
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সব বিষয়েই আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে সীমান্ত হত্যা, পানি বণ্টন চুক্তি, তিস্তা চুক্তির মতো বিষয়গুলোও আলোচনায় উঠে এসেছে।
শুক্রবার (৪ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের সাইডলাইনে দুই সরকারপ্রধানের মধ্যে এ বৈঠক হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
শফিকুল আলম বলেন, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সবগুলো ইস্যু নিয়েই কথা হয়েছে। আমাদের দুই দেশের মধ্যে যতগুলো আলোচনার বিষয়, সবগুলো বিষয়ই আলোচনার মধ্যে ছিল।
যে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে সেগুলোও তুলে ধরেন প্রেস সচিব। বলেন, ভারতে আশ্রয় নেওয়া শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। তিনি সেখানে বসে যে উসকানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন, এসব বিষয় বৈঠকে তুলে ধরা হয়েছে। এ ছাড়া সীমান্ত হত্যা, পানি চুক্তি, তিস্তার পানি বণ্টনের মতো বিষয়গুলো নিয়েও অধ্যাপক ইউনূস আলোচনা করেছেন বৈঠকে।
শফিকুল আলম আরও বলেন, আমি বলব যে বৈঠকটি অত্যন্ত গঠনমূলক, ফলপ্রসূ ও সফল হয়েছে।

২০১৫ সালের ৩ জানুয়ারি ভারতের মুম্বাইয়ে ১০২তম বিজ্ঞান কংগ্রেসে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে স্বর্ণপদক তুলে দিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের সাইডলাইনে দুজনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে সেই সময়কার একটি ছবি নরেন্দ্র মোদির হাতে তুলে দেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর
অধ্যাপক ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির মধ্যে আধা ঘণ্টাররও বেশি সময় ধরে দ্বিপাক্ষিক এই বৈঠক হয়। অধ্যাপক ইউনূস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথমবারের মতো তার সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হলো।
থাইল্যান্ডের ব্যাংককে ২ এপ্রিল শুরু হয়েছে বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের শীর্ষ সম্মেলন। আজ শুক্রবার এই শীর্ষ সম্মেলন শেষ হবে। এতে যোগ দিতে গতকাল বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা। আজ দেশে ফিরবেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সব বিষয়েই আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে সীমান্ত হত্যা, পানি বণ্টন চুক্তি, তিস্তা চুক্তির মতো বিষয়গুলোও আলোচনায় উঠে এসেছে।
শুক্রবার (৪ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের সাইডলাইনে দুই সরকারপ্রধানের মধ্যে এ বৈঠক হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
শফিকুল আলম বলেন, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সবগুলো ইস্যু নিয়েই কথা হয়েছে। আমাদের দুই দেশের মধ্যে যতগুলো আলোচনার বিষয়, সবগুলো বিষয়ই আলোচনার মধ্যে ছিল।
যে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে সেগুলোও তুলে ধরেন প্রেস সচিব। বলেন, ভারতে আশ্রয় নেওয়া শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। তিনি সেখানে বসে যে উসকানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন, এসব বিষয় বৈঠকে তুলে ধরা হয়েছে। এ ছাড়া সীমান্ত হত্যা, পানি চুক্তি, তিস্তার পানি বণ্টনের মতো বিষয়গুলো নিয়েও অধ্যাপক ইউনূস আলোচনা করেছেন বৈঠকে।
শফিকুল আলম আরও বলেন, আমি বলব যে বৈঠকটি অত্যন্ত গঠনমূলক, ফলপ্রসূ ও সফল হয়েছে।

২০১৫ সালের ৩ জানুয়ারি ভারতের মুম্বাইয়ে ১০২তম বিজ্ঞান কংগ্রেসে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে স্বর্ণপদক তুলে দিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের সাইডলাইনে দুজনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে সেই সময়কার একটি ছবি নরেন্দ্র মোদির হাতে তুলে দেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর
অধ্যাপক ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির মধ্যে আধা ঘণ্টাররও বেশি সময় ধরে দ্বিপাক্ষিক এই বৈঠক হয়। অধ্যাপক ইউনূস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথমবারের মতো তার সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হলো।
থাইল্যান্ডের ব্যাংককে ২ এপ্রিল শুরু হয়েছে বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের শীর্ষ সম্মেলন। আজ শুক্রবার এই শীর্ষ সম্মেলন শেষ হবে। এতে যোগ দিতে গতকাল বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা। আজ দেশে ফিরবেন তিনি।

জোটের নেতারা পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের মতো বিষয় সামনে আনেন। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার দাবি না মানলে আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে
লংমার্চের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আপনাদের দাবিতে আমরা রাস্তায় নেমেছি। কোনো দলীয় নয়, ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে নেমেছি।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থে ঘোষিত আট দফা দাবি যেকোনো সময় এক দফায় রূপ নিতে পারে।
২ দিন আগে