
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিরোধী দলে যাওয়ার পর প্রথমবারের মতো জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের কাছে এবারের ঈদ ভিন্ন আবহে উদযাপিত হতে যাচ্ছে। দলটির আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান ঢাকা-১৫ আসনের মানুষের সঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করবেন এবং পরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঈদের দিন বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ঢাকায় অবস্থানরত কূটনৈতিক মিশনের কূটনীতিকদের সঙ্গে এবং বিকেল ৩টা থেকে ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও অন্যান্য শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন ডা. শফিকুর রহমান। এই আয়োজন তার সরকারি বাসভবন ২৯ মিন্টো রোডে অনুষ্ঠিত হবে।
জামায়াতে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, দলটির নায়েবে আমিরদের মধ্যে এটিএম আজহারুল ইসলাম ঢাকায়, অধ্যাপক মুজিবুর রহমান রাজশাহীর গোদাগাড়ি উপজেলার নিজ গ্রামে, ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের ঢাকায় এবং মাওলানা শামসুল ইসলাম চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার নিজ গ্রামে ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন।
সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলদের মধ্যে মাওলানা এটিএম মা’ছুম কুমিল্লার লাকসামে, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায়, ড. হামিদুর রহমান আযাদ ঢাকায়, মাওলানা আবদুল হালিম কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে, মোয়াজ্জম হোসাইন হেলাল বরিশালে, এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সিলেটে নিজ গ্রামে এবং মাওলানা মো. শাহজাহান চট্টগ্রাম মহানগরীতে ঈদ উদযাপন করবেন।
কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যদের মধ্যে আবদুর রব, সাইফুল আলম খান মিলন ও মতিউর রহমান আকন্দ ঢাকায়, অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিন বগুড়ায় এবং অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ সাতক্ষীরার নিজ গ্রামে ঈদ উদযাপন করবেন।
ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল চাঁপাইনবাবগঞ্জের নিজ গ্রামে এবং উত্তরের আমির মো. সেলিম উদ্দিন ঢাকায় ঈদ উদযাপন করবেন। এছাড়া ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ পটুয়াখালীর বাউফলে এবং ড. রেজাউল করিম লক্ষ্মীপুরের নিজ গ্রামে ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন।

বিরোধী দলে যাওয়ার পর প্রথমবারের মতো জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের কাছে এবারের ঈদ ভিন্ন আবহে উদযাপিত হতে যাচ্ছে। দলটির আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান ঢাকা-১৫ আসনের মানুষের সঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করবেন এবং পরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঈদের দিন বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ঢাকায় অবস্থানরত কূটনৈতিক মিশনের কূটনীতিকদের সঙ্গে এবং বিকেল ৩টা থেকে ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও অন্যান্য শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন ডা. শফিকুর রহমান। এই আয়োজন তার সরকারি বাসভবন ২৯ মিন্টো রোডে অনুষ্ঠিত হবে।
জামায়াতে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, দলটির নায়েবে আমিরদের মধ্যে এটিএম আজহারুল ইসলাম ঢাকায়, অধ্যাপক মুজিবুর রহমান রাজশাহীর গোদাগাড়ি উপজেলার নিজ গ্রামে, ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের ঢাকায় এবং মাওলানা শামসুল ইসলাম চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার নিজ গ্রামে ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন।
সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলদের মধ্যে মাওলানা এটিএম মা’ছুম কুমিল্লার লাকসামে, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায়, ড. হামিদুর রহমান আযাদ ঢাকায়, মাওলানা আবদুল হালিম কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে, মোয়াজ্জম হোসাইন হেলাল বরিশালে, এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সিলেটে নিজ গ্রামে এবং মাওলানা মো. শাহজাহান চট্টগ্রাম মহানগরীতে ঈদ উদযাপন করবেন।
কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যদের মধ্যে আবদুর রব, সাইফুল আলম খান মিলন ও মতিউর রহমান আকন্দ ঢাকায়, অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিন বগুড়ায় এবং অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ সাতক্ষীরার নিজ গ্রামে ঈদ উদযাপন করবেন।
ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল চাঁপাইনবাবগঞ্জের নিজ গ্রামে এবং উত্তরের আমির মো. সেলিম উদ্দিন ঢাকায় ঈদ উদযাপন করবেন। এছাড়া ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ পটুয়াখালীর বাউফলে এবং ড. রেজাউল করিম লক্ষ্মীপুরের নিজ গ্রামে ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৪ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৭ দিন আগে