
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সফররত যুক্তরাষ্ট্রের দুই উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব মো. জসীম উদ্দিন।
তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। রোহিঙ্গা ইস্যুতেও বিশদ আলোচনা হয়েছে। তবে নির্বাচন নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।
বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) বিকেলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দুই উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
এর আগে বিকেল পৌনে ৩টায় পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠক করেন সফররত দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক মার্কিন উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিকোল এন চুলিক এবং পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল বিষয়ক উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্ড্রু হেরাপ। ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন ও মিয়ানমারে মার্কিন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স সুসান স্টিভেনসন তাদের সঙ্গে ছিলেন।
বৈঠকের পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মার্কিন দুই মন্ত্রী জানিয়েছেন, বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে।
এর আগে বুধবার ঢাকায় আসেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের এই দুই কূটনীতিক। ঢাকায় আসার পরপরই তারা বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। আজ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের পর প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানের সঙ্গেও তাদের বৈঠকের কথা রয়েছে।

সফররত যুক্তরাষ্ট্রের দুই উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব মো. জসীম উদ্দিন।
তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। রোহিঙ্গা ইস্যুতেও বিশদ আলোচনা হয়েছে। তবে নির্বাচন নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।
বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) বিকেলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দুই উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
এর আগে বিকেল পৌনে ৩টায় পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠক করেন সফররত দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক মার্কিন উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিকোল এন চুলিক এবং পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল বিষয়ক উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্ড্রু হেরাপ। ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন ও মিয়ানমারে মার্কিন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স সুসান স্টিভেনসন তাদের সঙ্গে ছিলেন।
বৈঠকের পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মার্কিন দুই মন্ত্রী জানিয়েছেন, বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে।
এর আগে বুধবার ঢাকায় আসেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের এই দুই কূটনীতিক। ঢাকায় আসার পরপরই তারা বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। আজ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের পর প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানের সঙ্গেও তাদের বৈঠকের কথা রয়েছে।

জোটের নেতারা পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের মতো বিষয় সামনে আনেন। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার দাবি না মানলে আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে
লংমার্চের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আপনাদের দাবিতে আমরা রাস্তায় নেমেছি। কোনো দলীয় নয়, ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে নেমেছি।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থে ঘোষিত আট দফা দাবি যেকোনো সময় এক দফায় রূপ নিতে পারে।
২ দিন আগে