
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ‘বন্ধু’ হিসেবে তাদের পাশে চায়— সম্প্রতি ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্টে’র একটি প্রতিবেদনে উঠে আসা এই খবরের প্রেক্ষিতে জামায়াত নিজেও যুক্তরাষ্ট্রের ‘বন্ধুত্বে’র আকাঙ্ক্ষাকে স্বাগত জানাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ফেসবুক দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই দাবি করে আরও লেখেন, জামায়াতে ইসলামীর প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নতুন আগ্রহে অবাক হওয়ার কিছু নেই। এটি কোনো নতুন সম্পর্ক নয়, বরং একাত্তরের ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা।
ফরহাদ মজহারের ভাষ্যে, জামায়াতে ইসলামী সবসময়ই যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধু ছিল। একাত্তর সালে পাকিস্তানের গণহত্যাকারী শাসকশ্রেণির প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন যেমন ছিল, জামায়াতে ইসলামীর প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গিও মূলত সেই ধারাবাহিকতার মধ্যেই আছে। এই সম্পর্ক নতুন নয়, হঠাৎ তৈরি হয়নি এবং কখনোই প্রকৃত অর্থে মার্কিন রাষ্ট্রের চোখে 'খারাপ' বলে বিবেচিত হয়নি।
সম্প্রতি ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্টে’র একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, আসন্ন নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র জামায়াত ইসলামীকে ক্ষমতায় দেখতে চায়। দেশটি বিশ্বাস করে, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশে শরিয়া আইন চালু করবে না। আর যদি যুক্তরাষ্ট্রের কথা না শুনে সেটি করেও, তাহলে শুল্ক আরোপসহ বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের এক কূটনীতিকের সঙ্গে এক সাংবাদিকের কথোপকথনের ফাঁস হওয়া অডিওর সূত্র ধরে এসব তথ্য জানিয়েছে প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট। যুক্তরাষ্ট্রের এই অবস্থানকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ‘বড়সড় কূটনৈতিক বার্তা’ বলে অভিহিত করেছেন ফরহাদ মজহার।
তার মতে, বর্তমান ভূরাজনৈতিক অস্থিরতায় যুক্তরাষ্ট্র মনে করে, জামায়াতের মতো একটি ‘সামাজিকভাবে শৃঙ্খলাবদ্ধ’ দল তাদের দরকার। বিশেষ করে উপমহাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের চীন মোকাবিলা নীতি বা ‘ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি’ বাস্তবায়নে সংগঠিত ইসলামপন্থি শক্তিকে একটি কার্যকর ‘ম্যানেজেবল ফ্যাক্টর’ হিসেবে দেখা হয়।
ফরহাদ মজহার লিখেছেন, ‘জামায়াত নিজেও এই বন্ধুত্বকে স্বাগত জানাচ্ছে। কারণ এর মাধ্যমে তারা ইসরায়েলি-মার্কিন অক্ষশক্তির ছায়া-সমর্থন পাওয়ার আশা করে। এই অক্ষশক্তি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের জনগণকে দমন, গণবিরোধী শাসনকে টিকিয়ে রাখা এবং আরেকটি গণঅভ্যুত্থান ঠেকানোর কাজে ব্যবহৃত হবে— এমন আশঙ্কা অমূলক নয়।’
“একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা জামায়াতকে ব্যবহার করবে; অন্যদিকে দিল্লি তার স্বার্থ অনুযায়ী বিএনপি বা তথাকথিত ‘সেকুলার’ শক্তিগুলোকে সমর্থন দেবে। ফলে বর্তমান দ্বন্দ্ব আর জনগণ বনাম ফ্যাসিবাদ, ফ্যাসিস্ট শক্তি ও ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্র ব্যবস্থার দ্বন্দ্ব নয়; এটি ক্রমশ রূপ নিচ্ছে উপমহাদেশে দিল্লির আধিপত্য বনাম মার্কিন আধিপত্যের প্রতিযোগিতায়,” লেখেন ফরহাদ মজহার।
তিনি মনে করেন, দিল্লির পক্ষে বাংলাদেশকে তাদের অধীন করে রাখার চেষ্টা সহজ এবং ক্রমাগতভাবে তারা সেটা করে যাচ্ছে এবং করেও যাবে। তবে বাংলাদেশের মানুষ তা মানবে না। তিনি লেখেন, ‘বাংলাদেশ অবশ্যই দিল্লির আগ্রাসন ও আধিপত্যের শিকার, একইভাবে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদেরও শিকার। কিন্তু আলাদাভাবে শুধু ভারতীয় আধিপত্যবাদবিরোধী রাজনীতি মূলত ইসরায়লি-মার্কিন অক্ষশক্তির উপমহাদেশীয় রাজনীতি— এই বাস্তবতা অনস্বীকার্য।’

