
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

একাত্তরে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের সহযোগীদের ক্ষমা চাইতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। বলেছেন, ইনিয়ে বিনিয়ে গণহত্যার পক্ষে বয়ান উৎপাদন বন্ধ করতে হবে।
রোববার (১১ মে) রাত দেড়টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন মাহফুজ। জামায়াতে ইসলামীর নাম উল্লেখ না করলেও মূলত তিনি ওই দলটিকে ইঙ্গিত করেই পোস্টটি দিয়েছেন।
পাকিস্তানের অখণ্ডতা চেয়ে একাত্তরে স্বাধীন বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছিল জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র সংঘ (পরবর্তী সময়ে ইসলামী ছাত্র শিবির)। তবে বিরোধিতা করেই তারা ক্ষান্ত হয়নি, মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাসে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যে গণহত্যা, ধর্ষণ, লুটপাটসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে, তার অন্যতম সহযোগী ছিল জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রসংঘ।
মুক্তিযুদ্ধের দলিলসহ একাত্তরের ইতিহাসভিত্তিক বিভিন্ন প্রামাণ্য গ্রন্থ বলছে, রাজাকার, আল-বদর ও আল-শামস বাহিনী গড়ে তুলে মুক্তিকামী জনতার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল এসব দল। কোথাও কোথাও সরাসরি গণহত্যা, ধর্ষণ, লুটপাটসহ মানবতাবিরোধী অপরাধে যুক্ত ছিল।
২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িতদের বিচারের উদ্যোগ নেয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের নেতাদের যারা মানবতাবিরোধী অপরাধে যুক্ত ছিল তাদের বিচার শুরু হয়। সেই বিচারিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন থাকলেও বেশ কয়েকজনকে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড সাজা দেওয়া হয়, যা কয়েকজনের ক্ষেত্রে কার্যকরও করা হয়েছে।
একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ নিয়ে জামায়াতে ইসলামী কখনো প্রকাশ্যে ক্ষমা চায়নি। দলের কোনো কোনো নেতা কখনো কখনো এ বিষয়ে জামায়াতের ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত বলে মন্তব্য করলেও দল সে উদ্যোগ নেয়নি।
এদিকে জুলাই গণহত্যায় অভিযুক্ত আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবি ছিল ছাত্রদের। এ দাবিতে তারা আন্দোলন গড়ে তুললে সরকার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার পরিপত্র জারি হবে সোমবার। বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন উঠেছে— একাত্তরের গণহত্যায় অভিযুক্ত জামায়াতকে কেন নিষিদ্ধ করা হবে না?
এ প্রসঙ্গেই উপদেষ্টা মাহফুজ আলম তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, একাত্তরের প্রশ্ন মীমাংসা করতেই হবে। যুদ্ধাপরাধের সহযোগীদের ক্ষমা চাইতে হবে। বাংলাদেশে রাজনীতি করতে হলে পাকিস্তানপন্থা বাদ দিতে হবে। পাকিস্তান এ দেশে গণহত্যা চলিয়েছে।
পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাইলেও এবং আবারও ক্ষমা চাইতে রাজি হলেও যুদ্ধাপরাধের সহযোগীরা এখনো ক্ষমা চায়নি বলে পোস্টে উল্লেখ করেন মাহফুজ। বলেন, ইনিয়ে বিনিয়ে গণহত্যার পক্ষে বয়ান উৎপাদন বন্ধ করতে হবে। জুলাইয়ের শক্তির মধ্যে ঢুকে স্যাবোট্যাজ করা বন্ধ করতে হবে। সাফ দিলে আসতে হবে।
পোস্টে ‘মুজিববাদী বাম’ তথা বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সহযোগী বাম দলগুলোর প্রতি ক্ষোভ জানান মাহফুজ।
তিনি লিখেছেন, মুজিববাদী বামদের ক্ষমা নাই। লীগের গুম-খুন আর শাপলায় মোদিবিরোধী আন্দোলনে হত্যাযজ্ঞের মস্তিস্ক এরা। এরা থার্টি সিক্সথ ডিভিশন। জুলাইয়ের সময় এরা নিকৃষ্ট দালালি করেও এখন বহাল তবিয়তে আছে।
তিনি লিখেছেন, আজ পর্যন্ত মুজিববাদী বামেরা সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক দিক থেকে (কালচারালি ও ইন্টেলেকচুয়ালি) জুলাইয়ের সঙ্গে গাদ্দারি করে যাচ্ছে। দেশে বসে জুলাইয়ের পক্ষের শক্তির বিরুদ্ধে এরা চক্রান্ত করেই যাচ্ছে। লীগের এসব বি-টিমও শিগগিরই পরাজিত হবে। অন্য কারও কাঁধে ভর করে লাভ নেই।

