
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করেছে নতুন সরকার। ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী নিয়ে ৪৯ সদস্যের মন্ত্রিসভায় জায়গা পাওয়া কয়েকজন নেতার রাজনৈতিক উত্থান ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে সাতজন সদস্য রয়েছেন, যাদের রাজনৈতিক পরিচয়ের পেছনে রয়েছে প্রভাবশালী পিতার উত্তরাধিকার।
অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের সমন্বয়ে গঠিত এ মন্ত্রিসভায় পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য ও ব্যক্তিগত নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত: তরিকুল ইসলামের উত্তরসূরি
যশোর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি প্রয়াত তরিকুল ইসলামের ছেলে। তরিকুল ইসলাম বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ছিলেন।
ইশরাক হোসেন: সাদেক হোসেন খোকার ছেলে
ঢাকা-৬ আসনের প্রতিনিধি ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকার ছেলে। খোকা ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী।
ফারজানা শারমিন পুতুল: নাটোরের রাজনৈতিক পরিবার
মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল নাটোর-১ আসনের প্রতিনিধি। তিনি প্রয়াত ফজলুর রহমান পটলের মেয়ে, যিনি সাবেক প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।
মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন: চট্টগ্রামের পরিচিত নাম
চট্টগ্রাম-৫ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক। তার বাবা মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী।
শামা ওবায়েদ: ওবায়দুর রহমানের মেয়ে
ফরিদপুর-২ আসনের প্রতিনিধি ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বপ্রাপ্ত শামা ওবায়েদ ইসলাম বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি প্রয়াত কে এম ওবায়দুর রহমানের মেয়ে, যিনি বিএনপির সাবেক মহাসচিব ও মন্ত্রী ছিলেন।
আফরোজা খানম রিতা: পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্বে একমাত্র নারী
মানিকগঞ্জ-৩ আসনের প্রতিনিধি আফরোজা খানম রিতা বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। তিনি প্রয়াত হারুনার রশিদ খান মুন্নুর মেয়ে। মুন্নু গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুন্নু ছিলেন শিল্পপতি ও সাবেক মন্ত্রী।
আহম্মদ সোহেল মনজুর: শেখ মুজিবের সরকারে বাবা প্রতিমন্ত্রী
পিরোজপুর-২ আসনে জামায়াতের প্রয়াত নেতা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর ছেলে শামীম সাঈদীকে হারিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয় পেয়েছিলেন আহম্মদ সোহেল মনজুর। তার বাবা নুরুল ইসলাম মঞ্জুর ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭৩ সালের মন্ত্রিসভার প্রতিমন্ত্রী, পরে অবশ্য তিনি বিএনপিতে যোগ দিয়েছিলেন।
পারিবারিক রাজনৈতিক পরিচয় থাকলেও এদের প্রত্যেকেই নিজ নিজ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে রাজনীতিতে পারিবারিক ধারাবাহিকতা একটি বাস্তবতা— যা নতুন মন্ত্রিসভাতেও প্রতিফলিত হয়েছে।
সব মিলিয়ে তারেক রহমান নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের ৪৯ সদস্যের মন্ত্রিসভায় এই সাতজনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের প্রভাব স্পষ্ট। তারা পিতৃঐতিহ্যের বাইরে নিজেদের স্বতন্ত্র নেতৃত্ব কতটা প্রতিষ্ঠা করতে পারেন— এখন সেটাই দেখার বিষয়।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করেছে নতুন সরকার। ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী নিয়ে ৪৯ সদস্যের মন্ত্রিসভায় জায়গা পাওয়া কয়েকজন নেতার রাজনৈতিক উত্থান ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে সাতজন সদস্য রয়েছেন, যাদের রাজনৈতিক পরিচয়ের পেছনে রয়েছে প্রভাবশালী পিতার উত্তরাধিকার।
অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের সমন্বয়ে গঠিত এ মন্ত্রিসভায় পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য ও ব্যক্তিগত নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত: তরিকুল ইসলামের উত্তরসূরি