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ‘বন্ধু’ হিসেবে তাদের পাশে চায়— সম্প্রতি ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্টে’র একটি প্রতিবেদনে উঠে আসা এই খবরের প্রেক্ষিতে জামায়াত নিজেও যুক্তরাষ্ট্রের ‘বন্ধুত্বে’র আকাঙ্ক্ষাকে স্বাগত জানাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ফেসবুক দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই দাবি করে আরও লেখেন, জামায়াতে ইসলামীর প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নতুন আগ্রহে অবাক হওয়ার কিছু নেই। এটি কোনো নতুন সম্পর্ক নয়, বরং একাত্তরের ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা।
ফরহাদ মজহারের ভাষ্যে, জামায়াতে ইসলামী সবসময়ই যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধু ছিল। একাত্তর সালে পাকিস্তানের গণহত্যাকারী শাসকশ্রেণির প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন যেমন ছিল, জামায়াতে ইসলামীর প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গিও মূলত সেই ধারাবাহিকতার মধ্যেই আছে। এই সম্পর্ক নতুন নয়, হঠাৎ তৈরি হয়নি এবং কখনোই প্রকৃত অর্থে মার্কিন রাষ্ট্রের চোখে 'খারাপ' বলে বিবেচিত হয়নি।
সম্প্রতি ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্টে’র একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, আসন্ন নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র জামায়াত ইসলামীকে ক্ষমতায় দেখতে চায়। দেশটি বিশ্বাস করে, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশে শরিয়া আইন চালু করবে না। আর যদি যুক্তরাষ্ট্রের কথা না শুনে সেটি করেও, তাহলে শুল্ক আরোপসহ বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের এক কূটনীতিকের সঙ্গে এক সাংবাদিকের কথোপকথনের ফাঁস হওয়া অডিওর সূত্র ধরে এসব তথ্য জানিয়েছে প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট। যুক্তরাষ্ট্রের এই অবস্থানকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ‘বড়সড় কূটনৈতিক বার্তা’ বলে অভিহিত করেছেন ফরহাদ মজহার।
তার মতে, বর্তমান ভূরাজনৈতিক অস্থিরতায় যুক্তরাষ্ট্র মনে করে, জামায়াতের মতো একটি ‘সামাজিকভাবে শৃঙ্খলাবদ্ধ’ দল তাদের দরকার। বিশেষ করে উপমহাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের চীন মোকাবিলা নীতি বা ‘ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি’ বাস্তবায়নে সংগঠিত ইসলামপন্থি শক্তিকে একটি কার্যকর ‘ম্যানেজেবল ফ্যাক্টর’ হিসেবে দেখা হয়।
ফরহাদ মজহার লিখেছেন, ‘জামায়াত নিজেও এই বন্ধুত্বকে স্বাগত জানাচ্ছে। কারণ এর মাধ্যমে তারা ইসরায়েলি-মার্কিন অক্ষশক্তির ছায়া-সমর্থন পাওয়ার আশা করে। এই অক্ষশক্তি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের জনগণকে দমন, গণবিরোধী শাসনকে টিকিয়ে রাখা এবং আরেকটি গণঅভ্যুত্থান ঠেকানোর কাজে ব্যবহৃত হবে— এমন আশঙ্কা অমূলক নয়।’
“একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা জামায়াতকে ব্যবহার করবে; অন্যদিকে দিল্লি তার স্বার্থ অনুযায়ী বিএনপি বা তথাকথিত ‘সেকুলার’ শক্তিগুলোকে সমর্থন দেবে। ফলে বর্তমান দ্বন্দ্ব আর জনগণ বনাম ফ্যাসিবাদ, ফ্যাসিস্ট শক্তি ও ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্র ব্যবস্থার দ্বন্দ্ব নয়; এটি ক্রমশ রূপ নিচ্ছে উপমহাদেশে দিল্লির আধিপত্য বনাম মার্কিন আধিপত্যের প্রতিযোগিতায়,” লেখেন ফরহাদ মজহার।
তিনি মনে করেন, দিল্লির পক্ষে বাংলাদেশকে তাদের অধীন করে রাখার চেষ্টা সহজ এবং ক্রমাগতভাবে তারা সেটা করে যাচ্ছে এবং করেও যাবে। তবে বাংলাদেশের মানুষ তা মানবে না। তিনি লেখেন, ‘বাংলাদেশ অবশ্যই দিল্লির আগ্রাসন ও আধিপত্যের শিকার, একইভাবে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদেরও শিকার। কিন্তু আলাদাভাবে শুধু ভারতীয় আধিপত্যবাদবিরোধী রাজনীতি মূলত ইসরায়লি-মার্কিন অক্ষশক্তির উপমহাদেশীয় রাজনীতি— এই বাস্তবতা অনস্বীকার্য।’

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৮ দিন আগে