
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার নেতৃত্বে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস সংরক্ষণসহ আন্দোলনে নিহতদের পরিবার ও আহতদের পুনর্বাসনের জন্য জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর গঠন করেছে সরকার। গণঅভ্যুত্থানের আদর্শকে রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করতেও এই অধিদপ্তর কাজ করবে।
সোমবার (২৮ এপ্রিল) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-১ শাখা এ অধিদপ্তর গঠনের প্রজ্ঞাপন জারি করে। উপসচিব (প্রশাসন-১) আব্দুল্লাহ আল খায়রুম প্রজ্ঞাপনে সই করেছেন।
গত বছরের ১২ ডিসেম্বর উপদেষ্টা পরিষদের এক বৈঠকে এই অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। সাড়ে চার মাস পর সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হলো।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গত ১২ ডিসেম্বর উপদেষ্টা পরিষদের সভার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করল। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা হলেও সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ অধিদপ্তরে কাউকে পদায়ন করা হয়নি।
এর আগে জুলাই অভ্যুত্থানে শহিদদের পরিবার ও আহতদের পুনর্বাসনে কাজ করার জন্য জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন গঠন করেছিল সরকার। ওই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আন্দোলনে নিহতদের পরিবার ও আহতদের সহায়তা করার কার্যক্রম চলমান।

জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার নেতৃত্বে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস সংরক্ষণসহ আন্দোলনে নিহতদের পরিবার ও আহতদের পুনর্বাসনের জন্য জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর গঠন করেছে সরকার। গণঅভ্যুত্থানের আদর্শকে রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করতেও এই অধিদপ্তর কাজ করবে।
সোমবার (২৮ এপ্রিল) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-১ শাখা এ অধিদপ্তর গঠনের প্রজ্ঞাপন জারি করে। উপসচিব (প্রশাসন-১) আব্দুল্লাহ আল খায়রুম প্রজ্ঞাপনে সই করেছেন।
গত বছরের ১২ ডিসেম্বর উপদেষ্টা পরিষদের এক বৈঠকে এই অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। সাড়ে চার মাস পর সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হলো।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গত ১২ ডিসেম্বর উপদেষ্টা পরিষদের সভার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করল। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা হলেও সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ অধিদপ্তরে কাউকে পদায়ন করা হয়নি।
এর আগে জুলাই অভ্যুত্থানে শহিদদের পরিবার ও আহতদের পুনর্বাসনে কাজ করার জন্য জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন গঠন করেছিল সরকার। ওই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আন্দোলনে নিহতদের পরিবার ও আহতদের সহায়তা করার কার্যক্রম চলমান।

শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে
লংমার্চের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আপনাদের দাবিতে আমরা রাস্তায় নেমেছি। কোনো দলীয় নয়, ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে নেমেছি।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থে ঘোষিত আট দফা দাবি যেকোনো সময় এক দফায় রূপ নিতে পারে।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর জনগণের অধিকার হরণ করছে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অতীতে যারা গণতন্ত্র ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের স্থান ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে হয়েছে।
২ দিন আগে