
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সড়কে দুর্ঘটনায় পুলিশের গাফিলতি থাকলে সেটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেখবে বলে জানান সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
শনিবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে বিআরটিএর প্রধান কার্যালয়ে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে সভা শেষে তিনি এ কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, সম্প্রতি রোড সেফটি ফাউন্ডেশন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত বছর সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ হাজার ২৯৪ জন নিহত ও ১২ হাজার জনেরও বেশি আহত হয়েছেন যা আগের বছরের তুলনায় ১২ শতাংশ বেশি। আমরা এর দায় নিচ্ছি। আমরা স্বীকার করছি যে সড়ক দুর্ঘটনা ও মৃত্যুর সংখ্যা কমাতে পারিনি। বরং এটি বেড়েছে।' তিনি উল্লেখ করেন, বিশেষত বিআরটিএ ও পুলিশ এই ব্যর্থতার জন্য দায়ী।
ফাওজুল কবির খান বলেন, "স্পষ্ট করে বলছি, সড়কে দুর্ঘটনার জন্য যদি কোনো সড়কের ত্রুটি দায়ী হয়, তবে সওজের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদি দেখা যায় বাস চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই, গাড়ির ফিটনেস সনদ নেই, তবে সেক্ষেত্রে দায় বর্তাবে বিআরটিএর কর্মকর্তাদের ওপর। তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
পুলিশের গাফিলতি থাকলে সেটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেখবে বলে জানান তিনি৷
বিআরটিএর কার্যক্রমে হতাশা প্রকাশ করে সড়ক উপদেষ্টা বলেন, "জনগণকে সরাসরি সেবা দেয় এমন কিছু প্রতিষ্ঠান গত ৫ আগস্টের পরে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে৷ বিআরটিএর কিছু কাজে অগ্রগতি হয়েছে, কিন্তু সেটা আশানুরূপ নয়। বিআরটিএ যদি তাদের কার্যক্রমে গতি না আনে, তবে এ প্রতিষ্ঠানও বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবো। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এখন থেকে বিআরটিএ-কে নিয়মিত মনিটরিংয়ে রাখবো।"
সভায় জানানো হয়, বিআরটিএ-তে এখনো সাড়ে ৪ লাখ ড্রাইভিং লাইসেন্স অপেক্ষমাণ রয়েছে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে সেগুলো দেওয়া হবে।
বিআরটিএর সময়মতো লাইসেন্স দিতে না পারায় সড়ক পরিবহনে বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে, এমন অভিযোগের ব্যাপার সড়ক উপদেষ্টা জানান, এখন তারা বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থাকে লাইসেন্স প্রদানের কাজটি দেওয়ার কথা ভাবছেন।
ফাওজুল কবির খান বলেন, "সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরিকে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানের জন্য কাজ দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।"
এছাড়া, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও ফিটনেস সনদ পেতে সময় কমিয়ে আনার পাশাপাশি তা দ্রুততম সময়ে কার্যকরী করা হবে বলে জানান তিনি।
সড়ক উপদেষ্টা বলেন, "ড্রাইভিং লাইসেন্স ও ফিটনেস সনদ নির্ধারিত সময়ে নবায়ন না করলে তা বাতিল বলে ঘোষণা করা হবে। মোটরসাইকেল চালকদের শিক্ষানবিশ সনদের মেয়াদ এক মাস। এক মাস তা নবায়ন না করলে লাইসেন্স বাতিল করা হবে। সড়কে ট্র্যাফিক পুলিশ ব্যবস্থা নেবে।"
সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের ক্ষতিপূরণ ও চিকিৎসা ব্যয় দ্রুততম সময়ে প্রদান করতে বিআরটিএ-র কর্মকর্তাদের সভায় নির্দেশনা দেন সড়ক উপদেষ্টা।

সড়কে দুর্ঘটনায় পুলিশের গাফিলতি থাকলে সেটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেখবে বলে জানান সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
শনিবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে বিআরটিএর প্রধান কার্যালয়ে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে সভা শেষে তিনি এ কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, সম্প্রতি রোড সেফটি ফাউন্ডেশন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত বছর সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ হাজার ২৯৪ জন নিহত ও ১২ হাজার জনেরও বেশি আহত হয়েছেন যা আগের বছরের তুলনায় ১২ শতাংশ বেশি। আমরা এর দায় নিচ্ছি। আমরা স্বীকার করছি যে সড়ক দুর্ঘটনা ও মৃত্যুর সংখ্যা কমাতে পারিনি। বরং এটি বেড়েছে।' তিনি উল্লেখ করেন, বিশেষত বিআরটিএ ও পুলিশ এই ব্যর্থতার জন্য দায়ী।
ফাওজুল কবির খান বলেন, "স্পষ্ট করে বলছি, সড়কে দুর্ঘটনার জন্য যদি কোনো সড়কের ত্রুটি দায়ী হয়, তবে সওজের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদি দেখা যায় বাস চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই, গাড়ির ফিটনেস সনদ নেই, তবে সেক্ষেত্রে দায় বর্তাবে বিআরটিএর কর্মকর্তাদের ওপর। তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
পুলিশের গাফিলতি থাকলে সেটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেখবে বলে জানান তিনি৷
বিআরটিএর কার্যক্রমে হতাশা প্রকাশ করে সড়ক উপদেষ্টা বলেন, "জনগণকে সরাসরি সেবা দেয় এমন কিছু প্রতিষ্ঠান গত ৫ আগস্টের পরে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে৷ বিআরটিএর কিছু কাজে অগ্রগতি হয়েছে, কিন্তু সেটা আশানুরূপ নয়। বিআরটিএ যদি তাদের কার্যক্রমে গতি না আনে, তবে এ প্রতিষ্ঠানও বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবো। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এখন থেকে বিআরটিএ-কে নিয়মিত মনিটরিংয়ে রাখবো।"
সভায় জানানো হয়, বিআরটিএ-তে এখনো সাড়ে ৪ লাখ ড্রাইভিং লাইসেন্স অপেক্ষমাণ রয়েছে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে সেগুলো দেওয়া হবে।
বিআরটিএর সময়মতো লাইসেন্স দিতে না পারায় সড়ক পরিবহনে বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে, এমন অভিযোগের ব্যাপার সড়ক উপদেষ্টা জানান, এখন তারা বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থাকে লাইসেন্স প্রদানের কাজটি দেওয়ার কথা ভাবছেন।
ফাওজুল কবির খান বলেন, "সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরিকে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানের জন্য কাজ দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।"
এছাড়া, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও ফিটনেস সনদ পেতে সময় কমিয়ে আনার পাশাপাশি তা দ্রুততম সময়ে কার্যকরী করা হবে বলে জানান তিনি।
সড়ক উপদেষ্টা বলেন, "ড্রাইভিং লাইসেন্স ও ফিটনেস সনদ নির্ধারিত সময়ে নবায়ন না করলে তা বাতিল বলে ঘোষণা করা হবে। মোটরসাইকেল চালকদের শিক্ষানবিশ সনদের মেয়াদ এক মাস। এক মাস তা নবায়ন না করলে লাইসেন্স বাতিল করা হবে। সড়কে ট্র্যাফিক পুলিশ ব্যবস্থা নেবে।"
সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের ক্ষতিপূরণ ও চিকিৎসা ব্যয় দ্রুততম সময়ে প্রদান করতে বিআরটিএ-র কর্মকর্তাদের সভায় নির্দেশনা দেন সড়ক উপদেষ্টা।

দেশের জননিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিতে ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটি বলেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ও সংশ্লিষ্ট বাহিনী ব্যর্থ হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।
১ দিন আগে
জোটের নেতারা পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের মতো বিষয় সামনে আনেন। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার দাবি না মানলে আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
৩ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
৩ দিন আগে