
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

‘গ’ শ্রেণিভুক্ত (সামান্য আহত) ১ হাজার ২৪২ জন ‘জুলাই যোদ্ধা’র তালিকার গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৮৮১ জন জুলাই যোদ্ধার তালিকা গেজেট আকারে প্রকাশ করল সরকার। আজ বুধবার এ তালিকা প্রকাশ করে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
নতুন প্রকাশিত তালিকায় ময়মনসিংহ বিভাগের ৫৩৪ জন ও সিলেট বিভাগের ৭০৮ জন রয়েছেন। গেজেটে আহতদের মেডিকেল কেস আইডি, নাম, পিতা-মাতার নাম এবং স্থায়ী ঠিকানা প্রকাশ করা হয়েছে।
এর আগে গত ৪ মার্চ বরিশাল বিভাগের ‘গ’ শ্রেণির আহত ৭৭২ জনের তালিকার গেজেট প্রকাশ করা হয়। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ‘ক’ শ্রেণির অতি গুরুতর আহত ৪৯৩ জন ও ‘ক’ শ্রেণির গুরুতর আহত ৯০৮ জনসহ মোট ১ হাজার ৪০১ জন ‘জুলাই যোদ্ধা’র তালিকা প্রকাশ করা হয়।
জুলাই অভ্যুত্থানে আহতদের ধরনভেদে ‘ক’, ‘খ’, এবং ‘গ’ শ্রেণিতে ভাগ করে সুযোগ-সুবিধা দেবে সরকার। গণ-অভ্যুত্থানে ৮৩৪ জন শহিদের তালিকা গত ১৫ জানুয়ারি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।
আহত ৫৩৪ জনের তালিকার গেজেট দেখুন এখানে—
আহত ৭০৮ জনের তালিকার গেজেট দেখুন এখানে—
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, আহত বা জুলাই যোদ্ধারা আজীবন চিকিৎসা সুবিধা পাবেন এবং তারা ভাতাও পাবেন। যারা অতি গুরুতর আহত (ক-শ্রেণি) তারা এককালীন পাঁচ লাখ টাকা পাবেন এবং প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন।
একটি অঙ্গহানি হয়েছে এমন আহত (খ-শ্রেণি) যারা আছেন তারা প্রতি মাসে ১৫ হাজার টাকা ভাতা পাবেন এবং তারা এককালীন তিন লাখ টাকা পাবেন। সামান্য আহত (গ-শ্রেণি) যারা চিকিৎসা নিয়ে ভালো হয়ে গেছেন, তারা চাকরিসহ পুনর্বাসন কর্মসূচিতে অগ্রাধিকার পাবেন। তারা কোনো ভাতা পাবেন না।

‘গ’ শ্রেণিভুক্ত (সামান্য আহত) ১ হাজার ২৪২ জন ‘জুলাই যোদ্ধা’র তালিকার গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৮৮১ জন জুলাই যোদ্ধার তালিকা গেজেট আকারে প্রকাশ করল সরকার। আজ বুধবার এ তালিকা প্রকাশ করে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
নতুন প্রকাশিত তালিকায় ময়মনসিংহ বিভাগের ৫৩৪ জন ও সিলেট বিভাগের ৭০৮ জন রয়েছেন। গেজেটে আহতদের মেডিকেল কেস আইডি, নাম, পিতা-মাতার নাম এবং স্থায়ী ঠিকানা প্রকাশ করা হয়েছে।
এর আগে গত ৪ মার্চ বরিশাল বিভাগের ‘গ’ শ্রেণির আহত ৭৭২ জনের তালিকার গেজেট প্রকাশ করা হয়। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ‘ক’ শ্রেণির অতি গুরুতর আহত ৪৯৩ জন ও ‘ক’ শ্রেণির গুরুতর আহত ৯০৮ জনসহ মোট ১ হাজার ৪০১ জন ‘জুলাই যোদ্ধা’র তালিকা প্রকাশ করা হয়।
জুলাই অভ্যুত্থানে আহতদের ধরনভেদে ‘ক’, ‘খ’, এবং ‘গ’ শ্রেণিতে ভাগ করে সুযোগ-সুবিধা দেবে সরকার। গণ-অভ্যুত্থানে ৮৩৪ জন শহিদের তালিকা গত ১৫ জানুয়ারি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।
আহত ৫৩৪ জনের তালিকার গেজেট দেখুন এখানে—
আহত ৭০৮ জনের তালিকার গেজেট দেখুন এখানে—
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, আহত বা জুলাই যোদ্ধারা আজীবন চিকিৎসা সুবিধা পাবেন এবং তারা ভাতাও পাবেন। যারা অতি গুরুতর আহত (ক-শ্রেণি) তারা এককালীন পাঁচ লাখ টাকা পাবেন এবং প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন।
একটি অঙ্গহানি হয়েছে এমন আহত (খ-শ্রেণি) যারা আছেন তারা প্রতি মাসে ১৫ হাজার টাকা ভাতা পাবেন এবং তারা এককালীন তিন লাখ টাকা পাবেন। সামান্য আহত (গ-শ্রেণি) যারা চিকিৎসা নিয়ে ভালো হয়ে গেছেন, তারা চাকরিসহ পুনর্বাসন কর্মসূচিতে অগ্রাধিকার পাবেন। তারা কোনো ভাতা পাবেন না।

দেশের জননিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিতে ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটি বলেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ও সংশ্লিষ্ট বাহিনী ব্যর্থ হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।
১ দিন আগে
জোটের নেতারা পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের মতো বিষয় সামনে আনেন। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার দাবি না মানলে আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে