
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘জাতীয় সংস্কারক’ ঘোষণা করা সংক্রান্ত হাইকোর্টে দায়ের করা এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে সরকার বলেছে, ইউনূস নিজেও এ ধরনের কোনো উপাধি প্রত্যাশা করেন না এবং সরকারও এমন কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। আজ মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সরকারি বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, সরকারের দৃষ্টিগোচর হয়েছে যে হাইকোর্ট বিভাগের একটি বেঞ্চ এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে রুল জারি করেছেন। ওই রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন অধ্যাপক ইউনূসকে ‘জাতীয় সংস্কারক’ ঘোষণা করা হবে না।
সরকার বলছে, রিটটি ব্যক্তিগতভাবে দায়ের করা হয়েছে এবং এতে কেন এমন নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় আইনগত দিকগুলো পর্যালোচনা করবে।
সরকার রুলের কপি হাতে পাওয়ার পর যথাসময়ে এর জবাব দেবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘জাতীয় সংস্কারক’ ঘোষণার কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না এবং আবু সাঈদ ও মুগ্ধ ওয়াসিমসহ চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে নিহতের প্রকৃত তালিকা প্রকাশ করে তাঁদের 'জাতীয় শহীদ' হিসেবে ঘোষণার কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না-তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
এ সংক্রান্ত এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি সৈয়দ জাহেদ মনসুরের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ ১৪ জুলাই এ আদেশ দেয়।
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে জাতীয় সংস্কারক ঘোষণা, ২৪-এর অভ্যুত্থানে নিহতদের প্রকৃত তালিকা প্রকাশ ও তাদের ‘জাতীয় শহীদ’ হিসেবে ঘোষণার নির্দেশনা চেয়ে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য ইমদাদুল হক হাইকোর্টে রিটটি দায়ের করেন। এর আগে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি গত ২৫ জানুয়ারি লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ করেন ওই ব্যক্তি।

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘জাতীয় সংস্কারক’ ঘোষণা করা সংক্রান্ত হাইকোর্টে দায়ের করা এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে সরকার বলেছে, ইউনূস নিজেও এ ধরনের কোনো উপাধি প্রত্যাশা করেন না এবং সরকারও এমন কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। আজ মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সরকারি বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, সরকারের দৃষ্টিগোচর হয়েছে যে হাইকোর্ট বিভাগের একটি বেঞ্চ এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে রুল জারি করেছেন। ওই রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন অধ্যাপক ইউনূসকে ‘জাতীয় সংস্কারক’ ঘোষণা করা হবে না।
সরকার বলছে, রিটটি ব্যক্তিগতভাবে দায়ের করা হয়েছে এবং এতে কেন এমন নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় আইনগত দিকগুলো পর্যালোচনা করবে।
সরকার রুলের কপি হাতে পাওয়ার পর যথাসময়ে এর জবাব দেবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘জাতীয় সংস্কারক’ ঘোষণার কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না এবং আবু সাঈদ ও মুগ্ধ ওয়াসিমসহ চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে নিহতের প্রকৃত তালিকা প্রকাশ করে তাঁদের 'জাতীয় শহীদ' হিসেবে ঘোষণার কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না-তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
এ সংক্রান্ত এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি সৈয়দ জাহেদ মনসুরের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ ১৪ জুলাই এ আদেশ দেয়।
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে জাতীয় সংস্কারক ঘোষণা, ২৪-এর অভ্যুত্থানে নিহতদের প্রকৃত তালিকা প্রকাশ ও তাদের ‘জাতীয় শহীদ’ হিসেবে ঘোষণার নির্দেশনা চেয়ে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য ইমদাদুল হক হাইকোর্টে রিটটি দায়ের করেন। এর আগে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি গত ২৫ জানুয়ারি লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ করেন ওই ব্যক্তি।

জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে
লংমার্চের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আপনাদের দাবিতে আমরা রাস্তায় নেমেছি। কোনো দলীয় নয়, ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে নেমেছি।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থে ঘোষিত আট দফা দাবি যেকোনো সময় এক দফায় রূপ নিতে পারে।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর জনগণের অধিকার হরণ করছে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অতীতে যারা গণতন্ত্র ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের স্থান ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে হয়েছে।
২ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, ১১ দলীয় লংমার্চ দেখে অনেকের মাথা গরম হয়ে গেছে, জাতির প্রয়োজনে ৮ দফা এক দফায় পরিণত হতে পারে। তিনি আরও বলেন, এক দফা আসলে পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ হবে।
২ দিন আগে