
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে। আজ শনিবার (১০ মে) রাত ৮টায় এ বৈঠকের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে বৈঠকের আলোচ্যসূচি সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ ও প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের এক কর্মকর্তা বৈঠক আহ্বানের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তারা জানিয়েছেন, প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় হবে এই বৈঠক। তবে বৈঠকের আলোচ্যসূচি তারা কেউ জানাননি।
উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি বৈঠকের আলোচ্যসূচি নিয়ে জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান কেবল একটি গণমাধ্যমকে বলেছেন, সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে করণীয় নির্ধারণ বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে।
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে রাজধানী ঢাকার শাহবাগে চলমান আন্দোলনের মধ্যেই উপদেষ্টা পরিষদের এ বৈঠক আহ্বান করা হলো। আন্দোলনকারীরা এর আগে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে একরাত অবস্থান করেছিলেন। তারা বলছেন, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা না হলে তারা রাজপথ ছাড়বেন না।
চলমান এই আন্দোলন ঘিরে এরই মধ্যে শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে সরকার জানায়, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হবে।
ধারণা করা হচ্ছে, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার ইস্যুটি উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি বৈঠকে আলোচনায় উঠে আসতে পারে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে। আজ শনিবার (১০ মে) রাত ৮টায় এ বৈঠকের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে বৈঠকের আলোচ্যসূচি সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ ও প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের এক কর্মকর্তা বৈঠক আহ্বানের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তারা জানিয়েছেন, প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় হবে এই বৈঠক। তবে বৈঠকের আলোচ্যসূচি তারা কেউ জানাননি।
উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি বৈঠকের আলোচ্যসূচি নিয়ে জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান কেবল একটি গণমাধ্যমকে বলেছেন, সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে করণীয় নির্ধারণ বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে।
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে রাজধানী ঢাকার শাহবাগে চলমান আন্দোলনের মধ্যেই উপদেষ্টা পরিষদের এ বৈঠক আহ্বান করা হলো। আন্দোলনকারীরা এর আগে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে একরাত অবস্থান করেছিলেন। তারা বলছেন, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা না হলে তারা রাজপথ ছাড়বেন না।
চলমান এই আন্দোলন ঘিরে এরই মধ্যে শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে সরকার জানায়, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হবে।
ধারণা করা হচ্ছে, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার ইস্যুটি উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি বৈঠকে আলোচনায় উঠে আসতে পারে।

শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে
লংমার্চের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আপনাদের দাবিতে আমরা রাস্তায় নেমেছি। কোনো দলীয় নয়, ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে নেমেছি।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থে ঘোষিত আট দফা দাবি যেকোনো সময় এক দফায় রূপ নিতে পারে।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর জনগণের অধিকার হরণ করছে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অতীতে যারা গণতন্ত্র ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের স্থান ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে হয়েছে।
২ দিন আগে