যশোর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি প্রয়াত তরিকুল ইসলামের ছেলে। তরিকুল ইসলাম বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ছিলেন।
ইশরাক হোসেন: সাদেক হোসেন খোকার ছেলে
ঢাকা-৬ আসনের প্রতিনিধি ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকার ছেলে। খোকা ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী।
ফারজানা শারমিন পুতুল: নাটোরের রাজনৈতিক পরিবার
মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল নাটোর-১ আসনের প্রতিনিধি। তিনি প্রয়াত ফজলুর রহমান পটলের মেয়ে, যিনি সাবেক প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।
মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন: চট্টগ্রামের পরিচিত নাম
চট্টগ্রাম-৫ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক। তার বাবা মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী।
শামা ওবায়েদ: ওবায়দুর রহমানের মেয়ে
ফরিদপুর-২ আসনের প্রতিনিধি ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বপ্রাপ্ত শামা ওবায়েদ ইসলাম বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি প্রয়াত কে এম ওবায়দুর রহমানের মেয়ে, যিনি বিএনপির সাবেক মহাসচিব ও মন্ত্রী ছিলেন।
আফরোজা খানম রিতা: পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্বে একমাত্র নারী
মানিকগঞ্জ-৩ আসনের প্রতিনিধি আফরোজা খানম রিতা বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। তিনি প্রয়াত হারুনার রশিদ খান মুন্নুর মেয়ে। মুন্নু গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুন্নু ছিলেন শিল্পপতি ও সাবেক মন্ত্রী।
আহম্মদ সোহেল মনজুর: শেখ মুজিবের সরকারে বাবা প্রতিমন্ত্রী
পিরোজপুর-২ আসনে জামায়াতের প্রয়াত নেতা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর ছেলে শামীম সাঈদীকে হারিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয় পেয়েছিলেন আহম্মদ সোহেল মনজুর। তার বাবা নুরুল ইসলাম মঞ্জুর ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭৩ সালের মন্ত্রিসভার প্রতিমন্ত্রী, পরে অবশ্য তিনি বিএনপিতে যোগ দিয়েছিলেন।
পারিবারিক রাজনৈতিক পরিচয় থাকলেও এদের প্রত্যেকেই নিজ নিজ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে রাজনীতিতে পারিবারিক ধারাবাহিকতা একটি বাস্তবতা— যা নতুন মন্ত্রিসভাতেও প্রতিফলিত হয়েছে।
সব মিলিয়ে তারেক রহমান নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের ৪৯ সদস্যের মন্ত্রিসভায় এই সাতজনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের প্রভাব স্পষ্ট। তারা পিতৃঐতিহ্যের বাইরে নিজেদের স্বতন্ত্র নেতৃত্ব কতটা প্রতিষ্ঠা করতে পারেন— এখন সেটাই দেখার বিষয়।

নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর জনগণের অধিকার হরণ করছে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অতীতে যারা গণতন্ত্র ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের স্থান ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে হয়েছে।
১ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, ১১ দলীয় লংমার্চ দেখে অনেকের মাথা গরম হয়ে গেছে, জাতির প্রয়োজনে ৮ দফা এক দফায় পরিণত হতে পারে। তিনি আরও বলেন, এক দফা আসলে পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ হবে।
১ দিন আগে
নতুন করে আলোচনা শুরুর ফলে রোহিঙ্গা সংকটকে শুধু একটি মানবিক বোঝা হিসেবে না দেখে আঞ্চলিক সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই সংকটে চীনের কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থও ক্রমেই এক জায়গায় এসে মিলছে। আরও স্থিতিশীল রাখাইন রাজ্য চীনের জন্য বিভিন্ন দিক থেকে লাভজনক হতে পারে।
২ দিন আগে
বর্তমান জাতীয় সংসদে সংশোধিত জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) আইন পাসের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আইনে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, যারা ১৯৭১ সালের পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, তৎকালীন আল বদর, তৎকালীন রাজাকার, তৎকালীন মুসলিম লীগ, তৎকালীন জামায়াতে ইসলামী— এই তৎকালীন শব্দটা আগে
২ দিন আগে