
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সভাপতি আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী তার কমিশন সদস্যদের সাথে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে।
সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) কমিশনের এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ তথ্য জানান। তিনি জানান, প্রতিবেদন প্রস্তুতির কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং এটি প্রায় ২০০ পৃষ্ঠার। বর্তমানে সেটি বই আকারে বাঁধাইয়ের প্রক্রিয়া চলছে।
এর আগে, গত ৩ অক্টোবর ৮ সদস্যবিশিষ্ট জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়। কমিশনের প্রধান ছিলেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চেয়ারম্যান এবং সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী। পরবর্তীতে কমিশনের সদস্য সংখ্যা তিনজন বাড়ানো হয়। কমিশনের লক্ষ্য ছিল জনমুখী, জবাবদিহিমূলক, দক্ষ ও নিরপেক্ষ জনপ্রশাসন ব্যবস্থা গঠন করা।
৯০ দিনের (৩ মাস) মধ্যে প্রতিবেদন প্রস্তুত করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশ ছিল। পরে তিন দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে কমিশনের কাজের শেষ সময় ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়। তবে কাজ আগেই শেষ হওয়ায় কমিশন প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
কমিশনের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন- সাবেক সচিব মোহাম্মদ তারেক এবং মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোখলেস উর রহমান, সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. হাফিজুর রহমান, সাবেক যুগ্ম-সচিব রিজওয়ান খায়ের, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ কে এম ফিরোজ আহমেদ, অবসরপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য ক্যাডারের কর্মকর্তা অধ্যাপক ডা. সৈয়দা শাহীনা সোবহান, নিরীক্ষা ও হিসাব ক্যাডারের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফিরোজ আহমেদ, শুল্ক ও আবগারি ক্যাডারের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ আমিনুর রহমান এবং শিক্ষার্থী প্রতিনিধি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেহেদী হাসান।

জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সভাপতি আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী তার কমিশন সদস্যদের সাথে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে।
সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) কমিশনের এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ তথ্য জানান। তিনি জানান, প্রতিবেদন প্রস্তুতির কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং এটি প্রায় ২০০ পৃষ্ঠার। বর্তমানে সেটি বই আকারে বাঁধাইয়ের প্রক্রিয়া চলছে।
এর আগে, গত ৩ অক্টোবর ৮ সদস্যবিশিষ্ট জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়। কমিশনের প্রধান ছিলেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চেয়ারম্যান এবং সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী। পরবর্তীতে কমিশনের সদস্য সংখ্যা তিনজন বাড়ানো হয়। কমিশনের লক্ষ্য ছিল জনমুখী, জবাবদিহিমূলক, দক্ষ ও নিরপেক্ষ জনপ্রশাসন ব্যবস্থা গঠন করা।
৯০ দিনের (৩ মাস) মধ্যে প্রতিবেদন প্রস্তুত করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশ ছিল। পরে তিন দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে কমিশনের কাজের শেষ সময় ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়। তবে কাজ আগেই শেষ হওয়ায় কমিশন প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
কমিশনের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন- সাবেক সচিব মোহাম্মদ তারেক এবং মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোখলেস উর রহমান, সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. হাফিজুর রহমান, সাবেক যুগ্ম-সচিব রিজওয়ান খায়ের, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ কে এম ফিরোজ আহমেদ, অবসরপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য ক্যাডারের কর্মকর্তা অধ্যাপক ডা. সৈয়দা শাহীনা সোবহান, নিরীক্ষা ও হিসাব ক্যাডারের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফিরোজ আহমেদ, শুল্ক ও আবগারি ক্যাডারের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ আমিনুর রহমান এবং শিক্ষার্থী প্রতিনিধি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেহেদী হাসান।

দেশের জননিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিতে ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটি বলেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ও সংশ্লিষ্ট বাহিনী ব্যর্থ হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।
১ দিন আগে
জোটের নেতারা পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের মতো বিষয় সামনে আনেন। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার দাবি না মানলে আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে