
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবার ও আহতদের জন্য অন্তর্বর্তী সরকার ৬৩৭ কোটি ৮০ লাখ টাকার বাজেট বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ।
সোমবার (০৬ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
বরাদ্দকৃত অর্থের মধ্য থেকে শহীদ পরিবারের জন্য ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র এবং আহতদের বিভিন্ন ক্যাটাগরি অনুযায়ী এক লাখ থেকে পাঁচ লাখ টাকা দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
নাহিদ ইসলাম জানান, বরাদ্দকৃত অর্থের মধ্যে ২৩২ কোটি ৬০ লাখ টাকা চলতি অর্থবছরের বাজেট থেকে ব্যয় হবে। বাকি টাকা ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট থেকে বরাদ্দ করা হবে।
নাহিদ ইসলাম আরও জানান, প্রক্রিয়া অনুযায়ী শহীদদের পরিবারকে জানুয়ারিতে ১০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র এবং জুলাইতে ২০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র হস্তান্তর করা হবে। একই সাথে আহতদের নগদ অর্থের পাশাপাশি চিকিৎসার প্রাসঙ্গিক ব্যয়ও পর্যায়ক্রমে মেটানো হবে।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তরকে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবি থেকে শুরু হওয়া সরকার পতনের এক দফা আন্দোলনের আগে-পরের বিক্ষোভ-সংঘাত-সহিংসতায় অন্তত ৬৫০ জন নিহত হওয়ার তথ্য দিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাই কমিশনারের কার্যালয়-ওএইচসিএইচআর।
ওএইচসিএইচআর—এর ১০ পৃষ্ঠার ওই প্রাথমিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং আন্দোলনকারীদের তথ্য অনুযায়ী ১৬ জুলাই থেকে ১১ আগস্টের মধ্যে নিহত হয়েছেন ছয় শতাধিক মানুষ। এর মধ্যে ১৬ জুলাই থেকে ৪ আগস্টের মধ্যে প্রায় ৪০০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। আর ৫ আগস্ট ও এর পরে মৃত্যু হয় প্রায় ২৫০ জনের।

ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবার ও আহতদের জন্য অন্তর্বর্তী সরকার ৬৩৭ কোটি ৮০ লাখ টাকার বাজেট বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ।
সোমবার (০৬ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
বরাদ্দকৃত অর্থের মধ্য থেকে শহীদ পরিবারের জন্য ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র এবং আহতদের বিভিন্ন ক্যাটাগরি অনুযায়ী এক লাখ থেকে পাঁচ লাখ টাকা দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
নাহিদ ইসলাম জানান, বরাদ্দকৃত অর্থের মধ্যে ২৩২ কোটি ৬০ লাখ টাকা চলতি অর্থবছরের বাজেট থেকে ব্যয় হবে। বাকি টাকা ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট থেকে বরাদ্দ করা হবে।
নাহিদ ইসলাম আরও জানান, প্রক্রিয়া অনুযায়ী শহীদদের পরিবারকে জানুয়ারিতে ১০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র এবং জুলাইতে ২০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র হস্তান্তর করা হবে। একই সাথে আহতদের নগদ অর্থের পাশাপাশি চিকিৎসার প্রাসঙ্গিক ব্যয়ও পর্যায়ক্রমে মেটানো হবে।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তরকে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবি থেকে শুরু হওয়া সরকার পতনের এক দফা আন্দোলনের আগে-পরের বিক্ষোভ-সংঘাত-সহিংসতায় অন্তত ৬৫০ জন নিহত হওয়ার তথ্য দিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাই কমিশনারের কার্যালয়-ওএইচসিএইচআর।
ওএইচসিএইচআর—এর ১০ পৃষ্ঠার ওই প্রাথমিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং আন্দোলনকারীদের তথ্য অনুযায়ী ১৬ জুলাই থেকে ১১ আগস্টের মধ্যে নিহত হয়েছেন ছয় শতাধিক মানুষ। এর মধ্যে ১৬ জুলাই থেকে ৪ আগস্টের মধ্যে প্রায় ৪০০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। আর ৫ আগস্ট ও এর পরে মৃত্যু হয় প্রায় ২৫০ জনের।

দেশের জননিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিতে ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটি বলেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ও সংশ্লিষ্ট বাহিনী ব্যর্থ হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।
১ দিন আগে
জোটের নেতারা পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের মতো বিষয় সামনে আনেন। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার দাবি না মানলে আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
৩ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
৩ দিন আগে