
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতিসংঘ মহাসচিবের আগমন উপলক্ষ্যে আয়োজিত লাখো রোহিঙ্গার ইফতারে যোগ দিতে গিয়ে একজন রোহিঙ্গা নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। অবিলম্বে এ ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
শুক্রবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গার সঙ্গে জাতিসংঘ মহাসচিবকে নিয়ে ইফতার করেন প্রধান উপদেষ্টা।
ওই আয়োজনে যোগ দিতে গিয়েই পদদলিত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৪ নম্বর ক্যাম্পের রোহিঙ্গা নেয়ামত উল্লাহর। এ সময় আরও চারজন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজন চিকিৎসা নিয়ে ক্যাম্পে ফিরেছেন। বাকি দুজন কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে শুক্রবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জাতিসংঘ মহাসচিবের উপস্থিতিতে আয়োজিত ঐতিহাসিক ইফতারের প্রাক্কালে এমন একটি ঘটনার খবরে আমরা অত্যন্ত মর্মাহত। এই আয়োজনের সবকিছু নিরাপদ রাখতে কর্তৃপক্ষের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা সত্ত্বেও এ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, যেটি সেখানে উপস্থিত সবাইকে বেদনাহত করেছে।
বার্তায় বলা হয়েছে, নিহত নেয়ামত উল্লাহর মৃত্যুর কারণ জানতে তার মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হবে। আহত চার রোহিঙ্গার মধ্যে দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি দুজন হাসপাতালে ভর্তি আছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাদের অবস্থা স্থিতিশীল। প্রধান উপদেষ্টা তাৎক্ষণিকভাবে এ ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
এ ঘটনায় গভীর শোক জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
এ দিন দুপুরে উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৌঁছান জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। তিনি একটি শিক্ষণ কেন্দ্র ও একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। রোহিঙ্গাদের তৈরি বিভিন্ন বস্ত্র ও কারুপণ্য ঘুরে দেখেন। শিশুসহ রোহিঙ্গা নারী-পুরুষের সঙ্গে কথা বলেন।

জাতিসংঘ মহাসচিবের আগমন উপলক্ষ্যে আয়োজিত লাখো রোহিঙ্গার ইফতারে যোগ দিতে গিয়ে একজন রোহিঙ্গা নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। অবিলম্বে এ ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
শুক্রবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গার সঙ্গে জাতিসংঘ মহাসচিবকে নিয়ে ইফতার করেন প্রধান উপদেষ্টা।
ওই আয়োজনে যোগ দিতে গিয়েই পদদলিত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৪ নম্বর ক্যাম্পের রোহিঙ্গা নেয়ামত উল্লাহর। এ সময় আরও চারজন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজন চিকিৎসা নিয়ে ক্যাম্পে ফিরেছেন। বাকি দুজন কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে শুক্রবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জাতিসংঘ মহাসচিবের উপস্থিতিতে আয়োজিত ঐতিহাসিক ইফতারের প্রাক্কালে এমন একটি ঘটনার খবরে আমরা অত্যন্ত মর্মাহত। এই আয়োজনের সবকিছু নিরাপদ রাখতে কর্তৃপক্ষের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা সত্ত্বেও এ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, যেটি সেখানে উপস্থিত সবাইকে বেদনাহত করেছে।
বার্তায় বলা হয়েছে, নিহত নেয়ামত উল্লাহর মৃত্যুর কারণ জানতে তার মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হবে। আহত চার রোহিঙ্গার মধ্যে দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি দুজন হাসপাতালে ভর্তি আছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাদের অবস্থা স্থিতিশীল। প্রধান উপদেষ্টা তাৎক্ষণিকভাবে এ ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
এ ঘটনায় গভীর শোক জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
এ দিন দুপুরে উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৌঁছান জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। তিনি একটি শিক্ষণ কেন্দ্র ও একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। রোহিঙ্গাদের তৈরি বিভিন্ন বস্ত্র ও কারুপণ্য ঘুরে দেখেন। শিশুসহ রোহিঙ্গা নারী-পুরুষের সঙ্গে কথা বলেন।

দেশের জননিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিতে ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটি বলেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ও সংশ্লিষ্ট বাহিনী ব্যর্থ হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।
১ দিন আগে
জোটের নেতারা পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের মতো বিষয় সামনে আনেন। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার দাবি না মানলে আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে