
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ভোরে রাজধানী ঢাকার চারটি থানা পরিদর্শন করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় তিনি থানার অভ্যর্থনা কক্ষ, হাজতখানাসহ আনুষঙ্গিক স্থাপনা ঘুরে দেখেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ডিউটি অফিসারসহ থানায় কর্তব্যরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব পালনে আরও তৎপর, সজাগ ও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।
সোমবার (১০ মার্চ) ভোরে রাজধানীর চার থানা পরিদর্শন করেন উপদেষ্টা। থানাগুলো হলো— তেজগাঁও থানা, ধানমন্ডি থানা, শাহবাগ থানা ও নিউমার্কেট থানা। তিনি জানান, রমজানে থানাগুলো ঠিকভাবে কাজ করছে কি না, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক ও সজাগ থেকে তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছেন কি না— এগুলো দেখার জন্যই তার এ পরিদর্শন।

থানার পাশাপাশি পথে পুলিশের চেক পোস্ট ও টহল দলের কার্যক্রমও ঘুরে দেখেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। ছবি: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
পরিদর্শনের সময় পথে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে স্থাপিত কয়েকটি চেকপোস্ট ও তল্লাশি চৌকি পরিদর্শন করে দায়িত্বরতদের সঙ্গে কথা বলেন উপদেষ্টা। যৌথ বাহিনীর কয়েকটি টহল দলের কার্যক্রমও মনিটরিং করেন।
পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, রমজানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে শতাধিক তল্লাশিচৌকি ও চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। অপরাধপ্রবণ এলাকায় টহল বাড়ানো হয়েছে। এসব চেকপোস্ট ও টহল দলের রাত্রিকালীন কার্যক্রম মনিটরিং করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদেরকে নিয়মিত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, যারা সংঘবদ্ধভাবে ‘মব’ তৈরি করছে, যারা চুরি-ডাকাতি ও ছিনতাই-চাঁদাবাজি করছে, যারা ধর্ষণ-নারী ও শিশু নির্যাতনসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাচ্ছে, তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে এবং বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
এ সময় বিভিন্ন অপরাধ ও আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কার্যক্রম রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেন উপদেষ্টা

ভোরে রাজধানী ঢাকার চারটি থানা পরিদর্শন করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় তিনি থানার অভ্যর্থনা কক্ষ, হাজতখানাসহ আনুষঙ্গিক স্থাপনা ঘুরে দেখেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ডিউটি অফিসারসহ থানায় কর্তব্যরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব পালনে আরও তৎপর, সজাগ ও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।
সোমবার (১০ মার্চ) ভোরে রাজধানীর চার থানা পরিদর্শন করেন উপদেষ্টা। থানাগুলো হলো— তেজগাঁও থানা, ধানমন্ডি থানা, শাহবাগ থানা ও নিউমার্কেট থানা। তিনি জানান, রমজানে থানাগুলো ঠিকভাবে কাজ করছে কি না, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক ও সজাগ থেকে তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছেন কি না— এগুলো দেখার জন্যই তার এ পরিদর্শন।

থানার পাশাপাশি পথে পুলিশের চেক পোস্ট ও টহল দলের কার্যক্রমও ঘুরে দেখেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। ছবি: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
পরিদর্শনের সময় পথে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে স্থাপিত কয়েকটি চেকপোস্ট ও তল্লাশি চৌকি পরিদর্শন করে দায়িত্বরতদের সঙ্গে কথা বলেন উপদেষ্টা। যৌথ বাহিনীর কয়েকটি টহল দলের কার্যক্রমও মনিটরিং করেন।
পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, রমজানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে শতাধিক তল্লাশিচৌকি ও চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। অপরাধপ্রবণ এলাকায় টহল বাড়ানো হয়েছে। এসব চেকপোস্ট ও টহল দলের রাত্রিকালীন কার্যক্রম মনিটরিং করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদেরকে নিয়মিত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, যারা সংঘবদ্ধভাবে ‘মব’ তৈরি করছে, যারা চুরি-ডাকাতি ও ছিনতাই-চাঁদাবাজি করছে, যারা ধর্ষণ-নারী ও শিশু নির্যাতনসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাচ্ছে, তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে এবং বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
এ সময় বিভিন্ন অপরাধ ও আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কার্যক্রম রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেন উপদেষ্টা

দেশের জননিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিতে ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটি বলেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ও সংশ্লিষ্ট বাহিনী ব্যর্থ হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।
১ দিন আগে
জোটের নেতারা পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের মতো বিষয় সামনে আনেন। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার দাবি না মানলে আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে