
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে আধিপত্যবাদী পরাশক্তিসমূহের ভূ-রাজনৈতিক কৌশলগত পরস্পরবিরোধী স্বার্থের যে টানাপোড়েন রয়েছে, বাংলাদেশকে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ কোনো দিকে বাংলাদেশের ঝুঁকে পড়ার অবকাশ নেই। বাংলাদেশ এই অঞ্চলে কারও বিশেষ কোনো এজেন্ডা বাস্তবায়নের গুটি হবে না।
শনিবার বিকেলে বিপ্লবী যুব সংহতির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। সেগুনবাগিচায় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
তিনি বলেন, এই মুহূর্তে আঞ্চলিক পরিস্থিতিও বেশ উত্তেজনাপূর্ণ ও জটিল। ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে রয়েছে এক ধরনের যুদ্ধাবস্থা বিরাজ। বাংলাদেশের কোনোভাবেই এই উত্তেজনার অংশ হবে না।
তিনি বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় স্বার্থ ও জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়ে এরকম যেকোন পদক্ষেপ অন্তর্বর্তী সরকারকে এড়িয়ে চলতে হবে।
সাইফুল হক আরো বলেন, মানবিক কারণেই বাংলাদেশ বার লক্ষ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে এবং তাদের খাদ্যসহ যাবতীয় মানবিক সহায়তা প্রদান অব্যাহত রেখেছে। কিন্তু বাংলাদেশের ভূখণ্ড দিয়ে আরাকান অঞ্চলে করিডোর দেওয়ার সাথে বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। এ ধরনের করিডোর দেয়া হলে তা বাংলাদেশকে নানা দিক থেকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিতে পারে। মানবিক করিডোর ভবিষ্যতে সামরিক করিডোরে পরিণত হবারও আশঙ্কা থাকবে।
তিনি জাতীয় সংসদের অবর্তমানে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বোঝাপড়া ব্যতীরেকে জাতীয় নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট উদ্যোগ থেকে সরে আসতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
মতবিনিময় সভায় বিপ্লবী যুব সংহতির আহ্বায়ক বাবর চৌধুরী, সদস্য সচিব মীর রেজাউল আলম, জামিরুল রহমান ডালিম,আরিফুল ইসলাম, ফায়েজুর রহমান মনির, মোহাম্মদ স্বাধীন মিয়া, শিবু মোহান্ত বক্তব্য রাখেন।
মতবিনিময় সভায় সাইফুল হক আরও বলেন, প্রতিবাদী যুবশক্তি জেগে না থাকলে গণঅভ্যুত্থানের অর্জন রক্ষা করা যাবে না। তিনি যুব আন্দোলনকে বেগবান করার জন্য যুব নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানান।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে আধিপত্যবাদী পরাশক্তিসমূহের ভূ-রাজনৈতিক কৌশলগত পরস্পরবিরোধী স্বার্থের যে টানাপোড়েন রয়েছে, বাংলাদেশকে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ কোনো দিকে বাংলাদেশের ঝুঁকে পড়ার অবকাশ নেই। বাংলাদেশ এই অঞ্চলে কারও বিশেষ কোনো এজেন্ডা বাস্তবায়নের গুটি হবে না।
শনিবার বিকেলে বিপ্লবী যুব সংহতির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। সেগুনবাগিচায় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
তিনি বলেন, এই মুহূর্তে আঞ্চলিক পরিস্থিতিও বেশ উত্তেজনাপূর্ণ ও জটিল। ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে রয়েছে এক ধরনের যুদ্ধাবস্থা বিরাজ। বাংলাদেশের কোনোভাবেই এই উত্তেজনার অংশ হবে না।
তিনি বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় স্বার্থ ও জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়ে এরকম যেকোন পদক্ষেপ অন্তর্বর্তী সরকারকে এড়িয়ে চলতে হবে।
সাইফুল হক আরো বলেন, মানবিক কারণেই বাংলাদেশ বার লক্ষ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে এবং তাদের খাদ্যসহ যাবতীয় মানবিক সহায়তা প্রদান অব্যাহত রেখেছে। কিন্তু বাংলাদেশের ভূখণ্ড দিয়ে আরাকান অঞ্চলে করিডোর দেওয়ার সাথে বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। এ ধরনের করিডোর দেয়া হলে তা বাংলাদেশকে নানা দিক থেকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিতে পারে। মানবিক করিডোর ভবিষ্যতে সামরিক করিডোরে পরিণত হবারও আশঙ্কা থাকবে।
তিনি জাতীয় সংসদের অবর্তমানে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বোঝাপড়া ব্যতীরেকে জাতীয় নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট উদ্যোগ থেকে সরে আসতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
মতবিনিময় সভায় বিপ্লবী যুব সংহতির আহ্বায়ক বাবর চৌধুরী, সদস্য সচিব মীর রেজাউল আলম, জামিরুল রহমান ডালিম,আরিফুল ইসলাম, ফায়েজুর রহমান মনির, মোহাম্মদ স্বাধীন মিয়া, শিবু মোহান্ত বক্তব্য রাখেন।
মতবিনিময় সভায় সাইফুল হক আরও বলেন, প্রতিবাদী যুবশক্তি জেগে না থাকলে গণঅভ্যুত্থানের অর্জন রক্ষা করা যাবে না। তিনি যুব আন্দোলনকে বেগবান করার জন্য যুব নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানান।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৪ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৭ দিন আগে