
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশের লোগো। নতুন লোগোতে স্থান পেয়েছে দেশের জাতীয় ফুল শাপলা, ধান ও গমের শীষ এবং পাটপাতা। পাটপাতার ওপরে উজ্জ্বলভাবে লেখা রয়েছে— ‘পুলিশ’। বাদ পড়েছে নৌকা। বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত ডিআইজি (লজিস্টিকস) নাছিমা বেগম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ পুলিশের বর্তমান মনোগ্রাম বা লোগো পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নতুন লোগো চূড়ান্ত করা হয়েছে। এটি ইতোমধ্যে কর্তৃপক্ষের অনুমোদনও পেয়েছে। এখন শুধু প্রজ্ঞাপন জারির অপেক্ষা।
চিঠিতে আরও বলা হয়, প্রজ্ঞাপন জারির পরপরই নতুন লোগো পুলিশ বাহিনীর সব জেলা ও ইউনিটে বাধ্যতামূলকভাবে ব্যবহার করতে হবে। এর অংশ হিসেবে ইউনিফর্ম, পতাকা, সাইনবোর্ডসহ সব ধরনের সংশ্লিষ্ট সামগ্রীতে নতুন লোগোর ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।
এর আগে, পুলিশের মনোগ্রাম পরিবর্তন করে ২০০৪ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। পরে ২০০৯ সালে এই মনোগ্রামে পরিবর্তন করা হয়, যেটি বর্তমানে আছে। সেই লোগোতে রয়েছে, পাল বাঁধা নৌকার দুই পাশে গম ও ধানের শীষের মালা। পালের ওপরে একটি শাপলা। আর নৌকার নিচে বাংলায় পুলিশ লেখা।

বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশের লোগো। নতুন লোগোতে স্থান পেয়েছে দেশের জাতীয় ফুল শাপলা, ধান ও গমের শীষ এবং পাটপাতা। পাটপাতার ওপরে উজ্জ্বলভাবে লেখা রয়েছে— ‘পুলিশ’। বাদ পড়েছে নৌকা। বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত ডিআইজি (লজিস্টিকস) নাছিমা বেগম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ পুলিশের বর্তমান মনোগ্রাম বা লোগো পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নতুন লোগো চূড়ান্ত করা হয়েছে। এটি ইতোমধ্যে কর্তৃপক্ষের অনুমোদনও পেয়েছে। এখন শুধু প্রজ্ঞাপন জারির অপেক্ষা।
চিঠিতে আরও বলা হয়, প্রজ্ঞাপন জারির পরপরই নতুন লোগো পুলিশ বাহিনীর সব জেলা ও ইউনিটে বাধ্যতামূলকভাবে ব্যবহার করতে হবে। এর অংশ হিসেবে ইউনিফর্ম, পতাকা, সাইনবোর্ডসহ সব ধরনের সংশ্লিষ্ট সামগ্রীতে নতুন লোগোর ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।
এর আগে, পুলিশের মনোগ্রাম পরিবর্তন করে ২০০৪ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। পরে ২০০৯ সালে এই মনোগ্রামে পরিবর্তন করা হয়, যেটি বর্তমানে আছে। সেই লোগোতে রয়েছে, পাল বাঁধা নৌকার দুই পাশে গম ও ধানের শীষের মালা। পালের ওপরে একটি শাপলা। আর নৌকার নিচে বাংলায় পুলিশ লেখা।

জোটের নেতারা পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের মতো বিষয় সামনে আনেন। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার দাবি না মানলে আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে
লংমার্চের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আপনাদের দাবিতে আমরা রাস্তায় নেমেছি। কোনো দলীয় নয়, ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে নেমেছি।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থে ঘোষিত আট দফা দাবি যেকোনো সময় এক দফায় রূপ নিতে পারে।
২ দিন আগে