
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সরকার পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে হোঁচট খাবে না’ বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
চীন সফর নিয়ে বুধবার (১৫ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি।
নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিষেকের দিন তথা আগামী ২০ জানুয়ারি বেইজিং সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। মার্কিন নতুন প্রশাসনের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের যোগাযোগ হচ্ছে কিনা-জানতে চাওয়া হয় উপদেষ্টার কাছে।
জবাবে তৌহিদ হোসেন বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বা এ রকম বড় দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের যে সম্পর্ক সেটা কিন্তু সরকার স্পেসিফিক হবে না। নতুন সরকার এলে তাদের কিছু বক্তব্য থাকতে পারে, সেটা আমরা দেখব। স্পেকুলেশন করার কিছু নাই। আমি কবে গেলাম চীনে সেটা কোনো বিষয় না। আমি মনে করি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সরকার পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে হোঁচট খাবে না। আমরা মনে করি, এটা স্মুথলি চলবে।
সম্পর্ক একটা বহমান ধারা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, এটাতে পারস্পরিক চাওয়া-পাওয়ার হিসেব সব সময় একটু-আধটু পরিবর্তন হয়। এ রকম যখন হবে তখন আমরা সেই অনুযায়ী আমাদের পদক্ষেপ নেব এবং আমরা নিতে পারব বলে আমি মনে করি।
ভারত, চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কাউকে অসন্তুষ্ট করতে চান না জানিয়ে তৌহিদ হোসেন বলেন, ভারত, চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তিনটি দেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ। আমরা অবশ্যই একটা ভারসাম্য সম্পর্ক রক্ষা করব। আমরা কাউকে অসন্তুষ্ট করতে চাই না। কিন্তু আমাদের নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় তাদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখব।
প্রসঙ্গত, আগামী ২০ জানুয়ারি প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফরে চীন যাবেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। সফরে শেষে আগামী ২৪ জানুয়ারি দেশে ফিরবেন তিনি।

‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সরকার পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে হোঁচট খাবে না’ বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
চীন সফর নিয়ে বুধবার (১৫ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি।
নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিষেকের দিন তথা আগামী ২০ জানুয়ারি বেইজিং সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। মার্কিন নতুন প্রশাসনের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের যোগাযোগ হচ্ছে কিনা-জানতে চাওয়া হয় উপদেষ্টার কাছে।
জবাবে তৌহিদ হোসেন বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বা এ রকম বড় দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের যে সম্পর্ক সেটা কিন্তু সরকার স্পেসিফিক হবে না। নতুন সরকার এলে তাদের কিছু বক্তব্য থাকতে পারে, সেটা আমরা দেখব। স্পেকুলেশন করার কিছু নাই। আমি কবে গেলাম চীনে সেটা কোনো বিষয় না। আমি মনে করি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সরকার পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে হোঁচট খাবে না। আমরা মনে করি, এটা স্মুথলি চলবে।
সম্পর্ক একটা বহমান ধারা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, এটাতে পারস্পরিক চাওয়া-পাওয়ার হিসেব সব সময় একটু-আধটু পরিবর্তন হয়। এ রকম যখন হবে তখন আমরা সেই অনুযায়ী আমাদের পদক্ষেপ নেব এবং আমরা নিতে পারব বলে আমি মনে করি।
ভারত, চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কাউকে অসন্তুষ্ট করতে চান না জানিয়ে তৌহিদ হোসেন বলেন, ভারত, চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তিনটি দেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ। আমরা অবশ্যই একটা ভারসাম্য সম্পর্ক রক্ষা করব। আমরা কাউকে অসন্তুষ্ট করতে চাই না। কিন্তু আমাদের নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় তাদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখব।
প্রসঙ্গত, আগামী ২০ জানুয়ারি প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফরে চীন যাবেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। সফরে শেষে আগামী ২৪ জানুয়ারি দেশে ফিরবেন তিনি।

দেশের জননিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিতে ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটি বলেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ও সংশ্লিষ্ট বাহিনী ব্যর্থ হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।
১ দিন আগে
জোটের নেতারা পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের মতো বিষয় সামনে আনেন। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার দাবি না মানলে আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
৩ দিন আগে