
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

কৃত্রিম উপায়ে সমাজে বিভেদ তৈরির চেষ্টা করা হলেও এ দেশের সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ একসঙ্গে লড়াই করতে অভ্যস্ত, তাই এ জাতিকে কখনো বিভাজন করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, জুলাইয়ের গণ-আন্দোলনে শুধু মুসলিমরাই নয়, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সব সম্প্রদায়ের মানুষই বুক পেতে গুলি খেয়েছে ও রক্ত দিয়েছে।
আজ শুক্রবার (৩ জুলাই) রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বর্তমানে দেশে মুক্ত পরিবেশে নির্বিঘ্নে সবাই সবার কথা বলতে পারছে, যা অনেক দিন এ দেশে ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী।
তিনি বলেন, ‘কৃত্রিমভাবে বিভাজন তৈরি করা যায়। কিন্তু এ দেশে সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ একসঙ্গে লড়াই করে অভ্যস্ত। তাই এ জাতিকে কখনো বিভাজন করা সম্ভব নয়।’
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে এ দেশের সব মানুষ একসঙ্গে লড়াই করেছে।
জুলাইয়ের গণ-আন্দোলনে শুধু মুসলিমরাই গুলি খায়নি; হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান–সব সম্প্রদায়ের মানুষই গুলি খেয়েছে ও রক্ত দিয়েছে। তাই দেশ গঠনেও এখন সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
দেশের বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি ও সরকারের কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব বলেন, জনগণের ভোটাধিকার এবং একটি জবাবদিহিমূলক সরকার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীও জনস্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
আলোচনাসভায় ঢাকা মহানগর বিএনপি এবং হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কৃত্রিম উপায়ে সমাজে বিভেদ তৈরির চেষ্টা করা হলেও এ দেশের সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ একসঙ্গে লড়াই করতে অভ্যস্ত, তাই এ জাতিকে কখনো বিভাজন করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, জুলাইয়ের গণ-আন্দোলনে শুধু মুসলিমরাই নয়, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সব সম্প্রদায়ের মানুষই বুক পেতে গুলি খেয়েছে ও রক্ত দিয়েছে।
আজ শুক্রবার (৩ জুলাই) রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বর্তমানে দেশে মুক্ত পরিবেশে নির্বিঘ্নে সবাই সবার কথা বলতে পারছে, যা অনেক দিন এ দেশে ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী।
তিনি বলেন, ‘কৃত্রিমভাবে বিভাজন তৈরি করা যায়। কিন্তু এ দেশে সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ একসঙ্গে লড়াই করে অভ্যস্ত। তাই এ জাতিকে কখনো বিভাজন করা সম্ভব নয়।’
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে এ দেশের সব মানুষ একসঙ্গে লড়াই করেছে।
জুলাইয়ের গণ-আন্দোলনে শুধু মুসলিমরাই গুলি খায়নি; হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান–সব সম্প্রদায়ের মানুষই গুলি খেয়েছে ও রক্ত দিয়েছে। তাই দেশ গঠনেও এখন সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
দেশের বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি ও সরকারের কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব বলেন, জনগণের ভোটাধিকার এবং একটি জবাবদিহিমূলক সরকার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীও জনস্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
আলোচনাসভায় ঢাকা মহানগর বিএনপি এবং হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর জনগণের অধিকার হরণ করছে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অতীতে যারা গণতন্ত্র ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের স্থান ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে হয়েছে।
১ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, ১১ দলীয় লংমার্চ দেখে অনেকের মাথা গরম হয়ে গেছে, জাতির প্রয়োজনে ৮ দফা এক দফায় পরিণত হতে পারে। তিনি আরও বলেন, এক দফা আসলে পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ হবে।
১ দিন আগে
নতুন করে আলোচনা শুরুর ফলে রোহিঙ্গা সংকটকে শুধু একটি মানবিক বোঝা হিসেবে না দেখে আঞ্চলিক সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই সংকটে চীনের কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থও ক্রমেই এক জায়গায় এসে মিলছে। আরও স্থিতিশীল রাখাইন রাজ্য চীনের জন্য বিভিন্ন দিক থেকে লাভজনক হতে পারে।
২ দিন আগে
বর্তমান জাতীয় সংসদে সংশোধিত জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) আইন পাসের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আইনে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, যারা ১৯৭১ সালের পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, তৎকালীন আল বদর, তৎকালীন রাজাকার, তৎকালীন মুসলিম লীগ, তৎকালীন জামায়াতে ইসলামী— এই তৎকালীন শব্দটা আগে
২ দিন আগে