
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়াকে গ্রেপ্তার না করে বিদেশে যেতে দিলে সেটি নিয়ে উলটো প্রশ্ন উঠত বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
তিনি বলেন, উনার বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ হয়নি। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে তো আমরা বলতে পারব না যে তিনি নির্দোষ কি না। এ অবস্থায় আবার ছেড়ে দিলে আপনারাই বলবেন যে ছেড়ে দিলাম কেন?
ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে সোমবার (১৯ মে) সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, মামলার তদন্ত শেষ না হওয়ায় তিনি (নুসরাত) নিরপরাধ কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। সে কারণেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের আরও অনেক মামলায় নিরীহ লোকজন হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠছে। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, নিরীহ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সে বিষয়ে আমরা অনেকবার বলেছি। আমরা বলেছি, শুধু দুষ্কৃতিকারীরা যেন আইনের আওতায় আসে এবং শাস্তি পায়, নিরীহ কেউ যেন ভোগান্তির শিকার না হয়।
এর আগে থাইল্যান্ডে যাওয়ার সময় হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে আটক হন নুসরাত ফারিয়া। রাজধানীর ভাটারা থানায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের এক হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয় তাকে।
সোমবার সকালে নুসরাত ফারিয়াকে ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে হাজির করা হয়। আদালত শুনানি নিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
নুসরাত ফারিয়াকে গ্রেপ্তারের ঘটনা দেশ জুড়ে আলোচনা ছড়িয়েছে। এরই মধ্যে সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফরুকী এ ঘটনাকে ‘বিব্রতকর’ অভিহিত করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন।
ফারুকী বলেন, আমাদের সরকারের কাজ জুলাইয়ের প্রকৃত অপরাধীদের বিচার করা। ঢালাও মামলার ক্ষেত্রে আমাদের পরিষ্কার অবস্থান, প্রাথমিক তদন্তে সংশ্লিষ্টতা না থাকলে কাউকে গ্রেপ্তার করা হবে না এবং সেই নীতিই অনুসরণ করা হচ্ছিল। নুসরাত ফারিয়ার গ্রেপ্তার বিব্রতকর একটি ঘটনা হয়ে থাকল আমাদের জন্য।
নুসরাত ফারিয়ার গ্রেপ্তার নিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছেন এনসিপির নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহও। তিনি অভিযোগ করেছেন, সরকার জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধে প্রকৃত দোষীদের পালানোর সুযোগ করে দিচ্ছে। বাকিদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে তৎপরতা দেখানোর জন্য।
হাসনাত লিখেছেন, ‘ইন্টেরিম (অন্তর্বর্তী সরকার), ৬২৬ জনের লিস্ট কোথায়? ৬২৬ জনকে নিরাপদে বের করে দিয়ে এখন নুসরাত ফারিয়াকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করে বোঝাতে চাচ্ছেন আপনারা খুব বিচার করছেন? এগুলো বিচার নয়, এগুলো হাসিনা স্টাইলে মনোযোগ ডাইভারশন।’

চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়াকে গ্রেপ্তার না করে বিদেশে যেতে দিলে সেটি নিয়ে উলটো প্রশ্ন উঠত বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
তিনি বলেন, উনার বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ হয়নি। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে তো আমরা বলতে পারব না যে তিনি নির্দোষ কি না। এ অবস্থায় আবার ছেড়ে দিলে আপনারাই বলবেন যে ছেড়ে দিলাম কেন?
ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে সোমবার (১৯ মে) সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, মামলার তদন্ত শেষ না হওয়ায় তিনি (নুসরাত) নিরপরাধ কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। সে কারণেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের আরও অনেক মামলায় নিরীহ লোকজন হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠছে। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, নিরীহ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সে বিষয়ে আমরা অনেকবার বলেছি। আমরা বলেছি, শুধু দুষ্কৃতিকারীরা যেন আইনের আওতায় আসে এবং শাস্তি পায়, নিরীহ কেউ যেন ভোগান্তির শিকার না হয়।
এর আগে থাইল্যান্ডে যাওয়ার সময় হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে আটক হন নুসরাত ফারিয়া। রাজধানীর ভাটারা থানায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের এক হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয় তাকে।
সোমবার সকালে নুসরাত ফারিয়াকে ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে হাজির করা হয়। আদালত শুনানি নিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
নুসরাত ফারিয়াকে গ্রেপ্তারের ঘটনা দেশ জুড়ে আলোচনা ছড়িয়েছে। এরই মধ্যে সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফরুকী এ ঘটনাকে ‘বিব্রতকর’ অভিহিত করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন।
ফারুকী বলেন, আমাদের সরকারের কাজ জুলাইয়ের প্রকৃত অপরাধীদের বিচার করা। ঢালাও মামলার ক্ষেত্রে আমাদের পরিষ্কার অবস্থান, প্রাথমিক তদন্তে সংশ্লিষ্টতা না থাকলে কাউকে গ্রেপ্তার করা হবে না এবং সেই নীতিই অনুসরণ করা হচ্ছিল। নুসরাত ফারিয়ার গ্রেপ্তার বিব্রতকর একটি ঘটনা হয়ে থাকল আমাদের জন্য।
নুসরাত ফারিয়ার গ্রেপ্তার নিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছেন এনসিপির নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহও। তিনি অভিযোগ করেছেন, সরকার জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধে প্রকৃত দোষীদের পালানোর সুযোগ করে দিচ্ছে। বাকিদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে তৎপরতা দেখানোর জন্য।
হাসনাত লিখেছেন, ‘ইন্টেরিম (অন্তর্বর্তী সরকার), ৬২৬ জনের লিস্ট কোথায়? ৬২৬ জনকে নিরাপদে বের করে দিয়ে এখন নুসরাত ফারিয়াকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করে বোঝাতে চাচ্ছেন আপনারা খুব বিচার করছেন? এগুলো বিচার নয়, এগুলো হাসিনা স্টাইলে মনোযোগ ডাইভারশন।’

শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে
লংমার্চের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আপনাদের দাবিতে আমরা রাস্তায় নেমেছি। কোনো দলীয় নয়, ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে নেমেছি।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থে ঘোষিত আট দফা দাবি যেকোনো সময় এক দফায় রূপ নিতে পারে।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর জনগণের অধিকার হরণ করছে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অতীতে যারা গণতন্ত্র ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের স্থান ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে হয়েছে।
২ দিন আগে