একাত্তরে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের সহযোগীদের ক্ষমা চাইতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। বলেছেন, ইনিয়ে বিনিয়ে গণহত্যার পক্ষে বয়ান উৎপাদন বন্ধ করতে হবে।
রোববার (১১ মে) রাত দেড়টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন মাহফুজ। জামায়াতে ইসলামীর নাম উল্লেখ না করলেও মূলত তিনি ওই দলটিকে ইঙ্গিত করেই পোস্টটি দিয়েছেন।
পাকিস্তানের অখণ্ডতা চেয়ে একাত্তরে স্বাধীন বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছিল জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র সংঘ (পরবর্তী সময়ে ইসলামী ছাত্র শিবির)। তবে বিরোধিতা করেই তারা ক্ষান্ত হয়নি, মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাসে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যে গণহত্যা, ধর্ষণ, লুটপাটসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে, তার অন্যতম সহযোগী ছিল জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রসংঘ।
মুক্তিযুদ্ধের দলিলসহ একাত্তরের ইতিহাসভিত্তিক বিভিন্ন প্রামাণ্য গ্রন্থ বলছে, রাজাকার, আল-বদর ও আল-শামস বাহিনী গড়ে তুলে মুক্তিকামী জনতার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল এসব দল। কোথাও কোথাও সরাসরি গণহত্যা, ধর্ষণ, লুটপাটসহ মানবতাবিরোধী অপরাধে যুক্ত ছিল।
২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িতদের বিচারের উদ্যোগ নেয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের নেতাদের যারা মানবতাবিরোধী অপরাধে যুক্ত ছিল তাদের বিচার শুরু হয়। সেই বিচারিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন থাকলেও বেশ কয়েকজনকে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড সাজা দেওয়া হয়, যা কয়েকজনের ক্ষেত্রে কার্যকরও করা হয়েছে।
একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ নিয়ে জামায়াতে ইসলামী কখনো প্রকাশ্যে ক্ষমা চায়নি। দলের কোনো কোনো নেতা কখনো কখনো এ বিষয়ে জামায়াতের ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত বলে মন্তব্য করলেও দল সে উদ্যোগ নেয়নি।
এদিকে জুলাই গণহত্যায় অভিযুক্ত আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবি ছিল ছাত্রদের। এ দাবিতে তারা আন্দোলন গড়ে তুললে সরকার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার পরিপত্র জারি হবে সোমবার। বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন উঠেছে— একাত্তরের গণহত্যায় অভিযুক্ত জামায়াতকে কেন নিষিদ্ধ করা হবে না?
এ প্রসঙ্গেই উপদেষ্টা মাহফুজ আলম তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, একাত্তরের প্রশ্ন মীমাংসা করতেই হবে। যুদ্ধাপরাধের সহযোগীদের ক্ষমা চাইতে হবে। বাংলাদেশে রাজনীতি করতে হলে পাকিস্তানপন্থা বাদ দিতে হবে। পাকিস্তান এ দেশে গণহত্যা চলিয়েছে।
পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাইলেও এবং আবারও ক্ষমা চাইতে রাজি হলেও যুদ্ধাপরাধের সহযোগীরা এখনো ক্ষমা চায়নি বলে পোস্টে উল্লেখ করেন মাহফুজ। বলেন, ইনিয়ে বিনিয়ে গণহত্যার পক্ষে বয়ান উৎপাদন বন্ধ করতে হবে। জুলাইয়ের শক্তির মধ্যে ঢুকে স্যাবোট্যাজ করা বন্ধ করতে হবে। সাফ দিলে আসতে হবে।
পোস্টে ‘মুজিববাদী বাম’ তথা বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সহযোগী বাম দলগুলোর প্রতি ক্ষোভ জানান মাহফুজ।
তিনি লিখেছেন, মুজিববাদী বামদের ক্ষমা নাই। লীগের গুম-খুন আর শাপলায় মোদিবিরোধী আন্দোলনে হত্যাযজ্ঞের মস্তিস্ক এরা। এরা থার্টি সিক্সথ ডিভিশন। জুলাইয়ের সময় এরা নিকৃষ্ট দালালি করেও এখন বহাল তবিয়তে আছে।
তিনি লিখেছেন, আজ পর্যন্ত মুজিববাদী বামেরা সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক দিক থেকে (কালচারালি ও ইন্টেলেকচুয়ালি) জুলাইয়ের সঙ্গে গাদ্দারি করে যাচ্ছে। দেশে বসে জুলাইয়ের পক্ষের শক্তির বিরুদ্ধে এরা চক্রান্ত করেই যাচ্ছে। লীগের এসব বি-টিমও শিগগিরই পরাজিত হবে। অন্য কারও কাঁধে ভর করে লাভ নেই।

শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে
লংমার্চের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আপনাদের দাবিতে আমরা রাস্তায় নেমেছি। কোনো দলীয় নয়, ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে নেমেছি।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থে ঘোষিত আট দফা দাবি যেকোনো সময় এক দফায় রূপ নিতে পারে।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর জনগণের অধিকার হরণ করছে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অতীতে যারা গণতন্ত্র ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের স্থান ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে হয়েছে।
২ দিন আগে