
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

এ দেশের মানুষ ভারতবিরোধী নয় বলে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, ভারতের মতো একটি বন্ধুপ্রতীম দেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ভালো হওয়ার কথা। আমরা আশা করি আমাদের সঙ্গে যতটুকু ভুল বোঝাবুঝি আছে সেটি দূর হবে। তবে এটা পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ভালো বলতে পারবেন।
সোমবার (২ ডিসেম্বর) সকালে এ পাসিং আউট প্যারেড অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, নাগরিক হিসেবে আমি মনে করি আমাদের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশের ভালো রিলেশন থাকার কথা। একটা দেশের সঙ্গে দেশের, মানুষের সঙ্গে মানুষের হয়, কে ক্ষমতায় থাকল না থাকল সেটি বড় কথা নয়। আমরা সবসময় ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব রক্ষা করার জন্য তৈরি।
এ সময় দেশের বিভিন্ন জায়গায় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা রোধে এবং এ থেকে উত্তরণের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, কিছু কিছু জায়গায় সমস্যা হচ্ছে। তবে এর মধ্যে পরিকল্পিত ঘটনাই বেশি। বিশেষ করে গার্মেন্টস সেক্টরের কথা যদি বলি, যেখানে দুই-একটিতে মালিক নেই সেখানে সমস্যা হচ্ছে। তবে এরই মধ্যে সরকার এ নিয়ে চেষ্টা করছে। কিছু জায়গায় সরকারি কোষাগার টাকা দিয়ে শ্রমিকদের বেতন দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রচুর ঋণ নিয়েছে ব্যাংক থেকে, আর ঋণ নেওয়ার পর থেকে একটি পয়সাও শোধ করা হয়নি। সেই ধরনের ফ্যাক্টরিকে কী করা হবে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সরকার কী পদক্ষেপ নিচ্ছে এ বিষয়ে আশা করি দ্রুত আপনারা জানতে পারবেন।
উপদেষ্টা বলেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আরও প্রোঅ্যাকটিভ হবে এবং হচ্ছে। আমরা মনে করি দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে অ্যাকশনে যাওয়া হবে।
নির্বাচন প্রসঙ্গে এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এটা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন। সংস্কার প্রক্রিয়া চলছে, তাই এটি শেষ হলে বিশদ আলোচনা করা যাবে। আর নির্বাচন কমিশনই বলতে পারবে সংস্কার কাজ শেষে কখন কী করা যাবে। নতুন নির্বাচন কমিশনকে কাজ করতে দেওয়া উচিত।
ইসকন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যাকে নিয়ে এত হইচই, তার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক না থাকার কথা ইসকন নিজেরাই বলেছে। আর আমি যেটা মনে করি... আমরা সবাই বাংলাদেশি, সেটাই আমাদের পরিচয়, সেটি যে ধর্মেরই হোক। তবে কেউ কেউ ধর্মকে ব্যবহার করছে, এটা দেশের জন্য শুভকর নয়। আশা করি বিষয়টি নিয়ে একটি সমাধান হয়েছে, তবে যাদের ইনফ্লুয়েন্স আছে, তারা নানা ধরনের কথা বলতেই পারে। আর সেটির পেছনে দৌড়াতে থাকলে এগোতে পারব না।

এ দেশের মানুষ ভারতবিরোধী নয় বলে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, ভারতের মতো একটি বন্ধুপ্রতীম দেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ভালো হওয়ার কথা। আমরা আশা করি আমাদের সঙ্গে যতটুকু ভুল বোঝাবুঝি আছে সেটি দূর হবে। তবে এটা পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ভালো বলতে পারবেন।
সোমবার (২ ডিসেম্বর) সকালে এ পাসিং আউট প্যারেড অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, নাগরিক হিসেবে আমি মনে করি আমাদের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশের ভালো রিলেশন থাকার কথা। একটা দেশের সঙ্গে দেশের, মানুষের সঙ্গে মানুষের হয়, কে ক্ষমতায় থাকল না থাকল সেটি বড় কথা নয়। আমরা সবসময় ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব রক্ষা করার জন্য তৈরি।
এ সময় দেশের বিভিন্ন জায়গায় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা রোধে এবং এ থেকে উত্তরণের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, কিছু কিছু জায়গায় সমস্যা হচ্ছে। তবে এর মধ্যে পরিকল্পিত ঘটনাই বেশি। বিশেষ করে গার্মেন্টস সেক্টরের কথা যদি বলি, যেখানে দুই-একটিতে মালিক নেই সেখানে সমস্যা হচ্ছে। তবে এরই মধ্যে সরকার এ নিয়ে চেষ্টা করছে। কিছু জায়গায় সরকারি কোষাগার টাকা দিয়ে শ্রমিকদের বেতন দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রচুর ঋণ নিয়েছে ব্যাংক থেকে, আর ঋণ নেওয়ার পর থেকে একটি পয়সাও শোধ করা হয়নি। সেই ধরনের ফ্যাক্টরিকে কী করা হবে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সরকার কী পদক্ষেপ নিচ্ছে এ বিষয়ে আশা করি দ্রুত আপনারা জানতে পারবেন।
উপদেষ্টা বলেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আরও প্রোঅ্যাকটিভ হবে এবং হচ্ছে। আমরা মনে করি দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে অ্যাকশনে যাওয়া হবে।
নির্বাচন প্রসঙ্গে এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এটা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন। সংস্কার প্রক্রিয়া চলছে, তাই এটি শেষ হলে বিশদ আলোচনা করা যাবে। আর নির্বাচন কমিশনই বলতে পারবে সংস্কার কাজ শেষে কখন কী করা যাবে। নতুন নির্বাচন কমিশনকে কাজ করতে দেওয়া উচিত।
ইসকন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যাকে নিয়ে এত হইচই, তার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক না থাকার কথা ইসকন নিজেরাই বলেছে। আর আমি যেটা মনে করি... আমরা সবাই বাংলাদেশি, সেটাই আমাদের পরিচয়, সেটি যে ধর্মেরই হোক। তবে কেউ কেউ ধর্মকে ব্যবহার করছে, এটা দেশের জন্য শুভকর নয়। আশা করি বিষয়টি নিয়ে একটি সমাধান হয়েছে, তবে যাদের ইনফ্লুয়েন্স আছে, তারা নানা ধরনের কথা বলতেই পারে। আর সেটির পেছনে দৌড়াতে থাকলে এগোতে পারব না।

দেশের জননিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিতে ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটি বলেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ও সংশ্লিষ্ট বাহিনী ব্যর্থ হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।
২ দিন আগে
জোটের নেতারা পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের মতো বিষয় সামনে আনেন। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার দাবি না মানলে আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
৩ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
৩ দিন আগে