
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর আজ রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ওমানের মাস্কাটে অনুষ্ঠাতব্য অষ্টম ভারত মহাসাগর সম্মেলনে (আইওসি) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠক করবেন। আইওসি সম্মেলনের এক ফাঁকে বৈঠকটি হবে বলে ভারতের গণমাধ্যম ‘দ্য হিন্দু’র এক প্রতিবেদনে জানা গেছে।
এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া অনুবিভাগের পরিচালক মো. মনোয়ার মোকাররম বলেন, এটি মহাপরিচালকের দপ্তর দেখভাল করছে। দক্ষিণ এশিয়া অনুবিভাগের মহাপরিচালক ইশরাত জাহানকে কল করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।
রোববার মাস্কাটে অনুষ্ঠিত অষ্টম ভারত মহাসাগর সম্মেলনের সাইডলাইনে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ওমান সরকার যৌথভাবে এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে, যার তত্ত্বাবধানে রয়েছে ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন।
এবারের সম্মেলনে অন্তত ২৭টি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অংশগ্রহণ করছেন। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা উপস্থিত থাকবেন।
গত ডিসেম্বর মাসে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি ঢাকা সফর করেন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সেটাই ছিল বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক।
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সাম্প্রতিক টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে জয়শঙ্কর ও তৌহিদ হোসেনের বৈঠক বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। শেখ হাসিনার সরকার বিদায়ের পর বাংলাদেশের নতুন অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হলে ভারত সেখানে সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতা ও ভারতীয় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের প্রতি বৈরি আচরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
অন্যদিকে, ঢাকা চায় দিল্লিতে আশ্রয় নেওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেন কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য না দেন বা আওয়ামী লীগের কর্মসূচিতে ভার্চুয়ালি অংশ না নেন। এছাড়া, সীমান্ত নিরাপত্তা, নদীর পানি বণ্টন, বন্যা ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য, সন্ত্রাসবাদে অভিযুক্তদের মুক্তি ইত্যাদি বিষয় নিয়েও আলোচনা চলছে।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর আজ রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ওমানের মাস্কাটে অনুষ্ঠাতব্য অষ্টম ভারত মহাসাগর সম্মেলনে (আইওসি) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠক করবেন। আইওসি সম্মেলনের এক ফাঁকে বৈঠকটি হবে বলে ভারতের গণমাধ্যম ‘দ্য হিন্দু’র এক প্রতিবেদনে জানা গেছে।
এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া অনুবিভাগের পরিচালক মো. মনোয়ার মোকাররম বলেন, এটি মহাপরিচালকের দপ্তর দেখভাল করছে। দক্ষিণ এশিয়া অনুবিভাগের মহাপরিচালক ইশরাত জাহানকে কল করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।
রোববার মাস্কাটে অনুষ্ঠিত অষ্টম ভারত মহাসাগর সম্মেলনের সাইডলাইনে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ওমান সরকার যৌথভাবে এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে, যার তত্ত্বাবধানে রয়েছে ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন।
এবারের সম্মেলনে অন্তত ২৭টি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অংশগ্রহণ করছেন। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা উপস্থিত থাকবেন।
গত ডিসেম্বর মাসে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি ঢাকা সফর করেন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সেটাই ছিল বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক।
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সাম্প্রতিক টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে জয়শঙ্কর ও তৌহিদ হোসেনের বৈঠক বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। শেখ হাসিনার সরকার বিদায়ের পর বাংলাদেশের নতুন অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হলে ভারত সেখানে সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতা ও ভারতীয় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের প্রতি বৈরি আচরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
অন্যদিকে, ঢাকা চায় দিল্লিতে আশ্রয় নেওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেন কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য না দেন বা আওয়ামী লীগের কর্মসূচিতে ভার্চুয়ালি অংশ না নেন। এছাড়া, সীমান্ত নিরাপত্তা, নদীর পানি বণ্টন, বন্যা ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য, সন্ত্রাসবাদে অভিযুক্তদের মুক্তি ইত্যাদি বিষয় নিয়েও আলোচনা চলছে।

দেশের জননিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিতে ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটি বলেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ও সংশ্লিষ্ট বাহিনী ব্যর্থ হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।
১ দিন আগে
জোটের নেতারা পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের মতো বিষয় সামনে আনেন। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার দাবি না মানলে আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে