
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত আনার ব্যাপারে ভারতকে বাংলাদেশ ‘নোট ভারবাল’ দিয়েছিল। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওই নোট ভারবালেই বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় প্রয়োজনীয় সব নথিপত্র দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিকদের এ কথা জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রফিকুল আলম। তিনি জানান, এ বিষয়ে এখনো ভারতের পক্ষ থেকে কোনো জবাব দেওয়া হয়নি।
সম্প্রতি প্রকাশিত জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধান দলের প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, শেখ হাসিনা নিজে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দমন করতে হত্যাসহ নানা ধরনের সহিংসতার নির্দেশ দিয়েছেন। তার নির্দেশেই তার দল আওয়ামী লীগসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থাসহ সব বাহিনী সহিংসতার আশ্রয় নেয়।
শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ভারতকে এই প্রতিবেদন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে কি না— এমন প্রশ্ন রাখা হয় রফিকুল আলমের কাছে। জবাবে তিনি বলেন, জাতিসংঘের এ প্রতিবেদন বাংলাদেশের জন্য দেওয়া হয়েছে। তবে এটি সবার জন্য উন্মুক্ত এবং প্রকাশ্যেই আছে।
৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। সে দিন ছোট বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন শেখ হাসিনা। এখন পর্যন্ত তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন। তবে তার তেমন কোনো কার্যক্রম দৃশ্যমান নয়।
এর মধ্যে কেবল সরকার পতনের ছয় মাস পূর্তি ঘিরে ফেব্রুয়ারি ৫ ও ৬ তারিখে তিনি দুটি অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন। দুটি লাইভেই তার কণ্ঠ শোনানো হয়, ভিডিওতে উপস্থিত হননি তিনি। এ ছাড়া বিভিন্ন সময় নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার মোবাইলে কথোপকথনের অডিও ছড়িয়ে পড়েছে অনলাইনে।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত আনার ব্যাপারে ভারতকে বাংলাদেশ ‘নোট ভারবাল’ দিয়েছিল। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওই নোট ভারবালেই বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় প্রয়োজনীয় সব নথিপত্র দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিকদের এ কথা জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রফিকুল আলম। তিনি জানান, এ বিষয়ে এখনো ভারতের পক্ষ থেকে কোনো জবাব দেওয়া হয়নি।
সম্প্রতি প্রকাশিত জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধান দলের প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, শেখ হাসিনা নিজে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দমন করতে হত্যাসহ নানা ধরনের সহিংসতার নির্দেশ দিয়েছেন। তার নির্দেশেই তার দল আওয়ামী লীগসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থাসহ সব বাহিনী সহিংসতার আশ্রয় নেয়।
শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ভারতকে এই প্রতিবেদন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে কি না— এমন প্রশ্ন রাখা হয় রফিকুল আলমের কাছে। জবাবে তিনি বলেন, জাতিসংঘের এ প্রতিবেদন বাংলাদেশের জন্য দেওয়া হয়েছে। তবে এটি সবার জন্য উন্মুক্ত এবং প্রকাশ্যেই আছে।
৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। সে দিন ছোট বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন শেখ হাসিনা। এখন পর্যন্ত তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন। তবে তার তেমন কোনো কার্যক্রম দৃশ্যমান নয়।
এর মধ্যে কেবল সরকার পতনের ছয় মাস পূর্তি ঘিরে ফেব্রুয়ারি ৫ ও ৬ তারিখে তিনি দুটি অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন। দুটি লাইভেই তার কণ্ঠ শোনানো হয়, ভিডিওতে উপস্থিত হননি তিনি। এ ছাড়া বিভিন্ন সময় নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার মোবাইলে কথোপকথনের অডিও ছড়িয়ে পড়েছে অনলাইনে।

দেশের জননিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিতে ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটি বলেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ও সংশ্লিষ্ট বাহিনী ব্যর্থ হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।
১ দিন আগে
জোটের নেতারা পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের মতো বিষয় সামনে আনেন। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার দাবি না মানলে আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে