
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় বিভিন্ন জেলায় যেসব পুলিশ সুপার (এসপি) কর্মরত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, ২০১৮ সালের রাতের ভোটের নির্বাচনে ৬৪ জেলার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সুপারদেরও (এসপি) ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করা বা বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হবে।
শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এ স্ট্যাটাস দেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।
এর আগে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত দশম, একাদশ ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় দায়িত্বরত সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ওএসডি করা ও বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয় বৃহস্পতিবার। ওই দিনই এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনও জারি করা হয়।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এইসব ভোটের সময় দায়িত্ব পালনরত ডিসিদের মধ্যে প্রথমে ১২ জন ও পরে ৩৩ জন ওএসডি করে সরকার। পরে এক সিনিয়র সচিব ও দুই সচিবসহ ২২ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।
স্থানীয় সরকার উপদেষ্টার তথ্য অনুযায়ী, এবার এসব জেলায় ভোটের সময় কর্মরত এসপিদের বিরুদ্ধেও একই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রালয় সূত্র জানিয়েছে, সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে যাদের চাকরির বয়স ২৫ বছর পেরিয়ে গেছে, তাদের বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হচ্ছে। আর যাদের চাকরির বয়স ২৫ বছরের কম, তাদের ওএসডি করা হচ্ছে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় বিভিন্ন জেলায় যেসব পুলিশ সুপার (এসপি) কর্মরত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, ২০১৮ সালের রাতের ভোটের নির্বাচনে ৬৪ জেলার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সুপারদেরও (এসপি) ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করা বা বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হবে।
শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এ স্ট্যাটাস দেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।
এর আগে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত দশম, একাদশ ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় দায়িত্বরত সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ওএসডি করা ও বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয় বৃহস্পতিবার। ওই দিনই এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনও জারি করা হয়।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এইসব ভোটের সময় দায়িত্ব পালনরত ডিসিদের মধ্যে প্রথমে ১২ জন ও পরে ৩৩ জন ওএসডি করে সরকার। পরে এক সিনিয়র সচিব ও দুই সচিবসহ ২২ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।
স্থানীয় সরকার উপদেষ্টার তথ্য অনুযায়ী, এবার এসব জেলায় ভোটের সময় কর্মরত এসপিদের বিরুদ্ধেও একই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রালয় সূত্র জানিয়েছে, সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে যাদের চাকরির বয়স ২৫ বছর পেরিয়ে গেছে, তাদের বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হচ্ছে। আর যাদের চাকরির বয়স ২৫ বছরের কম, তাদের ওএসডি করা হচ্ছে।

দেশের জননিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিতে ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটি বলেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ও সংশ্লিষ্ট বাহিনী ব্যর্থ হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।
১ দিন আগে
জোটের নেতারা পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের মতো বিষয় সামনে আনেন। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার দাবি না মানলে আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে