
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে আরও টেকসই করতে সুইডেনকে সামাজিক ব্যবসায় বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। গতকাল রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সুইডিশ ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন এজেন্সির (সিডা) মহাপরিচালক জ্যাকব গ্রানিটের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টা সুইডেনকে স্বাস্থ্যসেবা, জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও টেকসই উন্নয়নে বিনিয়োগের আহ্বান জানান। বিশেষ করে, নেপালের জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সুইডেনের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।
সুইডেনের উন্নয়ন সহায়তার আওতায় বাংলাদেশ ২০২৪ সালে প্রায় এক বিলিয়ন সুইডিশ ক্রোনা পেয়েছে, যার একটি বড় অংশ মানবিক সহায়তা হিসেবে রোহিঙ্গা ও কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। সিডার মহাপরিচালক ইয়াকোব গ্রানিট বাংলাদেশের চলমান ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সুইডেনের সহায়তা আরও কার্যকর করার উপায় খুঁজে বের করার ওপর গুরুত্ব দেন।
সাক্ষাতে সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের জরুরি প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে বলেন, সুইডেন এ সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে অব্যাহত সহায়তা প্রদান করবে। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কার্যক্রম সম্পর্কেও জানতে চান।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস সুইডেনের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সীমিত হলেও তারা দেশের পুনর্গঠনের জন্য কাজ চালিয়ে যাবে। তিনি আরও বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের শাসনামলে অনেক কিছু ধসে পড়েছিল, যা এখন ধাপে ধাপে পুনর্গঠনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। সুইডেনের অংশীদারিত্ব বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নের পথে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে আরও টেকসই করতে সুইডেনকে সামাজিক ব্যবসায় বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। গতকাল রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সুইডিশ ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন এজেন্সির (সিডা) মহাপরিচালক জ্যাকব গ্রানিটের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টা সুইডেনকে স্বাস্থ্যসেবা, জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও টেকসই উন্নয়নে বিনিয়োগের আহ্বান জানান। বিশেষ করে, নেপালের জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সুইডেনের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।
সুইডেনের উন্নয়ন সহায়তার আওতায় বাংলাদেশ ২০২৪ সালে প্রায় এক বিলিয়ন সুইডিশ ক্রোনা পেয়েছে, যার একটি বড় অংশ মানবিক সহায়তা হিসেবে রোহিঙ্গা ও কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। সিডার মহাপরিচালক ইয়াকোব গ্রানিট বাংলাদেশের চলমান ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সুইডেনের সহায়তা আরও কার্যকর করার উপায় খুঁজে বের করার ওপর গুরুত্ব দেন।
সাক্ষাতে সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের জরুরি প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে বলেন, সুইডেন এ সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে অব্যাহত সহায়তা প্রদান করবে। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কার্যক্রম সম্পর্কেও জানতে চান।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস সুইডেনের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সীমিত হলেও তারা দেশের পুনর্গঠনের জন্য কাজ চালিয়ে যাবে। তিনি আরও বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের শাসনামলে অনেক কিছু ধসে পড়েছিল, যা এখন ধাপে ধাপে পুনর্গঠনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। সুইডেনের অংশীদারিত্ব বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নের পথে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

দেশের জননিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিতে ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটি বলেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ও সংশ্লিষ্ট বাহিনী ব্যর্থ হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।
১ দিন আগে
জোটের নেতারা পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের মতো বিষয় সামনে আনেন। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার দাবি না মানলে আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে