
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সংস্কার প্রস্তাবে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতেই জুলাই সনদ তৈরি করা হবে আশ্বাস দিয়েছেন জাতীয় ঐক্যমত কমিশনের সহসভাপতি আলী রীয়াজ।
তিনি বলেন, সংস্কার প্রশ্নে কোনো একটি বিষয়ে কমিশনের প্রস্তাবই চূড়ান্ত কথা নয়। রাজনৈতিক দলগুলো যেসব মতামত দিয়েছে এবং দলগুলোর সঙ্গে যেসব আলোচনা হয়েছে, ওই আলোকেই জাতীয় সনদ (জুলাই সনদ) করা হবে।
মঙ্গলবার (৩ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় দফার বৈঠকের দ্বিতীয় দিনের আলোচনায় সূচনা বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। আজকের বৈঠকে সভাপতিত্বও করেছেন তিনি।
বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ৩০টি রাজনৈতিক দল এই বৈঠকে অংশ নিচ্ছে। এর আগে গতকাল সোমবার (২ জুন) দ্বিতীয় দফায় প্রথম রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলঐকমত্য কমিশন।
আলী রীয়াজ বলেন, যেসব প্রস্তাবনায় সবার সম্মতি থাকবে, আমরা সেগুলো (জুলাই সনদে) অন্তর্ভুক্ত করব। এই পর্যায়ের আলোচনায় সেটুকুই আমরা অর্জন করতে চাই।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতির দায়িত্বে থাকা আলী রীয়াজ আরও বলেন, প্রতিটি বিষয়ে একমত না হওয়া গেলেও সময় স্বল্পতার কথা মাথায় রেখে কিছু ক্ষেত্রে উপসংহার টানতে হবে।
এর আগে গতকাল সোমবারের বৈঠকে আলী রীয়াজ বলেছিলেন, আগামী ১৫ আগস্ট পর্যন্ত ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ রয়েছে। তবে এই কমিশন জুলাই মাসের মধ্যেই সংস্কার কার্যক্রম শেষ করে জুলাই সনদ চূড়ান্ত করতে চায়।
আলী রীয়াজ একই কথার পুনরাবৃত্তি করেন আজকের বৈঠকেও। বলেন, চলতি বছরের জুলাইয়ের মধ্যেই ‘জুলাই সনদ’ চূড়ান্ত করা হবে।

সংস্কার প্রস্তাবে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতেই জুলাই সনদ তৈরি করা হবে আশ্বাস দিয়েছেন জাতীয় ঐক্যমত কমিশনের সহসভাপতি আলী রীয়াজ।
তিনি বলেন, সংস্কার প্রশ্নে কোনো একটি বিষয়ে কমিশনের প্রস্তাবই চূড়ান্ত কথা নয়। রাজনৈতিক দলগুলো যেসব মতামত দিয়েছে এবং দলগুলোর সঙ্গে যেসব আলোচনা হয়েছে, ওই আলোকেই জাতীয় সনদ (জুলাই সনদ) করা হবে।
মঙ্গলবার (৩ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় দফার বৈঠকের দ্বিতীয় দিনের আলোচনায় সূচনা বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। আজকের বৈঠকে সভাপতিত্বও করেছেন তিনি।
বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ৩০টি রাজনৈতিক দল এই বৈঠকে অংশ নিচ্ছে। এর আগে গতকাল সোমবার (২ জুন) দ্বিতীয় দফায় প্রথম রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলঐকমত্য কমিশন।
আলী রীয়াজ বলেন, যেসব প্রস্তাবনায় সবার সম্মতি থাকবে, আমরা সেগুলো (জুলাই সনদে) অন্তর্ভুক্ত করব। এই পর্যায়ের আলোচনায় সেটুকুই আমরা অর্জন করতে চাই।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতির দায়িত্বে থাকা আলী রীয়াজ আরও বলেন, প্রতিটি বিষয়ে একমত না হওয়া গেলেও সময় স্বল্পতার কথা মাথায় রেখে কিছু ক্ষেত্রে উপসংহার টানতে হবে।
এর আগে গতকাল সোমবারের বৈঠকে আলী রীয়াজ বলেছিলেন, আগামী ১৫ আগস্ট পর্যন্ত ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ রয়েছে। তবে এই কমিশন জুলাই মাসের মধ্যেই সংস্কার কার্যক্রম শেষ করে জুলাই সনদ চূড়ান্ত করতে চায়।
আলী রীয়াজ একই কথার পুনরাবৃত্তি করেন আজকের বৈঠকেও। বলেন, চলতি বছরের জুলাইয়ের মধ্যেই ‘জুলাই সনদ’ চূড়ান্ত করা হবে।

শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে
লংমার্চের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আপনাদের দাবিতে আমরা রাস্তায় নেমেছি। কোনো দলীয় নয়, ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে নেমেছি।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থে ঘোষিত আট দফা দাবি যেকোনো সময় এক দফায় রূপ নিতে পারে।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর জনগণের অধিকার হরণ করছে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অতীতে যারা গণতন্ত্র ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের স্থান ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে হয়েছে।
২ দিন আগে