৫ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. ইউনূস বলেন, আগামীতে বাণিজ্য মেলা হবে দেশজুড়ে, বিদেশিদের নিয়ে ঢাকায় কেন্দ্রীয় মেলা হবে। উপজেলা থেকে সেরা উদ্ভাবন আনতে পারলেই হবে প্রকৃত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা।
তিনি বলেন, মানুষ মাত্রই উদ্যোক্তা। মানুষের কাজই হলো নিজের মন মতো কাজ করা। বাণিজ্য মেলা মানুষকে নিজের উদ্যোগকে ও সৃজনশীলতাকে তুলে ধরার সুযোগ দেয়। এ সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।
তিনি বলেন, তরুণরা আমাদের পথপ্রদর্শক। তারা জাতিকে পথপ্রদর্শন করবে। দুনিয়াকে পথ প্রদর্শন করবে। একটা সময় আসবে আন্তর্জাতিক তরুণরা বাংলাদেশে তরুণরা কী করছে তা দেখতে আসবে। বাংলাদেশের তরুণদের কাছ থেকে বুদ্ধি নিতে আসবে, শিখতে আসবে। জয়েন্টবেঞ্চার করতে আসবে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলায় তরুণদের জন্য একটা পৃথক অংশ থাকবে। এখানে ২৫ বছরের কম বয়সী উদ্যোক্তা যারা আসবে। তারা কে কি করে তা দেখাতে পারবে।
তিনি বলেন, অসংখ্য কাজ করে এই তরুণরা। অত্যন্ত চমৎকার বুদ্ধি দিয়ে ব্যবসা নিজে সৃষ্টি করেছে। এদের দেখানো এজন্য প্রয়োজন যে এদের দেখার পর প্রত্যেকের মাথায় সুড়সুড়ি আসবে।
মেলার উদ্দেশ্য হলো সুড়সুড়ি দেওয়া। বিশেষ করে তরুণদের মাথার মধ্যে সুড়সুড়ি দেওয়া। একটা অংশ হবে তরুণদের জন্য তাদের মধ্যে মেয়েদের একটা অংশ হবে। সেখানে তারা কত ধরনের প্রোডাক্ট করছে তা তারা একে অন্যে দেখবে। ছেলেরা মেয়েদেরটা দেখবে মেয়েরাও ছেলেদেরটা দেখবে। দেখে দেখে আরও বুদ্ধি বের হবে। বুদ্ধিতে বুদ্ধিতে ঘষা দিলে আরও বুদ্ধি বের হয়।

দেশের জননিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিতে ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটি বলেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ও সংশ্লিষ্ট বাহিনী ব্যর্থ হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।
১ দিন আগে
জোটের নেতারা পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের মতো বিষয় সামনে আনেন। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার দাবি না মানলে আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
৩ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
৩ দিন আগে